হাটে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি

হাটে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এবার চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারি ও গরু ব্যবসায়ী।
কিশোরগঞ্জের শোয়ালাকিয়ার ইচ্ছাগঞ্জ হাটে দেখা গেছে, হাটে আসা ক্রেতাদের বড় অংশের নজর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর দিকে। মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সাধারণত ৮০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে পশু খুঁজছেন। অনেকেই হাটের শুরুতে দাম যাচাই করে শেষ মুহূর্তে কেনার পরিকল্পনা করছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গরুর দাম যা-ই হোক, এই হাটে খাজনা আদায়ের হার অতিরিক্ত। খাজনা আদায় তালিকায় দেখা যায়, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের গরুর খাজনা দিতে হয় ৬০০ টাকা, এর মধ্যে ক্রেতার ৩০০শ, বিক্রেতার ৩০০শ টাকা; লাখ টাকায় গরু বিক্রি হলে ক্রেতার ৫০০শ টাকা, বিক্রেতার ৫০০শ টাকা; লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হলে ক্রেতার ৭00শ টাকা, বিক্রেতার ৭০০ টাকা দিতে হয়। বেশি খাজনা আদায়ের কারণে দিনে জৌলুস হারাচ্ছে এ গরুর হাট।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এ বছর জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৪০৬টি গবাদিপশু। এর বিপরীতে জেলায় মোট পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৮৫টি।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান জানান, কিশোরগঞ্জে প্রতি বছরই কোরবানির চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়। এ বছর বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে প্রায় হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের তদারকির কারণে এখন মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ করছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক বা স্টেরয়েড ব্যবহারের বিরুদ্ধে জেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, খামারিরা জানান, বাজারে ভুসি, খৈল ও কুঁড়াসহ সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনের খরচ আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে পশুর ন্যায্য মূল্য না পেলে অনেক প্রান্তিক খামারির বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গরু কিনতে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, বাজার ঘুরে দেখছেন তিনি। পছন্দের সঙ্গে দামে মিলছে না। সময় আছে দেখেশুনে পরেও কেনা যাবে।
মেহেদী হাসান সাজ্জাদ বলেন, হাটে প্রচুর গরু উঠলেও দাম একটু বেশিই। একটু ভালো মানের গরু হলেই এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত দাম উঠছে। এ জন্য বেচাকেনা কম মনে হচ্ছে।
গুজাদিয়া গ্রামের নাজমুল বলেন, এলাকার বিভিন্ন খামারে ফ্রিজিয়ান, সিন্ধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। এখন দাম একটু বেশি হলেও শেষ দিকে দাম কমতে পারে।
ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনও নিয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হাটের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন, যেন আর্থিক লেনদেনে কেউ প্রতারণার শিকার না হন।
কিশোরগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল কালাম আজাদ ভূইয়া বলেন, পশুর হাটে আসা পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটর করা হচ্ছে। জাল নোটের ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক আছে।

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এবার চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারি ও গরু ব্যবসায়ী।
কিশোরগঞ্জের শোয়ালাকিয়ার ইচ্ছাগঞ্জ হাটে দেখা গেছে, হাটে আসা ক্রেতাদের বড় অংশের নজর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর দিকে। মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সাধারণত ৮০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে পশু খুঁজছেন। অনেকেই হাটের শুরুতে দাম যাচাই করে শেষ মুহূর্তে কেনার পরিকল্পনা করছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গরুর দাম যা-ই হোক, এই হাটে খাজনা আদায়ের হার অতিরিক্ত। খাজনা আদায় তালিকায় দেখা যায়, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের গরুর খাজনা দিতে হয় ৬০০ টাকা, এর মধ্যে ক্রেতার ৩০০শ, বিক্রেতার ৩০০শ টাকা; লাখ টাকায় গরু বিক্রি হলে ক্রেতার ৫০০শ টাকা, বিক্রেতার ৫০০শ টাকা; লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হলে ক্রেতার ৭00শ টাকা, বিক্রেতার ৭০০ টাকা দিতে হয়। বেশি খাজনা আদায়ের কারণে দিনে জৌলুস হারাচ্ছে এ গরুর হাট।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এ বছর জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৪০৬টি গবাদিপশু। এর বিপরীতে জেলায় মোট পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৮৫টি।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান জানান, কিশোরগঞ্জে প্রতি বছরই কোরবানির চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়। এ বছর বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে প্রায় হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের তদারকির কারণে এখন মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ করছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক বা স্টেরয়েড ব্যবহারের বিরুদ্ধে জেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, খামারিরা জানান, বাজারে ভুসি, খৈল ও কুঁড়াসহ সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনের খরচ আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে পশুর ন্যায্য মূল্য না পেলে অনেক প্রান্তিক খামারির বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গরু কিনতে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, বাজার ঘুরে দেখছেন তিনি। পছন্দের সঙ্গে দামে মিলছে না। সময় আছে দেখেশুনে পরেও কেনা যাবে।
মেহেদী হাসান সাজ্জাদ বলেন, হাটে প্রচুর গরু উঠলেও দাম একটু বেশিই। একটু ভালো মানের গরু হলেই এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত দাম উঠছে। এ জন্য বেচাকেনা কম মনে হচ্ছে।
গুজাদিয়া গ্রামের নাজমুল বলেন, এলাকার বিভিন্ন খামারে ফ্রিজিয়ান, সিন্ধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। এখন দাম একটু বেশি হলেও শেষ দিকে দাম কমতে পারে।
ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনও নিয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হাটের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন, যেন আর্থিক লেনদেনে কেউ প্রতারণার শিকার না হন।
কিশোরগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল কালাম আজাদ ভূইয়া বলেন, পশুর হাটে আসা পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটর করা হচ্ছে। জাল নোটের ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক আছে।

হাটে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এবার চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারি ও গরু ব্যবসায়ী।
কিশোরগঞ্জের শোয়ালাকিয়ার ইচ্ছাগঞ্জ হাটে দেখা গেছে, হাটে আসা ক্রেতাদের বড় অংশের নজর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর দিকে। মধ্যবিত্ত ক্রেতারা সাধারণত ৮০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে পশু খুঁজছেন। অনেকেই হাটের শুরুতে দাম যাচাই করে শেষ মুহূর্তে কেনার পরিকল্পনা করছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গরুর দাম যা-ই হোক, এই হাটে খাজনা আদায়ের হার অতিরিক্ত। খাজনা আদায় তালিকায় দেখা যায়, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের গরুর খাজনা দিতে হয় ৬০০ টাকা, এর মধ্যে ক্রেতার ৩০০শ, বিক্রেতার ৩০০শ টাকা; লাখ টাকায় গরু বিক্রি হলে ক্রেতার ৫০০শ টাকা, বিক্রেতার ৫০০শ টাকা; লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হলে ক্রেতার ৭00শ টাকা, বিক্রেতার ৭০০ টাকা দিতে হয়। বেশি খাজনা আদায়ের কারণে দিনে জৌলুস হারাচ্ছে এ গরুর হাট।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এ বছর জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার ৪০৬টি গবাদিপশু। এর বিপরীতে জেলায় মোট পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৮৫টি।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান জানান, কিশোরগঞ্জে প্রতি বছরই কোরবানির চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়। এ বছর বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে প্রায় হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের তদারকির কারণে এখন মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ করছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক বা স্টেরয়েড ব্যবহারের বিরুদ্ধে জেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এদিকে, খামারিরা জানান, বাজারে ভুসি, খৈল ও কুঁড়াসহ সব ধরনের গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু পালনের খরচ আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে পশুর ন্যায্য মূল্য না পেলে অনেক প্রান্তিক খামারির বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গরু কিনতে আসা বোরহান উদ্দিন বলেন, বাজার ঘুরে দেখছেন তিনি। পছন্দের সঙ্গে দামে মিলছে না। সময় আছে দেখেশুনে পরেও কেনা যাবে।
মেহেদী হাসান সাজ্জাদ বলেন, হাটে প্রচুর গরু উঠলেও দাম একটু বেশিই। একটু ভালো মানের গরু হলেই এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত দাম উঠছে। এ জন্য বেচাকেনা কম মনে হচ্ছে।
গুজাদিয়া গ্রামের নাজমুল বলেন, এলাকার বিভিন্ন খামারে ফ্রিজিয়ান, সিন্ধিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। এখন দাম একটু বেশি হলেও শেষ দিকে দাম কমতে পারে।
ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনও নিয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হাটের বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন, যেন আর্থিক লেনদেনে কেউ প্রতারণার শিকার না হন।
কিশোরগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল কালাম আজাদ ভূইয়া বলেন, পশুর হাটে আসা পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সার্বক্ষণিক মনিটর করা হচ্ছে। জাল নোটের ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক আছে।




