ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব শুরু

ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ, রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রার হিসাব নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় বছর পর এসব মূল্যবান সামগ্রীর ওজন নির্ধারণ, স্বর্ণের বিশুদ্ধতা যাচাই এবং বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করার কাজ চলছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
ট্রেজারিতে সংরক্ষিত স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা বের করতে ৯টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার এবং সিলগালা করা ছয়টি খাম খোলা হয়। এরপর স্বর্ণ ও রুপার ওজন মাপা, স্বর্ণের ক্যারেট যাচাই এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পৃথক করার কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
হিসাব ও যাচাই শেষে স্বর্ণ এবং রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণ করে নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী টাকায় রূপান্তর করা হবে।
এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির রমজান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জেবুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের উপকমিটির তত্ত্বাবধানে কাজটি চলছে। জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকারেরা এতে সহযোগিতা করছেন। জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ ও পরিমাপের দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে জমা পড়া স্বর্ণালংকার ও রুপা নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় তিন বছর ধরে জমা হওয়া ৪১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৮৪ ভরি রুপা বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়। অলংকারগুলো পাঁচটি ভাগে ভাগ করে নিলামে তোলা হয়েছিল। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করে পাওয়া গিয়েছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা। দানের টাকা রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয় এবং স্বর্ণালংকার সংরক্ষণ করা হয় কালেক্টরেটের ট্রেজারিতে।
চলতি বছরের ২৭ জুন সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। সেদিন পাওয়া যায় ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মসজিদের তহবিলে জমা আছে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এ ছাড়া মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনুদান এসেছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা।
জেলা প্রশাসক জানান, মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের দৈনন্দিন খরচ মেটানোর পর দানের অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ অর্থ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি অসহায় মানুষ ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অর্থ ব্যয় করা হয়।
কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত পাগলা মসজিদটি দানের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এ মসজিদে দান করলে মনের আশা পূরণ হয়। এ বিশ্বাস থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে দান করতে আসেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর দানবাক্স খোলা হলে বিপুল পরিমাণ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ, রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রার হিসাব নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় বছর পর এসব মূল্যবান সামগ্রীর ওজন নির্ধারণ, স্বর্ণের বিশুদ্ধতা যাচাই এবং বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করার কাজ চলছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
ট্রেজারিতে সংরক্ষিত স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা বের করতে ৯টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার এবং সিলগালা করা ছয়টি খাম খোলা হয়। এরপর স্বর্ণ ও রুপার ওজন মাপা, স্বর্ণের ক্যারেট যাচাই এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পৃথক করার কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
হিসাব ও যাচাই শেষে স্বর্ণ এবং রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণ করে নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী টাকায় রূপান্তর করা হবে।
এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির রমজান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জেবুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের উপকমিটির তত্ত্বাবধানে কাজটি চলছে। জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকারেরা এতে সহযোগিতা করছেন। জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ ও পরিমাপের দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে জমা পড়া স্বর্ণালংকার ও রুপা নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় তিন বছর ধরে জমা হওয়া ৪১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৮৪ ভরি রুপা বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়। অলংকারগুলো পাঁচটি ভাগে ভাগ করে নিলামে তোলা হয়েছিল। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করে পাওয়া গিয়েছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা। দানের টাকা রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয় এবং স্বর্ণালংকার সংরক্ষণ করা হয় কালেক্টরেটের ট্রেজারিতে।
চলতি বছরের ২৭ জুন সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। সেদিন পাওয়া যায় ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মসজিদের তহবিলে জমা আছে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এ ছাড়া মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনুদান এসেছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা।
জেলা প্রশাসক জানান, মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের দৈনন্দিন খরচ মেটানোর পর দানের অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ অর্থ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি অসহায় মানুষ ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অর্থ ব্যয় করা হয়।
কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত পাগলা মসজিদটি দানের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এ মসজিদে দান করলে মনের আশা পূরণ হয়। এ বিশ্বাস থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে দান করতে আসেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর দানবাক্স খোলা হলে বিপুল পরিমাণ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়।

ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব শুরু
সিজেডএন ডেস্ক

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণ, রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রার হিসাব নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় বছর পর এসব মূল্যবান সামগ্রীর ওজন নির্ধারণ, স্বর্ণের বিশুদ্ধতা যাচাই এবং বৈদেশিক মুদ্রা আলাদা করার কাজ চলছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
ট্রেজারিতে সংরক্ষিত স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা বের করতে ৯টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার এবং সিলগালা করা ছয়টি খাম খোলা হয়। এরপর স্বর্ণ ও রুপার ওজন মাপা, স্বর্ণের ক্যারেট যাচাই এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পৃথক করার কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
হিসাব ও যাচাই শেষে স্বর্ণ এবং রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণ করে নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী টাকায় রূপান্তর করা হবে।
এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির রমজান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জেবুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের উপকমিটির তত্ত্বাবধানে কাজটি চলছে। জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকারেরা এতে সহযোগিতা করছেন। জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ ও পরিমাপের দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে জমা পড়া স্বর্ণালংকার ও রুপা নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় তিন বছর ধরে জমা হওয়া ৪১৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৮৪ ভরি রুপা বিক্রি করে ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়। অলংকারগুলো পাঁচটি ভাগে ভাগ করে নিলামে তোলা হয়েছিল। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় করে পাওয়া গিয়েছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা। দানের টাকা রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয় এবং স্বর্ণালংকার সংরক্ষণ করা হয় কালেক্টরেটের ট্রেজারিতে।
চলতি বছরের ২৭ জুন সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। সেদিন পাওয়া যায় ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মসজিদের তহবিলে জমা আছে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এ ছাড়া মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনুদান এসেছে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা।
জেলা প্রশাসক জানান, মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের দৈনন্দিন খরচ মেটানোর পর দানের অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ অর্থ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি অসহায় মানুষ ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অর্থ ব্যয় করা হয়।
কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত পাগলা মসজিদটি দানের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এ মসজিদে দান করলে মনের আশা পূরণ হয়। এ বিশ্বাস থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এখানে দান করতে আসেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর দানবাক্স খোলা হলে বিপুল পরিমাণ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়।









