কিশোরগঞ্জে ভাতিজার হাতে সাবেক বিএনপি নেতা খুন

কিশোরগঞ্জে ভাতিজার হাতে সাবেক বিএনপি নেতা খুন
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন বিএনপির সাবেক এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের টিটিয়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাহমুদুল হাসান কামাল (৫৫) টিটিয়িয়া গ্রামের মৃত খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে। তিনি আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের বড় ভাই ও ভাবিকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুল হাসান কামালের সঙ্গে তার আপন বড় ভাই জালাল উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। জালাল উদ্দিন স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে সাদ্দাম হোসেন দেশীয় অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে কামালের ওপর হামলা চালায়। এতে মাহমুদুল হাসান কামাল ও তার ছেলে মো. আকরাম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে মাহমুদুল হাসান কামাল মারা যান।
কটিয়াদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান জানান, এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে করবি আক্তার বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযানে মামলার আসামি জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগমকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি সাদ্দাম হোসেন এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন বিএনপির সাবেক এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের টিটিয়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাহমুদুল হাসান কামাল (৫৫) টিটিয়িয়া গ্রামের মৃত খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে। তিনি আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের বড় ভাই ও ভাবিকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুল হাসান কামালের সঙ্গে তার আপন বড় ভাই জালাল উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। জালাল উদ্দিন স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে সাদ্দাম হোসেন দেশীয় অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে কামালের ওপর হামলা চালায়। এতে মাহমুদুল হাসান কামাল ও তার ছেলে মো. আকরাম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে মাহমুদুল হাসান কামাল মারা যান।
কটিয়াদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান জানান, এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে করবি আক্তার বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযানে মামলার আসামি জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগমকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি সাদ্দাম হোসেন এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

কিশোরগঞ্জে ভাতিজার হাতে সাবেক বিএনপি নেতা খুন
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন বিএনপির সাবেক এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের টিটিয়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাহমুদুল হাসান কামাল (৫৫) টিটিয়িয়া গ্রামের মৃত খুরশিদ উদ্দিনের ছেলে। তিনি আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের বড় ভাই ও ভাবিকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুল হাসান কামালের সঙ্গে তার আপন বড় ভাই জালাল উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। জালাল উদ্দিন স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে সাদ্দাম হোসেন দেশীয় অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে কামালের ওপর হামলা চালায়। এতে মাহমুদুল হাসান কামাল ও তার ছেলে মো. আকরাম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে মাহমুদুল হাসান কামাল মারা যান।
কটিয়াদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান জানান, এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে করবি আক্তার বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযানে মামলার আসামি জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগমকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি সাদ্দাম হোসেন এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।




