নবীনদের সাড়া কম, তিতুমীর কলেজে সংগঠনগুলোর সদস্য সংগ্রহে ভাটা

নবীনদের সাড়া কম, তিতুমীর কলেজে সংগঠনগুলোর সদস্য সংগ্রহে ভাটা
তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি

নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে এবং বিভিন্ন ছাত্র, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে নবীনদের যুক্ত করতে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে স্থাপন করা হয়েছে এসব সংগঠনের বুথ। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার এসব বুথে নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। ফলে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমেও পড়েছে ভাটা।
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সংগঠনের বুথে প্রায় ৪০০ জন নবীন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে ৯০ জনের বেশি, বিএনসিসিতে ৭৫ জন, তিতুমীর কলেজ আইটি সোসাইটিতে ৬০ জন, শুদ্ধস্বর কবিতা মঞ্চে ৪৬ জন, বাঁধনে ৪২ জন, তিতুমীর কলেজ রিসার্চ ক্লাবে ৩০ জন, ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস তিতুমীরে ২৫ জন, তিতুমীর কলেজ সাইকোলজি সোসাইটিতে ২০ জনের বেশি নবীন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। এছাড়া, তিতুমীর ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ক্লাবে ৮–১০ জন এবং তিতুমীর কলেজ ফটোগ্রাফি ক্লাবে ৪ জন সদস্য হয়েছেন।

তবে সংগঠনগুলোর বুথ ঘুরে দেখা যায়, আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম। ফলে বুথগুলোতেও আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে না।
সংগঠন সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের পর তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবার নবীন শিক্ষার্থী সংগ্রহেও এর প্রভাব পড়েছে। আগের তুলনায় নবীন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় সংগঠনগুলোর সদস্য সংগ্রহের পরিসরও সংকুচিত হয়েছে।
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’-এর সরকারি তিতুমীর কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক কাজীউল ফুযযাত আবরার বলেন, গত বছর আমাদের সঙ্গে ১০৫ নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছিল। তবে এবার যুক্ত হয়েছেন মাত্র ৪২ জন।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছর শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম হওয়ায় পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমেও প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

তিতুমীর কলেজ আইটি সোসাইটির উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আদনান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্লাবে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাবমুখী হওয়ার আগ্রহ ও সদস্যসংখ্যা কিছুটা কম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এর অন্যতম কারণ হতে পারে নবীনদের এখনো ক্যাম্পাসের পরিবেশের সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খাইয়ে না নেওয়া। পাশাপাশি অধিকাংশ ক্লাবের নিজস্ব কক্ষ বা স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় কার্যক্রম, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা কঠিন হচ্ছে। এ অবস্থায় শুধু সদস্য সংগ্রহের সময় নয়, সারা বছর দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্লাবগুলোকে আরও সক্রিয় ও শিক্ষার্থীবান্ধব করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা অবস্থায় সরকারি তিতুমীর কলেজে নবীন শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজারের বেশি। তবে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তা নেমে এসেছে পাঁচ ভাগের দুই ভাগে।

নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে এবং বিভিন্ন ছাত্র, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে নবীনদের যুক্ত করতে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে স্থাপন করা হয়েছে এসব সংগঠনের বুথ। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার এসব বুথে নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। ফলে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমেও পড়েছে ভাটা।
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সংগঠনের বুথে প্রায় ৪০০ জন নবীন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে ৯০ জনের বেশি, বিএনসিসিতে ৭৫ জন, তিতুমীর কলেজ আইটি সোসাইটিতে ৬০ জন, শুদ্ধস্বর কবিতা মঞ্চে ৪৬ জন, বাঁধনে ৪২ জন, তিতুমীর কলেজ রিসার্চ ক্লাবে ৩০ জন, ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস তিতুমীরে ২৫ জন, তিতুমীর কলেজ সাইকোলজি সোসাইটিতে ২০ জনের বেশি নবীন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। এছাড়া, তিতুমীর ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ক্লাবে ৮–১০ জন এবং তিতুমীর কলেজ ফটোগ্রাফি ক্লাবে ৪ জন সদস্য হয়েছেন।

তবে সংগঠনগুলোর বুথ ঘুরে দেখা যায়, আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম। ফলে বুথগুলোতেও আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে না।
সংগঠন সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের পর তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবার নবীন শিক্ষার্থী সংগ্রহেও এর প্রভাব পড়েছে। আগের তুলনায় নবীন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় সংগঠনগুলোর সদস্য সংগ্রহের পরিসরও সংকুচিত হয়েছে।
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’-এর সরকারি তিতুমীর কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক কাজীউল ফুযযাত আবরার বলেন, গত বছর আমাদের সঙ্গে ১০৫ নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছিল। তবে এবার যুক্ত হয়েছেন মাত্র ৪২ জন।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছর শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম হওয়ায় পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমেও প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

তিতুমীর কলেজ আইটি সোসাইটির উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আদনান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্লাবে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাবমুখী হওয়ার আগ্রহ ও সদস্যসংখ্যা কিছুটা কম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এর অন্যতম কারণ হতে পারে নবীনদের এখনো ক্যাম্পাসের পরিবেশের সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খাইয়ে না নেওয়া। পাশাপাশি অধিকাংশ ক্লাবের নিজস্ব কক্ষ বা স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় কার্যক্রম, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা কঠিন হচ্ছে। এ অবস্থায় শুধু সদস্য সংগ্রহের সময় নয়, সারা বছর দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্লাবগুলোকে আরও সক্রিয় ও শিক্ষার্থীবান্ধব করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা অবস্থায় সরকারি তিতুমীর কলেজে নবীন শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজারের বেশি। তবে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তা নেমে এসেছে পাঁচ ভাগের দুই ভাগে।

নবীনদের সাড়া কম, তিতুমীর কলেজে সংগঠনগুলোর সদস্য সংগ্রহে ভাটা
তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি

নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে এবং বিভিন্ন ছাত্র, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে নবীনদের যুক্ত করতে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে স্থাপন করা হয়েছে এসব সংগঠনের বুথ। তবে আগের বছরের তুলনায় এবার এসব বুথে নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে। ফলে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমেও পড়েছে ভাটা।
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সংগঠনের বুথে প্রায় ৪০০ জন নবীন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে ৯০ জনের বেশি, বিএনসিসিতে ৭৫ জন, তিতুমীর কলেজ আইটি সোসাইটিতে ৬০ জন, শুদ্ধস্বর কবিতা মঞ্চে ৪৬ জন, বাঁধনে ৪২ জন, তিতুমীর কলেজ রিসার্চ ক্লাবে ৩০ জন, ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস তিতুমীরে ২৫ জন, তিতুমীর কলেজ সাইকোলজি সোসাইটিতে ২০ জনের বেশি নবীন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। এছাড়া, তিতুমীর ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ক্লাবে ৮–১০ জন এবং তিতুমীর কলেজ ফটোগ্রাফি ক্লাবে ৪ জন সদস্য হয়েছেন।

তবে সংগঠনগুলোর বুথ ঘুরে দেখা যায়, আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম। ফলে বুথগুলোতেও আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে না।
সংগঠন সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের পর তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবার নবীন শিক্ষার্থী সংগ্রহেও এর প্রভাব পড়েছে। আগের তুলনায় নবীন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম হওয়ায় সংগঠনগুলোর সদস্য সংগ্রহের পরিসরও সংকুচিত হয়েছে।
স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’-এর সরকারি তিতুমীর কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক কাজীউল ফুযযাত আবরার বলেন, গত বছর আমাদের সঙ্গে ১০৫ নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছিল। তবে এবার যুক্ত হয়েছেন মাত্র ৪২ জন।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছর শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম হওয়ায় পাশাপাশি নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্যাম্পাসভিত্তিক বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমেও প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।

তিতুমীর কলেজ আইটি সোসাইটির উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আদনান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ক্লাবে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাবমুখী হওয়ার আগ্রহ ও সদস্যসংখ্যা কিছুটা কম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এর অন্যতম কারণ হতে পারে নবীনদের এখনো ক্যাম্পাসের পরিবেশের সঙ্গে পুরোপুরি খাপ খাইয়ে না নেওয়া। পাশাপাশি অধিকাংশ ক্লাবের নিজস্ব কক্ষ বা স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় কার্যক্রম, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা কঠিন হচ্ছে। এ অবস্থায় শুধু সদস্য সংগ্রহের সময় নয়, সারা বছর দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্লাবগুলোকে আরও সক্রিয় ও শিক্ষার্থীবান্ধব করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা অবস্থায় সরকারি তিতুমীর কলেজে নবীন শিক্ষার্থী সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজারের বেশি। তবে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তা নেমে এসেছে পাঁচ ভাগের দুই ভাগে।









