ঈদযাত্রা: বাস টার্মিনালগুলোতে চাপ বাড়ছে

ঈদযাত্রা: বাস টার্মিনালগুলোতে চাপ বাড়ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষের চাপ।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি বাস কাউন্টারের সামনে যাত্রীদের উপস্থিতি রয়েছে। কেউ কাউন্টারের ভেতরে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ কেউ বাইরে বসে অপেক্ষা করছেন। অন্যদিকে কাউন্টারগুলোতে যাত্রী চাপ থাকলেও কেউ টিকিটের জন্য আসেননি। সবাই নিজেদের নির্ধারিত সময়ের বাসে যাত্রার জন্য এসেছেন।
কল্যানপুরের শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার কিশোর বলেন, বর্তমানে যাত্রীদের চাপ আছে। তবে পুরোপুরি চাপ এখনো শুরু হয়নি। আগামীকাল রবিবার অফিস শেষে আরও বাড়বে।
হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার বলেন, গত দুই দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর উপস্থিতি একটু বেশি। আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে। গরুর হাটের কারণে শেষের দুই-একদিন যানজট হতে পারে।
স্ত্রী ও সন্তানদের গ্রামে পাঠানোর জন্য মহাখালী বাস টার্মিনালে এসেছেন আব্দুল কাদের।
তিনি বলেন, আমি আফিস শেষে সোমবার বাড়ি যাব। ছুটি শুরু হলে রাস্তায় যে যানজট হবে, তা আমি সহ্য করতে পারলেও আমার বাচ্চা সহ্য করতে পারবে না। এজন্য তাদের আগে থেকেই পাঠিয়ে দিচ্ছি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিক মেশকাত বলেন, কাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। যানজট এড়াতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে আগেই চলে যাচ্ছি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ সামনে রেখে যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় টার্মিনালগুলোতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
তারা বলেন, এখন পর্যন্ত যাত্রীদের থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কোনো অভিযোগ পাই নি। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য টার্মিনালে পুলিশ কন্ট্রোল রুম আছে। যদি কোনো কাউন্টার বেশি ভাড়া নিয়ে থাকে, তাহলে সেখানে অভিযোগ দেওয়া যাবে।

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষের চাপ।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি বাস কাউন্টারের সামনে যাত্রীদের উপস্থিতি রয়েছে। কেউ কাউন্টারের ভেতরে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ কেউ বাইরে বসে অপেক্ষা করছেন। অন্যদিকে কাউন্টারগুলোতে যাত্রী চাপ থাকলেও কেউ টিকিটের জন্য আসেননি। সবাই নিজেদের নির্ধারিত সময়ের বাসে যাত্রার জন্য এসেছেন।
কল্যানপুরের শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার কিশোর বলেন, বর্তমানে যাত্রীদের চাপ আছে। তবে পুরোপুরি চাপ এখনো শুরু হয়নি। আগামীকাল রবিবার অফিস শেষে আরও বাড়বে।
হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার বলেন, গত দুই দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর উপস্থিতি একটু বেশি। আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে। গরুর হাটের কারণে শেষের দুই-একদিন যানজট হতে পারে।
স্ত্রী ও সন্তানদের গ্রামে পাঠানোর জন্য মহাখালী বাস টার্মিনালে এসেছেন আব্দুল কাদের।
তিনি বলেন, আমি আফিস শেষে সোমবার বাড়ি যাব। ছুটি শুরু হলে রাস্তায় যে যানজট হবে, তা আমি সহ্য করতে পারলেও আমার বাচ্চা সহ্য করতে পারবে না। এজন্য তাদের আগে থেকেই পাঠিয়ে দিচ্ছি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিক মেশকাত বলেন, কাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। যানজট এড়াতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে আগেই চলে যাচ্ছি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ সামনে রেখে যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় টার্মিনালগুলোতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
তারা বলেন, এখন পর্যন্ত যাত্রীদের থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কোনো অভিযোগ পাই নি। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য টার্মিনালে পুলিশ কন্ট্রোল রুম আছে। যদি কোনো কাউন্টার বেশি ভাড়া নিয়ে থাকে, তাহলে সেখানে অভিযোগ দেওয়া যাবে।

ঈদযাত্রা: বাস টার্মিনালগুলোতে চাপ বাড়ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষের চাপ।
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি বাস কাউন্টারের সামনে যাত্রীদের উপস্থিতি রয়েছে। কেউ কাউন্টারের ভেতরে বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ কেউ বাইরে বসে অপেক্ষা করছেন। অন্যদিকে কাউন্টারগুলোতে যাত্রী চাপ থাকলেও কেউ টিকিটের জন্য আসেননি। সবাই নিজেদের নির্ধারিত সময়ের বাসে যাত্রার জন্য এসেছেন।
কল্যানপুরের শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার কিশোর বলেন, বর্তমানে যাত্রীদের চাপ আছে। তবে পুরোপুরি চাপ এখনো শুরু হয়নি। আগামীকাল রবিবার অফিস শেষে আরও বাড়বে।
হানিফ পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার বলেন, গত দুই দিনের তুলনায় আজ যাত্রীর উপস্থিতি একটু বেশি। আগামীকাল থেকে আরও বাড়বে। গরুর হাটের কারণে শেষের দুই-একদিন যানজট হতে পারে।
স্ত্রী ও সন্তানদের গ্রামে পাঠানোর জন্য মহাখালী বাস টার্মিনালে এসেছেন আব্দুল কাদের।
তিনি বলেন, আমি আফিস শেষে সোমবার বাড়ি যাব। ছুটি শুরু হলে রাস্তায় যে যানজট হবে, তা আমি সহ্য করতে পারলেও আমার বাচ্চা সহ্য করতে পারবে না। এজন্য তাদের আগে থেকেই পাঠিয়ে দিচ্ছি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিক মেশকাত বলেন, কাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। যানজট এড়াতে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে আগেই চলে যাচ্ছি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ সামনে রেখে যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় টার্মিনালগুলোতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে ঘরমুখো মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
তারা বলেন, এখন পর্যন্ত যাত্রীদের থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কোনো অভিযোগ পাই নি। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য টার্মিনালে পুলিশ কন্ট্রোল রুম আছে। যদি কোনো কাউন্টার বেশি ভাড়া নিয়ে থাকে, তাহলে সেখানে অভিযোগ দেওয়া যাবে।

ঈদে লঞ্চে বাড়ি যেতে সঙ্গে রাখতে হবে এনআইডি


