ঢাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন, কারণ কী

ঢাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন, কারণ কী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এতে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকরা। তবে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ সংকটের কারণে তারা থেমে থেমে গ্যাস দিচ্ছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গভবনের বিপরীত পাশে জয়কালী মন্দির এলাকার এইচ এস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এলপিজি অ্যান্ড সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি। গ্যাসের জন্য অনেক চালক এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে আছেন।
গাড়িচালক একরাম বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর গ্যাস পেয়েছি। সংকট যদি এখনই এমন হয়, তাহলে সামনে আরও বড় ভোগান্তি হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দাবি জানাই।
আরেক চালক তানজিম বলেন, সকালে আগারগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাত্র ৭০ টাকার গ্যাস নিতে পেরেছি। মতিঝিলে আসতেই গ্যাস শেষ হয়ে যায়। এরপর জয়কালী মন্দিরের এই স্টেশনে এসে আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছি। শুনেছি সন্ধ্যা ৬টার পর আর গ্যাস দেওয়া হয় না।
সিএনজি অটোরিকশার একজন চালক জানান, দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি গ্যাস পেয়েছেন।
ফিলিং স্টেশনের কর্মী রাজ্জাক জানান, সকাল থেকেই তারা সীমিত সরবরাহের কারণে থেমে থেমে গ্যাস দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার পর গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল ৫টার মধ্যেই স্টেশনের মূল ফটক বন্ধ করে দিতে হয়েছে, যেন অতিরিক্ত যানবাহন ভেতরে প্রবেশ না করে।
এদিকে, স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালককে ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত গ্যাস না পেয়েই প্রায় ২০ থেকে ২৫টি সিএনজিচালিত গাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়।

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এতে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকরা। তবে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ সংকটের কারণে তারা থেমে থেমে গ্যাস দিচ্ছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গভবনের বিপরীত পাশে জয়কালী মন্দির এলাকার এইচ এস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এলপিজি অ্যান্ড সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি। গ্যাসের জন্য অনেক চালক এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে আছেন।
গাড়িচালক একরাম বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর গ্যাস পেয়েছি। সংকট যদি এখনই এমন হয়, তাহলে সামনে আরও বড় ভোগান্তি হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দাবি জানাই।
আরেক চালক তানজিম বলেন, সকালে আগারগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাত্র ৭০ টাকার গ্যাস নিতে পেরেছি। মতিঝিলে আসতেই গ্যাস শেষ হয়ে যায়। এরপর জয়কালী মন্দিরের এই স্টেশনে এসে আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছি। শুনেছি সন্ধ্যা ৬টার পর আর গ্যাস দেওয়া হয় না।
সিএনজি অটোরিকশার একজন চালক জানান, দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি গ্যাস পেয়েছেন।
ফিলিং স্টেশনের কর্মী রাজ্জাক জানান, সকাল থেকেই তারা সীমিত সরবরাহের কারণে থেমে থেমে গ্যাস দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার পর গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল ৫টার মধ্যেই স্টেশনের মূল ফটক বন্ধ করে দিতে হয়েছে, যেন অতিরিক্ত যানবাহন ভেতরে প্রবেশ না করে।
এদিকে, স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালককে ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত গ্যাস না পেয়েই প্রায় ২০ থেকে ২৫টি সিএনজিচালিত গাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়।

ঢাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন, কারণ কী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাব রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বিভিন্ন স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এতে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকরা। তবে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ সংকটের কারণে তারা থেমে থেমে গ্যাস দিচ্ছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গভবনের বিপরীত পাশে জয়কালী মন্দির এলাকার এইচ এস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এলপিজি অ্যান্ড সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি। গ্যাসের জন্য অনেক চালক এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে আছেন।
গাড়িচালক একরাম বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর গ্যাস পেয়েছি। সংকট যদি এখনই এমন হয়, তাহলে সামনে আরও বড় ভোগান্তি হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দাবি জানাই।
আরেক চালক তানজিম বলেন, সকালে আগারগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে মাত্র ৭০ টাকার গ্যাস নিতে পেরেছি। মতিঝিলে আসতেই গ্যাস শেষ হয়ে যায়। এরপর জয়কালী মন্দিরের এই স্টেশনে এসে আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছি। শুনেছি সন্ধ্যা ৬টার পর আর গ্যাস দেওয়া হয় না।
সিএনজি অটোরিকশার একজন চালক জানান, দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি গ্যাস পেয়েছেন।
ফিলিং স্টেশনের কর্মী রাজ্জাক জানান, সকাল থেকেই তারা সীমিত সরবরাহের কারণে থেমে থেমে গ্যাস দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার পর গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল ৫টার মধ্যেই স্টেশনের মূল ফটক বন্ধ করে দিতে হয়েছে, যেন অতিরিক্ত যানবাহন ভেতরে প্রবেশ না করে।
এদিকে, স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালককে ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত গ্যাস না পেয়েই প্রায় ২০ থেকে ২৫টি সিএনজিচালিত গাড়ি ফিরে যেতে দেখা যায়।

৫ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর পাম্প থেকে জানালো, তেল শেষ







