ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ধস, হুমকিতে বসতবাড়ি

ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ধস, হুমকিতে বসতবাড়ি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে আবাদী জমি, বসতবাড়ি। এদিকে পাউবো কর্মকর্তা বলছেন, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৃহস্পতিবার রাতে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে গেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ক্ষতিগ্রস্থ বাধ পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় কিলোমিটার বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে হুমকির কবলে রয়েছে। এর আগেও ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বাঁধের অংশ ভেঙে যেতে দেখা গেছে। পুনরায় বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীদের দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্থানীয় মাহবুবুর রহমান, মানিক, শাহিন জানিয়েছেন, বাঁধটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। গতকাল রাতে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে চলে যায়। চোখের সামনে বাপ-দাদার ভিটেমাটি আর আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা দ্রুত এর স্থায়ী প্রতিকার চাই।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, দ্রুত ভাঙন রোধে জিওব্যাগ বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পাউবোর সঙ্গে কথা হয়েছে। এছাড়া ভাঙন রোধে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেছেন, ব্রহ্মপুত্রের কাঁচকোল এলাকায় ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, ডিপিপিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার যে সমস্যা আছে সেটা সমাধান হবে।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে আবাদী জমি, বসতবাড়ি। এদিকে পাউবো কর্মকর্তা বলছেন, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৃহস্পতিবার রাতে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে গেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ক্ষতিগ্রস্থ বাধ পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় কিলোমিটার বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে হুমকির কবলে রয়েছে। এর আগেও ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বাঁধের অংশ ভেঙে যেতে দেখা গেছে। পুনরায় বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীদের দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্থানীয় মাহবুবুর রহমান, মানিক, শাহিন জানিয়েছেন, বাঁধটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। গতকাল রাতে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে চলে যায়। চোখের সামনে বাপ-দাদার ভিটেমাটি আর আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা দ্রুত এর স্থায়ী প্রতিকার চাই।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, দ্রুত ভাঙন রোধে জিওব্যাগ বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পাউবোর সঙ্গে কথা হয়েছে। এছাড়া ভাঙন রোধে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেছেন, ব্রহ্মপুত্রের কাঁচকোল এলাকায় ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, ডিপিপিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার যে সমস্যা আছে সেটা সমাধান হবে।

ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ধস, হুমকিতে বসতবাড়ি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধে ফের ধস দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে আবাদী জমি, বসতবাড়ি। এদিকে পাউবো কর্মকর্তা বলছেন, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৃহস্পতিবার রাতে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে গেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ক্ষতিগ্রস্থ বাধ পরিদর্শন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় কিলোমিটার বাঁধ দীর্ঘদিন ধরে হুমকির কবলে রয়েছে। এর আগেও ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বাঁধের অংশ ভেঙে যেতে দেখা গেছে। পুনরায় বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীদের দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্থানীয় মাহবুবুর রহমান, মানিক, শাহিন জানিয়েছেন, বাঁধটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। গতকাল রাতে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ভেঙে ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে চলে যায়। চোখের সামনে বাপ-দাদার ভিটেমাটি আর আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা দ্রুত এর স্থায়ী প্রতিকার চাই।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি অধ্যাপক ফজলুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, দ্রুত ভাঙন রোধে জিওব্যাগ বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পাউবোর সঙ্গে কথা হয়েছে। এছাড়া ভাঙন রোধে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেছেন, ব্রহ্মপুত্রের কাঁচকোল এলাকায় ৪ দশমিক ১ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি, ডিপিপিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার যে সমস্যা আছে সেটা সমাধান হবে।









