সীমান্তে বাঘের আক্রমণে আহত ৩, বিজিবির থার্মাল ক্যামেরা-ড্রোনে অবস্থান শনাক্ত

লালমনিরহাট সংবাদদাতা
লালমনিরহাট সংবাদদাতা
সীমান্তে বাঘের আক্রমণে আহত ৩, বিজিবির থার্মাল ক্যামেরা-ড্রোনে অবস্থান শনাক্ত
(ইনসেটে) থার্মাল ক্যামেরা ও ড্রোনে বাঘের অবস্থান শনাক্ত করে বিজিবি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে বাঘের হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে থার্মাল ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে বাঘটির অবস্থান শনাক্ত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধারে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের উত্তর আমঝোল এলাকায় সীমান্ত পিলার ৯০৫/১১-এস-এর কাছাকাছি এ ঘটনা ঘটে। এলাকাটি লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধীন বনচৌকি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়।

বিজিবি জানায়, স্থানীয় বাসিন্দা শরীফা বেগম হারিয়ে যাওয়া ছাগল খুঁজতে গিয়ে বাঘের আক্রমণের শিকার হন। তার চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে নজরুল ইসলাম ও আফছার আলী নামে আরও দুজন আহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে বাঘটি ঘটনাস্থল ছেড়ে পাশের জঙ্গলে আশ্রয় নেয়।

পরে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। রাতে বিজিবির থার্মাল ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করে সীমান্তবর্তী জঙ্গলে বাঘটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধার এবং পুনরায় লোকালয়ে প্রবেশের ঝুঁকি এড়াতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে লালমনিরহাট বন বিভাগকে অবহিত করে বিজিবি। পরে বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাঘটি উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বাঘটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, নিরাপদে উদ্ধার এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

/এফআর/