শিরোনাম

তিতুমীরে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশক্তির ৬ দাবিতে স্মারকলিপি

তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা
তিতুমীরে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশক্তির ৬ দাবিতে স্মারকলিপি
কলেজ প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, তিতুমীর কলেজ শাখা

সরকারি তিতুমীর কলেজে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার দাবিতে কলেজ প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, তিতুমীর কলেজ শাখা।

সংগঠনটির তিতুমীর কলেজ শাখার আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ও সদস্য সচিব আল নোমান নিরব স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি। আজ রবিবার (৯ আগস্ট) কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নীরব হাসান সুজনসহ কলেজ ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ‘শহীদ বরকত মিলনায়তনে’ কলেজ প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হলে তাদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং হামলা থামাতে এগিয়ে আসা কয়েকজন শিক্ষক আহত ও লাঞ্ছিত হন বলে দাবি সংগঠনটির।

সংগঠনটির অভিযোগ, এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শিক্ষার্থী, সাংবাদিক কিংবা শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

স্মারকলিপিতে জাতীয় ছাত্রশক্তি ছয়টি দাবি জানায়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিচার নিশ্চিত করা, হামলায় জড়িত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করা, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা এবং ক্লাস চলাকালীন রাজনৈতিক শোডাউন ও স্লোগান বন্ধ করা।

এ ছাড়া ক্যাম্পাসে হামলা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচল ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, নিরাপদ ক্যাম্পাস কোনো দাবি নয়, এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা বা অবহেলা ক্যাম্পাসে সহিংসতার সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

/এমআর/