জলমহাল নিয়ে সংঘর্ষ: অষ্টগ্রাম বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার

জলমহাল নিয়ে সংঘর্ষ: অষ্টগ্রাম বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার
সিজেডএন ডেস্ক

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের বিরুদ্ধে জলমহাল ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ওঠা অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে জেলা বিএনপি। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে তার দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর সৈয়দ সাঈদ আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল জেলা বিএনপি। নোটিশে বলা হয়েছিল, ২৫ সেপ্টেম্বর অষ্টগ্রামের পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের আখড়া বাজারে বিলমাকসা জলমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে তার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। সংঘর্ষের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল।
ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দ সাঈদ আহমেদ লিখিত ব্যাখ্যা দেন। জেলা বিএনপি তার ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে সন্তোষজনক বিবেচনা করায় তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
১৩ অক্টোবরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনা কেন্দ্র করে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিলমাকসা জলমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুরে সৈয়দ সাঈদ আহমেদ ও অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীনের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের বিরুদ্ধে জলমহাল ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ওঠা অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে জেলা বিএনপি। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে তার দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর সৈয়দ সাঈদ আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল জেলা বিএনপি। নোটিশে বলা হয়েছিল, ২৫ সেপ্টেম্বর অষ্টগ্রামের পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের আখড়া বাজারে বিলমাকসা জলমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে তার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। সংঘর্ষের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল।
ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দ সাঈদ আহমেদ লিখিত ব্যাখ্যা দেন। জেলা বিএনপি তার ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে সন্তোষজনক বিবেচনা করায় তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
১৩ অক্টোবরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনা কেন্দ্র করে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিলমাকসা জলমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুরে সৈয়দ সাঈদ আহমেদ ও অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীনের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

জলমহাল নিয়ে সংঘর্ষ: অষ্টগ্রাম বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার
সিজেডএন ডেস্ক

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের বিরুদ্ধে জলমহাল ইজারা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ওঠা অভিযোগ প্রত্যাহার করেছে জেলা বিএনপি। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবে তার দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর সৈয়দ সাঈদ আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল জেলা বিএনপি। নোটিশে বলা হয়েছিল, ২৫ সেপ্টেম্বর অষ্টগ্রামের পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের আখড়া বাজারে বিলমাকসা জলমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে তার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। সংঘর্ষের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল।
ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে সৈয়দ সাঈদ আহমেদ লিখিত ব্যাখ্যা দেন। জেলা বিএনপি তার ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে সন্তোষজনক বিবেচনা করায় তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
১৩ অক্টোবরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনা কেন্দ্র করে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিলমাকসা জলমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুরে সৈয়দ সাঈদ আহমেদ ও অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীনের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।









