পা বাঁচাতে রূপালীর প্রয়োজন ১ লাখ টাকা, সহযোগিতা চায় অসহায় পরিবার

পা বাঁচাতে রূপালীর প্রয়োজন ১ লাখ টাকা, সহযোগিতা চায় অসহায় পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমারপাড় এলাকার রূপালী বেগমের বয়স ৩৫ বছর। পাঁচ সন্তানের এই মা একসময় ইটভাটায় রান্নার কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। কিন্তু প্রায় এক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার পর বদলে গেছে তার জীবন। এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না তিনি। টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে পারছেন না।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ইটভাটায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন রূপালী। এতে তার ডান পায়ের হাড় গুরুতরভাবে ভেঙে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে ধারদেনা করে তাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। সেখানে তার পায়ে অস্ত্রোপচারও করা হয়। তবে এরপরও পা ভালো হয়নি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না।
রূপালীর বাড়ি বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমারপাড় এলাকায়, ঝংকার সিনেমা হলের পশ্চিম পাশে একটি মসজিদের কাছে। তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দিনমজুরি ও অটোচালনার মতো কাজ করে সংসার চালান। সংসারে পাঁচ সন্তান থাকায় চিকিৎসার এত বড় ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রূপালীর পায়ে আবার অস্ত্রোপচার করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন প্রায় এক লাখ টাকা বা তারও বেশি। এই অর্থ জোগাড় করতে না পারলে তার পায়ের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। এমনকি স্থায়ীভাবে হাঁটার ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।
অসুস্থ হওয়ার আগে রূপালী নিজেও কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। এখন তিনি নিজেই অন্যের ওপর নির্ভরশীল। নিয়মিত ওষুধ কেনার টাকাও অনেক সময় থাকে না। ফলে পাঁচ সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।
রূপালীর পরিবার সমাজের সামর্থ্যবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, অনেকে মিলে সামান্য করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এতে রূপালীর পায়ে অস্ত্রোপচার করানো এবং তাকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে।
পাঁচ সন্তানের এই মায়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পরিবারটি।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমারপাড় এলাকার রূপালী বেগমের বয়স ৩৫ বছর। পাঁচ সন্তানের এই মা একসময় ইটভাটায় রান্নার কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। কিন্তু প্রায় এক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার পর বদলে গেছে তার জীবন। এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না তিনি। টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে পারছেন না।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ইটভাটায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন রূপালী। এতে তার ডান পায়ের হাড় গুরুতরভাবে ভেঙে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে ধারদেনা করে তাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। সেখানে তার পায়ে অস্ত্রোপচারও করা হয়। তবে এরপরও পা ভালো হয়নি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না।
রূপালীর বাড়ি বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমারপাড় এলাকায়, ঝংকার সিনেমা হলের পশ্চিম পাশে একটি মসজিদের কাছে। তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দিনমজুরি ও অটোচালনার মতো কাজ করে সংসার চালান। সংসারে পাঁচ সন্তান থাকায় চিকিৎসার এত বড় ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রূপালীর পায়ে আবার অস্ত্রোপচার করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন প্রায় এক লাখ টাকা বা তারও বেশি। এই অর্থ জোগাড় করতে না পারলে তার পায়ের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। এমনকি স্থায়ীভাবে হাঁটার ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।
অসুস্থ হওয়ার আগে রূপালী নিজেও কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। এখন তিনি নিজেই অন্যের ওপর নির্ভরশীল। নিয়মিত ওষুধ কেনার টাকাও অনেক সময় থাকে না। ফলে পাঁচ সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।
রূপালীর পরিবার সমাজের সামর্থ্যবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, অনেকে মিলে সামান্য করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এতে রূপালীর পায়ে অস্ত্রোপচার করানো এবং তাকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে।
পাঁচ সন্তানের এই মায়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পরিবারটি।

পা বাঁচাতে রূপালীর প্রয়োজন ১ লাখ টাকা, সহযোগিতা চায় অসহায় পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমারপাড় এলাকার রূপালী বেগমের বয়স ৩৫ বছর। পাঁচ সন্তানের এই মা একসময় ইটভাটায় রান্নার কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। কিন্তু প্রায় এক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার পর বদলে গেছে তার জীবন। এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না তিনি। টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে পারছেন না।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ইটভাটায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন রূপালী। এতে তার ডান পায়ের হাড় গুরুতরভাবে ভেঙে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে ধারদেনা করে তাকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। সেখানে তার পায়ে অস্ত্রোপচারও করা হয়। তবে এরপরও পা ভালো হয়নি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না।
রূপালীর বাড়ি বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমারপাড় এলাকায়, ঝংকার সিনেমা হলের পশ্চিম পাশে একটি মসজিদের কাছে। তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দিনমজুরি ও অটোচালনার মতো কাজ করে সংসার চালান। সংসারে পাঁচ সন্তান থাকায় চিকিৎসার এত বড় ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রূপালীর পায়ে আবার অস্ত্রোপচার করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন প্রায় এক লাখ টাকা বা তারও বেশি। এই অর্থ জোগাড় করতে না পারলে তার পায়ের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। এমনকি স্থায়ীভাবে হাঁটার ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।
অসুস্থ হওয়ার আগে রূপালী নিজেও কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন। এখন তিনি নিজেই অন্যের ওপর নির্ভরশীল। নিয়মিত ওষুধ কেনার টাকাও অনেক সময় থাকে না। ফলে পাঁচ সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।
রূপালীর পরিবার সমাজের সামর্থ্যবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, অনেকে মিলে সামান্য করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এতে রূপালীর পায়ে অস্ত্রোপচার করানো এবং তাকে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে।
পাঁচ সন্তানের এই মায়ের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পরিবারটি।









