ব্যয় কমিয়ে দাবি নিষ্পত্তিতে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি গার্ডিয়ানের

ব্যয় কমিয়ে দাবি নিষ্পত্তিতে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি গার্ডিয়ানের
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি বিমা দাবি নিষ্পত্তিতেও প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এর সুফল হিসেবে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন আরও উন্নত ও সময়োপযোগী সেবা। সম্প্রতি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
আইডিআরএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমার তুলনায় দেশের সব বিমা কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ সাশ্রয় করেছে গার্ডিয়ান।
আইডিআরএর নিয়ম অনুযায়ী, এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ৬৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানি ব্যবস্থাপনায় প্রকৃত খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি ১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ অনুমোদিত সীমার চেয়ে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম ব্যয় করেছে গার্ডিয়ান।
গার্ডিয়ান বরাবরই ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দেখিয়েছে। ২০২৫ সালেও প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ২২৬ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। সে সময় ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছিল ১৯২ দশমিক ৩১ কোটি টাকা এবং অনুমোদিত ব্যয়সীমার বিপরীতে সাশ্রয় হয়েছিল ৩৪ দশমিক ০৫ কোটি টাকা।
একই সময়ে পলিসিধারীদের প্রতি অঙ্গীকার বাস্তবায়নেও ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬,৪৭৮ টি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা টাকার মূল্যে দাঁড়ায় ১৫০ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১২৯ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত বীমা দাবির সংখ্যা ছিলো ৪৬,১৩৪ টি। ফলে দাবি নিষ্পত্তির পরিমাণ এক বছরে বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সময়মতো দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকসেবার প্রতি ধারাবাহিক গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ আর্থিক পরিসংখ্যানে। আইডিআরএ-এর নির্ধারিত ব্যয়সীমার অনেক নিচে ব্যবস্থাপনা ব্যয় বজায় রেখে গার্ডিয়ান একদিকে বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, অন্যদিকে দাবি নিষ্পত্তিতে প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে পলিসিধারীদের আরও সময়োপযোগী সহায়তা এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে।
এ বিষয়ে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম বলেন, ‘আর্থিক শৃঙ্খলা ধরে রাখার প্রকৃত তাৎপর্য তখনই তৈরি হয়, যখন পলিসিধারীরা তার সুফল পান। আমরা দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় গ্রাহকেরা যেন দ্রুত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের আর্থিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে এবং একই সঙ্গে ধারাবাহিকতা ও যত্নের সঙ্গে গ্রাহকদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পূরনে সহায়তা করছে।’
এদিকে, ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি গ্রাহকসংখ্যাও বাড়িয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ। ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বীমা সুরক্ষার আওতায় থাকা ব্যক্তিগত পলিসিধারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ। ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখে।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি বিমা দাবি নিষ্পত্তিতেও প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এর সুফল হিসেবে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন আরও উন্নত ও সময়োপযোগী সেবা। সম্প্রতি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
আইডিআরএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমার তুলনায় দেশের সব বিমা কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ সাশ্রয় করেছে গার্ডিয়ান।
আইডিআরএর নিয়ম অনুযায়ী, এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ৬৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানি ব্যবস্থাপনায় প্রকৃত খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি ১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ অনুমোদিত সীমার চেয়ে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম ব্যয় করেছে গার্ডিয়ান।
গার্ডিয়ান বরাবরই ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দেখিয়েছে। ২০২৫ সালেও প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ২২৬ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। সে সময় ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছিল ১৯২ দশমিক ৩১ কোটি টাকা এবং অনুমোদিত ব্যয়সীমার বিপরীতে সাশ্রয় হয়েছিল ৩৪ দশমিক ০৫ কোটি টাকা।
একই সময়ে পলিসিধারীদের প্রতি অঙ্গীকার বাস্তবায়নেও ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬,৪৭৮ টি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা টাকার মূল্যে দাঁড়ায় ১৫০ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১২৯ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত বীমা দাবির সংখ্যা ছিলো ৪৬,১৩৪ টি। ফলে দাবি নিষ্পত্তির পরিমাণ এক বছরে বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সময়মতো দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকসেবার প্রতি ধারাবাহিক গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ আর্থিক পরিসংখ্যানে। আইডিআরএ-এর নির্ধারিত ব্যয়সীমার অনেক নিচে ব্যবস্থাপনা ব্যয় বজায় রেখে গার্ডিয়ান একদিকে বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, অন্যদিকে দাবি নিষ্পত্তিতে প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে পলিসিধারীদের আরও সময়োপযোগী সহায়তা এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে।
এ বিষয়ে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম বলেন, ‘আর্থিক শৃঙ্খলা ধরে রাখার প্রকৃত তাৎপর্য তখনই তৈরি হয়, যখন পলিসিধারীরা তার সুফল পান। আমরা দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় গ্রাহকেরা যেন দ্রুত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের আর্থিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে এবং একই সঙ্গে ধারাবাহিকতা ও যত্নের সঙ্গে গ্রাহকদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পূরনে সহায়তা করছে।’
এদিকে, ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি গ্রাহকসংখ্যাও বাড়িয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ। ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বীমা সুরক্ষার আওতায় থাকা ব্যক্তিগত পলিসিধারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ। ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখে।

ব্যয় কমিয়ে দাবি নিষ্পত্তিতে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি গার্ডিয়ানের
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি বিমা দাবি নিষ্পত্তিতেও প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এর সুফল হিসেবে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন আরও উন্নত ও সময়োপযোগী সেবা। সম্প্রতি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
আইডিআরএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমার তুলনায় দেশের সব বিমা কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ সাশ্রয় করেছে গার্ডিয়ান।
আইডিআরএর নিয়ম অনুযায়ী, এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ৬৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানি ব্যবস্থাপনায় প্রকৃত খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি ১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ অনুমোদিত সীমার চেয়ে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম ব্যয় করেছে গার্ডিয়ান।
গার্ডিয়ান বরাবরই ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দেখিয়েছে। ২০২৫ সালেও প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ২২৬ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। সে সময় ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছিল ১৯২ দশমিক ৩১ কোটি টাকা এবং অনুমোদিত ব্যয়সীমার বিপরীতে সাশ্রয় হয়েছিল ৩৪ দশমিক ০৫ কোটি টাকা।
একই সময়ে পলিসিধারীদের প্রতি অঙ্গীকার বাস্তবায়নেও ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬,৪৭৮ টি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা টাকার মূল্যে দাঁড়ায় ১৫০ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১২৯ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত বীমা দাবির সংখ্যা ছিলো ৪৬,১৩৪ টি। ফলে দাবি নিষ্পত্তির পরিমাণ এক বছরে বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সময়মতো দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকসেবার প্রতি ধারাবাহিক গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ আর্থিক পরিসংখ্যানে। আইডিআরএ-এর নির্ধারিত ব্যয়সীমার অনেক নিচে ব্যবস্থাপনা ব্যয় বজায় রেখে গার্ডিয়ান একদিকে বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, অন্যদিকে দাবি নিষ্পত্তিতে প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে পলিসিধারীদের আরও সময়োপযোগী সহায়তা এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে।
এ বিষয়ে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম বলেন, ‘আর্থিক শৃঙ্খলা ধরে রাখার প্রকৃত তাৎপর্য তখনই তৈরি হয়, যখন পলিসিধারীরা তার সুফল পান। আমরা দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় গ্রাহকেরা যেন দ্রুত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের আর্থিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে এবং একই সঙ্গে ধারাবাহিকতা ও যত্নের সঙ্গে গ্রাহকদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পূরনে সহায়তা করছে।’
এদিকে, ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি গ্রাহকসংখ্যাও বাড়িয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ। ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বীমা সুরক্ষার আওতায় থাকা ব্যক্তিগত পলিসিধারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ। ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখে।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো






