মায়ের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে যা বলেছিলেন নিহত সেনাসদস্য

মায়ের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে যা বলেছিলেন নিহত সেনাসদস্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে মাকে ফোন করে সেনাসদস্য তিতাস শেখ বলেছিলেন, ‘কাল বিকালে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’ কে জানত, এটাই হবে মায়ের সঙ্গে তার শেষ কথা। পরদিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ বছর বয়সি এ সেনাসদস্য।
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিতাস শেখ। তার মৃত্যুতে পুরো পরিবারে এখন শুধু কান্নার রোল। বাবা আফজাল শেখ হয়ে পড়েছেন বাকরুদ্ধ। আর সন্তানের শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা রেখা বেগম। ৪ বছর আগে বিয়ে হওয়া স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার স্বামীকে হারিয়ে দিশেহারা। বারবার বিলাপ করে তিনি বলছিলেন, ‘আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকব। আমার কোনো অস্তিত্ব রইল না। আল্লাহ, আমি এখন কী করব?’ ডিসেম্বরে স্ত্রীকে নিজের কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তিতাসের, কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য তিতাস ২০১৭ সালে সৈনিক হিসেবে বাহিনীতে যোগ দেন। টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত এ তরুণ দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। তার বাবাও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং ছোট ভাই আকরাম হোসেনও সেনাবাহিনীতে কর্মরত।
আইএসপিআর সূত্রে জানা যায়, রঙ্গীখালী এলাকার গহিন পাহাড়ে একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালিকে জিম্মি করে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত গুলি চালালে দুপক্ষের গুলিবিনময় হয়। এ সময় বাঁ কাঁধে গুলিবিদ্ধ হন তিতাস। প্রথমে তাকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই অভিযানে চক্রের ৫ সদস্যকে আটকের পাশাপাশি অস্ত্র ও জিম্মি থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। নগরকান্দার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার হেলিকপ্টারে করে তিতাসের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার শেষে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে দাফন করা হবে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে মাকে ফোন করে সেনাসদস্য তিতাস শেখ বলেছিলেন, ‘কাল বিকালে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’ কে জানত, এটাই হবে মায়ের সঙ্গে তার শেষ কথা। পরদিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ বছর বয়সি এ সেনাসদস্য।
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিতাস শেখ। তার মৃত্যুতে পুরো পরিবারে এখন শুধু কান্নার রোল। বাবা আফজাল শেখ হয়ে পড়েছেন বাকরুদ্ধ। আর সন্তানের শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা রেখা বেগম। ৪ বছর আগে বিয়ে হওয়া স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার স্বামীকে হারিয়ে দিশেহারা। বারবার বিলাপ করে তিনি বলছিলেন, ‘আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকব। আমার কোনো অস্তিত্ব রইল না। আল্লাহ, আমি এখন কী করব?’ ডিসেম্বরে স্ত্রীকে নিজের কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তিতাসের, কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য তিতাস ২০১৭ সালে সৈনিক হিসেবে বাহিনীতে যোগ দেন। টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত এ তরুণ দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। তার বাবাও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং ছোট ভাই আকরাম হোসেনও সেনাবাহিনীতে কর্মরত।
আইএসপিআর সূত্রে জানা যায়, রঙ্গীখালী এলাকার গহিন পাহাড়ে একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালিকে জিম্মি করে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত গুলি চালালে দুপক্ষের গুলিবিনময় হয়। এ সময় বাঁ কাঁধে গুলিবিদ্ধ হন তিতাস। প্রথমে তাকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই অভিযানে চক্রের ৫ সদস্যকে আটকের পাশাপাশি অস্ত্র ও জিম্মি থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। নগরকান্দার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার হেলিকপ্টারে করে তিতাসের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার শেষে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে দাফন করা হবে।

মায়ের সঙ্গে শেষ ফোনালাপে যা বলেছিলেন নিহত সেনাসদস্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে মাকে ফোন করে সেনাসদস্য তিতাস শেখ বলেছিলেন, ‘কাল বিকালে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাব, দোয়া কইরো মা।’ কে জানত, এটাই হবে মায়ের সঙ্গে তার শেষ কথা। পরদিন বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ বছর বয়সি এ সেনাসদস্য।
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিতাস শেখ। তার মৃত্যুতে পুরো পরিবারে এখন শুধু কান্নার রোল। বাবা আফজাল শেখ হয়ে পড়েছেন বাকরুদ্ধ। আর সন্তানের শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা রেখা বেগম। ৪ বছর আগে বিয়ে হওয়া স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার স্বামীকে হারিয়ে দিশেহারা। বারবার বিলাপ করে তিনি বলছিলেন, ‘আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকব। আমার কোনো অস্তিত্ব রইল না। আল্লাহ, আমি এখন কী করব?’ ডিসেম্বরে স্ত্রীকে নিজের কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তিতাসের, কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য তিতাস ২০১৭ সালে সৈনিক হিসেবে বাহিনীতে যোগ দেন। টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত এ তরুণ দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। তার বাবাও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং ছোট ভাই আকরাম হোসেনও সেনাবাহিনীতে কর্মরত।
আইএসপিআর সূত্রে জানা যায়, রঙ্গীখালী এলাকার গহিন পাহাড়ে একটি সশস্ত্র মানবপাচারকারী দল প্রায় ১২০ জন রোহিঙ্গা ও বাঙালিকে জিম্মি করে রেখেছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত গুলি চালালে দুপক্ষের গুলিবিনময় হয়। এ সময় বাঁ কাঁধে গুলিবিদ্ধ হন তিতাস। প্রথমে তাকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামুর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই অভিযানে চক্রের ৫ সদস্যকে আটকের পাশাপাশি অস্ত্র ও জিম্মি থাকা ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। নগরকান্দার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন জানান, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার হেলিকপ্টারে করে তিতাসের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার শেষে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে দাফন করা হবে।

আসামি ধরতে গিয়ে এসআইয়ের হারানো পিস্তল যেভাবে উদ্ধার হলো







