খুলনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় হুমায়ুন কবির নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় তিন ব্যক্তি সেখানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাতিজা সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লবের অভিযোগ, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ছোট চাচা হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কোথায় এবং কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।
খুলনা মহানগর তাঁতি দলের আহ্বায়ক মো. আবু সাঈদ বলেন, হুমায়ুন কবির মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন। তবে কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় হুমায়ুন কবির নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় তিন ব্যক্তি সেখানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাতিজা সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লবের অভিযোগ, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ছোট চাচা হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কোথায় এবং কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।
খুলনা মহানগর তাঁতি দলের আহ্বায়ক মো. আবু সাঈদ বলেন, হুমায়ুন কবির মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন। তবে কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

খুলনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় হুমায়ুন কবির নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় তিন ব্যক্তি সেখানে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাতিজা সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লবের অভিযোগ, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ছোট চাচা হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কোথায় এবং কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা চলছে।
খুলনা মহানগর তাঁতি দলের আহ্বায়ক মো. আবু সাঈদ বলেন, হুমায়ুন কবির মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন। তবে কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।









