হাঁস চুরি করে পুরস্কার পেলো ৩ শিশু

হাঁস চুরি করে পুরস্কার পেলো ৩ শিশু
কক্সবাজার প্রতিনিধি

ফুটবল কেনার টাকা জোগাড় করতে প্রতিবেশীর হাঁস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল ৩ শিশু। তবে ঘটনাটিকে অপরাধ হিসেবে না দেখে মানবিক দৃষ্টিতে দেখেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান। শিশুদের সতর্ক করার পাশাপাশি তাদের খেলাধুলার আগ্রহকে উৎসাহিত করতে হাতে তুলে দিয়েছেন নতুন একটি ফুটবল।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুতুবদিয়ার অফিসার্স ক্লাবে ডেকে এনে তিন শিশুর হাতে ফুটবল তুলে দেন ইউএনও। এ সময় তাদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধে না জড়িয়ে খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্যও উৎসাহিত করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের তেলিয়াকাটা গ্রামের বিদ্যালয় বিমুখ তিন শিশু শাহানেক, মিনহাজ ও মুজাহিদ দীর্ঘদিন ধরে একটি ফুটবল কেনার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় সেই টাকা জোগাড় করতে পারছিল না তারা। একপর্যায়ে মঙ্গলবার দুপুরে পরামর্শ করে প্রতিবেশীর দুটি হাঁস চুরি করে। পরে সেগুলো ধুরুং বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিষয়টি ধরা পড়ে।
চুরির বিষয়টি ধরা পড়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে শিশুরা জানায়, ফুটবল কেনার টাকা জোগাড় করতেই তারা হাঁস দুটি চুরি করেছিল। পরে ঘটনাটি কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব আবুল কাশেমের মাধ্যমে ইউএনও মো. মিজানুর রহমানের নজরে আসে। বিষয়টি জানার পর তিনি শিশুদের শাস্তির বদলে তাদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেন।
ইউএনও মো. মিজানুর রহমান বলেন, শিশুদের ভুলের জন্য শাস্তি না দিয়ে তাদের ভালো পথে ফেরার বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা যেন কোনো অপরাধে না জড়িয়ে খেলাধুলার সঙ্গে থাকে, সেই জন্য উৎসাহিত করতে ফুটবলটি উপহার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের দ্রুত বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ফুটবল কেনার টাকা জোগাড় করতে প্রতিবেশীর হাঁস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল ৩ শিশু। তবে ঘটনাটিকে অপরাধ হিসেবে না দেখে মানবিক দৃষ্টিতে দেখেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান। শিশুদের সতর্ক করার পাশাপাশি তাদের খেলাধুলার আগ্রহকে উৎসাহিত করতে হাতে তুলে দিয়েছেন নতুন একটি ফুটবল।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুতুবদিয়ার অফিসার্স ক্লাবে ডেকে এনে তিন শিশুর হাতে ফুটবল তুলে দেন ইউএনও। এ সময় তাদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধে না জড়িয়ে খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্যও উৎসাহিত করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের তেলিয়াকাটা গ্রামের বিদ্যালয় বিমুখ তিন শিশু শাহানেক, মিনহাজ ও মুজাহিদ দীর্ঘদিন ধরে একটি ফুটবল কেনার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় সেই টাকা জোগাড় করতে পারছিল না তারা। একপর্যায়ে মঙ্গলবার দুপুরে পরামর্শ করে প্রতিবেশীর দুটি হাঁস চুরি করে। পরে সেগুলো ধুরুং বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিষয়টি ধরা পড়ে।
চুরির বিষয়টি ধরা পড়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে শিশুরা জানায়, ফুটবল কেনার টাকা জোগাড় করতেই তারা হাঁস দুটি চুরি করেছিল। পরে ঘটনাটি কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব আবুল কাশেমের মাধ্যমে ইউএনও মো. মিজানুর রহমানের নজরে আসে। বিষয়টি জানার পর তিনি শিশুদের শাস্তির বদলে তাদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেন।
ইউএনও মো. মিজানুর রহমান বলেন, শিশুদের ভুলের জন্য শাস্তি না দিয়ে তাদের ভালো পথে ফেরার বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা যেন কোনো অপরাধে না জড়িয়ে খেলাধুলার সঙ্গে থাকে, সেই জন্য উৎসাহিত করতে ফুটবলটি উপহার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের দ্রুত বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

হাঁস চুরি করে পুরস্কার পেলো ৩ শিশু
কক্সবাজার প্রতিনিধি

ফুটবল কেনার টাকা জোগাড় করতে প্রতিবেশীর হাঁস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল ৩ শিশু। তবে ঘটনাটিকে অপরাধ হিসেবে না দেখে মানবিক দৃষ্টিতে দেখেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান। শিশুদের সতর্ক করার পাশাপাশি তাদের খেলাধুলার আগ্রহকে উৎসাহিত করতে হাতে তুলে দিয়েছেন নতুন একটি ফুটবল।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুতুবদিয়ার অফিসার্স ক্লাবে ডেকে এনে তিন শিশুর হাতে ফুটবল তুলে দেন ইউএনও। এ সময় তাদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধে না জড়িয়ে খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্যও উৎসাহিত করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের তেলিয়াকাটা গ্রামের বিদ্যালয় বিমুখ তিন শিশু শাহানেক, মিনহাজ ও মুজাহিদ দীর্ঘদিন ধরে একটি ফুটবল কেনার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় সেই টাকা জোগাড় করতে পারছিল না তারা। একপর্যায়ে মঙ্গলবার দুপুরে পরামর্শ করে প্রতিবেশীর দুটি হাঁস চুরি করে। পরে সেগুলো ধুরুং বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিষয়টি ধরা পড়ে।
চুরির বিষয়টি ধরা পড়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে শিশুরা জানায়, ফুটবল কেনার টাকা জোগাড় করতেই তারা হাঁস দুটি চুরি করেছিল। পরে ঘটনাটি কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব আবুল কাশেমের মাধ্যমে ইউএনও মো. মিজানুর রহমানের নজরে আসে। বিষয়টি জানার পর তিনি শিশুদের শাস্তির বদলে তাদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেন।
ইউএনও মো. মিজানুর রহমান বলেন, শিশুদের ভুলের জন্য শাস্তি না দিয়ে তাদের ভালো পথে ফেরার বার্তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা যেন কোনো অপরাধে না জড়িয়ে খেলাধুলার সঙ্গে থাকে, সেই জন্য উৎসাহিত করতে ফুটবলটি উপহার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের দ্রুত বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।









