ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন। এখন দেখতে চাই। বুকের রক্ত নিয়েছেন, আমাদের মা-বোনদের বুক খালি করেছেন। আসেন, ফাঁসি কাষ্ঠে ঝোলার জন্য আসেন। আমরা প্রস্তুত আছি। আপনাদের আইনের আওতায় এনে জনগণ যে বিচার করবে, সেই বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি আয়োজিত ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা’র প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান বলেন, পলাতক শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে। আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও কিছু নেতা দেশে থেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ধ্বংস ও ভোটের অধিকার লুণ্ঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তাদের ফ্যাসিবাদ ভেঙে দিয়েছি। তাদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, তারা মনে করছে, ‘দুটি বাস পুড়িয়ে আর একটি চক্কর দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে পারবে। তাদের সতর্ক করে দিতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা জনগণকে নিয়ে যেভাবে তাদের দেশ থেকে তাড়িয়েছে, প্রয়োজনে যারা এখনো আছে, তাদেরও দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তাদের কোনোভাবেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে দেওয়া হবে না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই অধিকার ও গণতন্ত্রকে নষ্ট করার যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় প্রস্তুত বিএনপি।’
এর আগে. জেলা বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা রথখোলা মাঠে জড়ো হন। পরে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আখড়া বাজার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন। এখন দেখতে চাই। বুকের রক্ত নিয়েছেন, আমাদের মা-বোনদের বুক খালি করেছেন। আসেন, ফাঁসি কাষ্ঠে ঝোলার জন্য আসেন। আমরা প্রস্তুত আছি। আপনাদের আইনের আওতায় এনে জনগণ যে বিচার করবে, সেই বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি আয়োজিত ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা’র প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান বলেন, পলাতক শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে। আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও কিছু নেতা দেশে থেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ধ্বংস ও ভোটের অধিকার লুণ্ঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তাদের ফ্যাসিবাদ ভেঙে দিয়েছি। তাদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, তারা মনে করছে, ‘দুটি বাস পুড়িয়ে আর একটি চক্কর দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে পারবে। তাদের সতর্ক করে দিতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা জনগণকে নিয়ে যেভাবে তাদের দেশ থেকে তাড়িয়েছে, প্রয়োজনে যারা এখনো আছে, তাদেরও দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তাদের কোনোভাবেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে দেওয়া হবে না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই অধিকার ও গণতন্ত্রকে নষ্ট করার যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় প্রস্তুত বিএনপি।’
এর আগে. জেলা বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা রথখোলা মাঠে জড়ো হন। পরে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আখড়া বাজার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন। এখন দেখতে চাই। বুকের রক্ত নিয়েছেন, আমাদের মা-বোনদের বুক খালি করেছেন। আসেন, ফাঁসি কাষ্ঠে ঝোলার জন্য আসেন। আমরা প্রস্তুত আছি। আপনাদের আইনের আওতায় এনে জনগণ যে বিচার করবে, সেই বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি আয়োজিত ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা’র প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান বলেন, পলাতক শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে। আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও কিছু নেতা দেশে থেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ধ্বংস ও ভোটের অধিকার লুণ্ঠনের ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তাদের ফ্যাসিবাদ ভেঙে দিয়েছি। তাদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, তারা মনে করছে, ‘দুটি বাস পুড়িয়ে আর একটি চক্কর দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে পারবে। তাদের সতর্ক করে দিতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা জনগণকে নিয়ে যেভাবে তাদের দেশ থেকে তাড়িয়েছে, প্রয়োজনে যারা এখনো আছে, তাদেরও দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তাদের কোনোভাবেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে দেওয়া হবে না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই অধিকার ও গণতন্ত্রকে নষ্ট করার যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় প্রস্তুত বিএনপি।’
এর আগে. জেলা বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা রথখোলা মাঠে জড়ো হন। পরে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আখড়া বাজার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।









