কুমার নদে ১৫ বছর পর ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

কুমার নদে ১৫ বছর পর ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর কুমার নদে ফিরলো হারিয়ে যাওয়া এ লোকজ উৎসব।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাঙ্গা উপজেলার কুমার নদের চরকান্দা পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে ভাঙ্গা খাদ্যগুদাম এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ দুই কিলোমিটার নদীপথে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৬টি বাইচের নৌকা অংশ নেয়।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন।
বাইচ প্রতিযোগিতা চলাকালে কুমার নদের দুই পাড়ে হাজার হাজার উৎসবমুখর মানুষ উপস্থিত হন। আশেপাশের ভবনের ছাদ, নদের দুই ধার এবং সেতুর ওপর মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ট্রলার ও নৌকা ভাড়া করে নদে নেমে বাইচ উপভোগ করেন। উৎসবকে ঘিরে নদের দুই তীরে মিষ্টি ও গৃহস্থালি পণ্যের নানা ধরনের ভাসমান দোকানও বসে।
অনুষ্ঠানে আয়োজনের উদ্যোক্তা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গাবাসীর প্রাণের দাবি পূরণ হয়েছে। লোকসংস্কৃতির শেকড়ের টানে নৌকা বাইচসহ জারি ও সারি গানের মতো সব ঐতিহ্য আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে।’
পরে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী বাইচের বড় নৌকাগুলোকে ফ্রিজ এবং ছোট নৌকাগুলোকে রঙিন টেলিভিশন পুরস্কার হিসেবে তুলে দেন অতিথিরা।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, নায়ক ওমর সানী, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা প্রমুখ।

আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর কুমার নদে ফিরলো হারিয়ে যাওয়া এ লোকজ উৎসব।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাঙ্গা উপজেলার কুমার নদের চরকান্দা পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে ভাঙ্গা খাদ্যগুদাম এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ দুই কিলোমিটার নদীপথে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৬টি বাইচের নৌকা অংশ নেয়।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন।
বাইচ প্রতিযোগিতা চলাকালে কুমার নদের দুই পাড়ে হাজার হাজার উৎসবমুখর মানুষ উপস্থিত হন। আশেপাশের ভবনের ছাদ, নদের দুই ধার এবং সেতুর ওপর মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ট্রলার ও নৌকা ভাড়া করে নদে নেমে বাইচ উপভোগ করেন। উৎসবকে ঘিরে নদের দুই তীরে মিষ্টি ও গৃহস্থালি পণ্যের নানা ধরনের ভাসমান দোকানও বসে।
অনুষ্ঠানে আয়োজনের উদ্যোক্তা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গাবাসীর প্রাণের দাবি পূরণ হয়েছে। লোকসংস্কৃতির শেকড়ের টানে নৌকা বাইচসহ জারি ও সারি গানের মতো সব ঐতিহ্য আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে।’
পরে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী বাইচের বড় নৌকাগুলোকে ফ্রিজ এবং ছোট নৌকাগুলোকে রঙিন টেলিভিশন পুরস্কার হিসেবে তুলে দেন অতিথিরা।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, নায়ক ওমর সানী, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা প্রমুখ।

কুমার নদে ১৫ বছর পর ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর কুমার নদে ফিরলো হারিয়ে যাওয়া এ লোকজ উৎসব।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাঙ্গা উপজেলার কুমার নদের চরকান্দা পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে ভাঙ্গা খাদ্যগুদাম এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ দুই কিলোমিটার নদীপথে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৬টি বাইচের নৌকা অংশ নেয়।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন।
বাইচ প্রতিযোগিতা চলাকালে কুমার নদের দুই পাড়ে হাজার হাজার উৎসবমুখর মানুষ উপস্থিত হন। আশেপাশের ভবনের ছাদ, নদের দুই ধার এবং সেতুর ওপর মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ট্রলার ও নৌকা ভাড়া করে নদে নেমে বাইচ উপভোগ করেন। উৎসবকে ঘিরে নদের দুই তীরে মিষ্টি ও গৃহস্থালি পণ্যের নানা ধরনের ভাসমান দোকানও বসে।
অনুষ্ঠানে আয়োজনের উদ্যোক্তা ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গাবাসীর প্রাণের দাবি পূরণ হয়েছে। লোকসংস্কৃতির শেকড়ের টানে নৌকা বাইচসহ জারি ও সারি গানের মতো সব ঐতিহ্য আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে।’
পরে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী বাইচের বড় নৌকাগুলোকে ফ্রিজ এবং ছোট নৌকাগুলোকে রঙিন টেলিভিশন পুরস্কার হিসেবে তুলে দেন অতিথিরা।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, নায়ক ওমর সানী, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা প্রমুখ।









