ইংলিশদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সদের হার

ইংলিশদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সদের হার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস (ডব্লিউসিএল) টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে আশা জাগিয়েছিল। তবে মাঝপথে ধাক্কা খায়। শেষ দিকে আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ চৌধুরী রাহির ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সরা। তবুও শেষ রক্ষা হলো না। রবির বোপারার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স।
টসের পর ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার ইমরুল কায়েস দ্রুত ফিরে গেলেও রনি তালুকদার ক্রিজে থেকে রানের গতি সচল রাখেন। আক্রমণাত্মক গতিতে ব্যাটিং করে ৩৭ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকেন তিন নম্বরে নামা ফজলে মাহমুদ রাব্বি। মাত্র ১৬ বলে ২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলের স্কোর এগিয়ে নেন তিনি। এরপর জহুরুল ইসলাম ১৮ বলে করেন ১৬ রান। তিনি আউট হওয়ার পর থেকেই দলের ছন্দপতন শুরু হয়। নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা হারাতে থাকে দলটি।
তবে শেষদিকে পরিস্থিতি কিছুটা সামলে নেন আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ রাহি। সানি ১২ বলে ১৫ রান করে আউট হন। পরে রাহির ১৬ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে থামে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নেন সামিত প্যাটেল। আর রায়ান সাইডবটম নেন ২ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটাও ছিল আক্রমণাত্মক। রবি বোপারার সঙ্গে ওপেন করতে নামা ডেভিড মালান জুটি ২৯ রান করেন। ১১ বলে ১৮ রান করা মালানকে ফিরিয়ে দেন আবু জায়েদ রাহি। এরপর জেসন রয় কিছুটা আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করলেও ৯ বলে ১৫ রানে থামে তার ইনিংস। এনামুল হক জুনিয়রের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন রয়।
সামিত প্যাটেলও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ১২ রান করে বিদায় নেন তিনি। তবে অন্য প্রান্তে অবিচল ছিলেন রবি। শেষদিকে তার সঙ্গে যোগ দেন ফিল মাস্টার্ড। দুজনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের ফল দ্রুতই বাংলাদেশ থেকে ছিঁটকে তাদের কোর্টে চলে যায়।
ঝোড়ো ইনিংসে সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রবি, কিন্তু তার আগেই নির্ধারিত জয় তুলে নেয় দলটি। ৪৫ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্যদিকে মাস্টার্ড ১৭ বলে ৩৭ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশের হয়ে জিয়াউর রহমান, এনামুল হক জুনিয়র ও আবু জায়েদ রাহি একটি করে উইকেট নেন।

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস (ডব্লিউসিএল) টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে আশা জাগিয়েছিল। তবে মাঝপথে ধাক্কা খায়। শেষ দিকে আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ চৌধুরী রাহির ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সরা। তবুও শেষ রক্ষা হলো না। রবির বোপারার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স।
টসের পর ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার ইমরুল কায়েস দ্রুত ফিরে গেলেও রনি তালুকদার ক্রিজে থেকে রানের গতি সচল রাখেন। আক্রমণাত্মক গতিতে ব্যাটিং করে ৩৭ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকেন তিন নম্বরে নামা ফজলে মাহমুদ রাব্বি। মাত্র ১৬ বলে ২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলের স্কোর এগিয়ে নেন তিনি। এরপর জহুরুল ইসলাম ১৮ বলে করেন ১৬ রান। তিনি আউট হওয়ার পর থেকেই দলের ছন্দপতন শুরু হয়। নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা হারাতে থাকে দলটি।
তবে শেষদিকে পরিস্থিতি কিছুটা সামলে নেন আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ রাহি। সানি ১২ বলে ১৫ রান করে আউট হন। পরে রাহির ১৬ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে থামে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নেন সামিত প্যাটেল। আর রায়ান সাইডবটম নেন ২ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটাও ছিল আক্রমণাত্মক। রবি বোপারার সঙ্গে ওপেন করতে নামা ডেভিড মালান জুটি ২৯ রান করেন। ১১ বলে ১৮ রান করা মালানকে ফিরিয়ে দেন আবু জায়েদ রাহি। এরপর জেসন রয় কিছুটা আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করলেও ৯ বলে ১৫ রানে থামে তার ইনিংস। এনামুল হক জুনিয়রের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন রয়।
সামিত প্যাটেলও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ১২ রান করে বিদায় নেন তিনি। তবে অন্য প্রান্তে অবিচল ছিলেন রবি। শেষদিকে তার সঙ্গে যোগ দেন ফিল মাস্টার্ড। দুজনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের ফল দ্রুতই বাংলাদেশ থেকে ছিঁটকে তাদের কোর্টে চলে যায়।
ঝোড়ো ইনিংসে সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রবি, কিন্তু তার আগেই নির্ধারিত জয় তুলে নেয় দলটি। ৪৫ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্যদিকে মাস্টার্ড ১৭ বলে ৩৭ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশের হয়ে জিয়াউর রহমান, এনামুল হক জুনিয়র ও আবু জায়েদ রাহি একটি করে উইকেট নেন।

ইংলিশদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সদের হার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস (ডব্লিউসিএল) টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে আশা জাগিয়েছিল। তবে মাঝপথে ধাক্কা খায়। শেষ দিকে আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ চৌধুরী রাহির ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সরা। তবুও শেষ রক্ষা হলো না। রবির বোপারার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৩ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন্স।
টসের পর ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার ইমরুল কায়েস দ্রুত ফিরে গেলেও রনি তালুকদার ক্রিজে থেকে রানের গতি সচল রাখেন। আক্রমণাত্মক গতিতে ব্যাটিং করে ৩৭ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকেন তিন নম্বরে নামা ফজলে মাহমুদ রাব্বি। মাত্র ১৬ বলে ২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলের স্কোর এগিয়ে নেন তিনি। এরপর জহুরুল ইসলাম ১৮ বলে করেন ১৬ রান। তিনি আউট হওয়ার পর থেকেই দলের ছন্দপতন শুরু হয়। নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা হারাতে থাকে দলটি।
তবে শেষদিকে পরিস্থিতি কিছুটা সামলে নেন আরাফাত সানি ও আবু জায়েদ রাহি। সানি ১২ বলে ১৫ রান করে আউট হন। পরে রাহির ১৬ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ১৬৪ রানে থামে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নেন সামিত প্যাটেল। আর রায়ান সাইডবটম নেন ২ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটাও ছিল আক্রমণাত্মক। রবি বোপারার সঙ্গে ওপেন করতে নামা ডেভিড মালান জুটি ২৯ রান করেন। ১১ বলে ১৮ রান করা মালানকে ফিরিয়ে দেন আবু জায়েদ রাহি। এরপর জেসন রয় কিছুটা আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করলেও ৯ বলে ১৫ রানে থামে তার ইনিংস। এনামুল হক জুনিয়রের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন রয়।
সামিত প্যাটেলও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ১২ রান করে বিদায় নেন তিনি। তবে অন্য প্রান্তে অবিচল ছিলেন রবি। শেষদিকে তার সঙ্গে যোগ দেন ফিল মাস্টার্ড। দুজনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের ফল দ্রুতই বাংলাদেশ থেকে ছিঁটকে তাদের কোর্টে চলে যায়।
ঝোড়ো ইনিংসে সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন রবি, কিন্তু তার আগেই নির্ধারিত জয় তুলে নেয় দলটি। ৪৫ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্যদিকে মাস্টার্ড ১৭ বলে ৩৭ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। বাংলাদেশের হয়ে জিয়াউর রহমান, এনামুল হক জুনিয়র ও আবু জায়েদ রাহি একটি করে উইকেট নেন।

শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারালো ইংল্যান্ড







