পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দিতে শিবিরকে আম্মারের চ্যালেঞ্জ

পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দিতে শিবিরকে আম্মারের চ্যালেঞ্জ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

অর্থের বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তা প্রমাণের জন্য ছাত্রশিবিরকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
সপোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, গোটা বাংলাদেশের শিবির (সাথে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন) প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১। আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি প্রমান দেন যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়। সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেন। ১টা পদ বানিজ্যের প্রমাণ দেখান।
তিনি লিখেন, ২৪ ঘন্টা সময় নিজেদের গোয়েন্দা বাহিনী ,সরকারী গোয়েন্দা সংস্থাসহ যত জায়গা থেকে তথ্য নেওয়া যায় নেন, সামনে আরো চ্যালেঞ্জ আসছে।

আরেকটি পোষ্টে রাকসু জিএস লিখেন, সারাদেশের মানুষের কাছে আমার চ্যালেঞ্জ। আমাকে দীর্ঘদিন ধরে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে এই অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাই আমি সারাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা, শিবির, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে যদি চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে কোনো ভুক্তভোগী থাকলে তাকে সামনে আনুন এবং সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করুন।
তিনি লিখেন, শুধু চাঁদাবাজি না, কারো থেকে অন্যায়ভাবে একটা টাকা নিয়েছি প্রমাণ করুন। আমি স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছি- প্রমাণ করুন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি। যদি কেউ নির্ভরযোগ্য প্রমাণসহ প্রমাণ করতে পারেন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।

সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, অভিযোগ নয়,প্রমাণ দিন। অভিযোগ তো মুখে আসলে বলে দিতেই পারবো। চ্যালেঞ্জ রইলো।
এর আগে, ২০২৫ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
চলতি বছরের ৩১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়, নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের সাথী পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত হয়। উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ কারণে তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া না দেখানোর জন্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। শুধু রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।

অর্থের বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তা প্রমাণের জন্য ছাত্রশিবিরকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
সপোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, গোটা বাংলাদেশের শিবির (সাথে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন) প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১। আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি প্রমান দেন যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়। সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেন। ১টা পদ বানিজ্যের প্রমাণ দেখান।
তিনি লিখেন, ২৪ ঘন্টা সময় নিজেদের গোয়েন্দা বাহিনী ,সরকারী গোয়েন্দা সংস্থাসহ যত জায়গা থেকে তথ্য নেওয়া যায় নেন, সামনে আরো চ্যালেঞ্জ আসছে।

আরেকটি পোষ্টে রাকসু জিএস লিখেন, সারাদেশের মানুষের কাছে আমার চ্যালেঞ্জ। আমাকে দীর্ঘদিন ধরে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে এই অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাই আমি সারাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা, শিবির, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে যদি চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে কোনো ভুক্তভোগী থাকলে তাকে সামনে আনুন এবং সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করুন।
তিনি লিখেন, শুধু চাঁদাবাজি না, কারো থেকে অন্যায়ভাবে একটা টাকা নিয়েছি প্রমাণ করুন। আমি স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছি- প্রমাণ করুন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি। যদি কেউ নির্ভরযোগ্য প্রমাণসহ প্রমাণ করতে পারেন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।

সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, অভিযোগ নয়,প্রমাণ দিন। অভিযোগ তো মুখে আসলে বলে দিতেই পারবো। চ্যালেঞ্জ রইলো।
এর আগে, ২০২৫ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
চলতি বছরের ৩১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়, নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের সাথী পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত হয়। উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ কারণে তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া না দেখানোর জন্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। শুধু রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।

পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দিতে শিবিরকে আম্মারের চ্যালেঞ্জ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা

অর্থের বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তা প্রমাণের জন্য ছাত্রশিবিরকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
সপোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, গোটা বাংলাদেশের শিবির (সাথে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন) প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১। আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি প্রমান দেন যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়। সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেন। ১টা পদ বানিজ্যের প্রমাণ দেখান।
তিনি লিখেন, ২৪ ঘন্টা সময় নিজেদের গোয়েন্দা বাহিনী ,সরকারী গোয়েন্দা সংস্থাসহ যত জায়গা থেকে তথ্য নেওয়া যায় নেন, সামনে আরো চ্যালেঞ্জ আসছে।

আরেকটি পোষ্টে রাকসু জিএস লিখেন, সারাদেশের মানুষের কাছে আমার চ্যালেঞ্জ। আমাকে দীর্ঘদিন ধরে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে এই অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাই আমি সারাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা, শিবির, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে যদি চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে কোনো ভুক্তভোগী থাকলে তাকে সামনে আনুন এবং সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করুন।
তিনি লিখেন, শুধু চাঁদাবাজি না, কারো থেকে অন্যায়ভাবে একটা টাকা নিয়েছি প্রমাণ করুন। আমি স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছি- প্রমাণ করুন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি। যদি কেউ নির্ভরযোগ্য প্রমাণসহ প্রমাণ করতে পারেন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।

সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, অভিযোগ নয়,প্রমাণ দিন। অভিযোগ তো মুখে আসলে বলে দিতেই পারবো। চ্যালেঞ্জ রইলো।
এর আগে, ২০২৫ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার।
চলতি বছরের ৩১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়, নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের সাথী পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত হয়। উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ কারণে তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া না দেখানোর জন্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। শুধু রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।

শিবিরের পদ হারিয়েছেন রাকসুর জিএস আম্মার






