ঢাবিতে হিজাব-নেকাব নিয়ে নীতিমালার দাবি ইসলামী ছাত্রী সংস্থার

ঢাবিতে হিজাব-নেকাব নিয়ে নীতিমালার দাবি ইসলামী ছাত্রী সংস্থার
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লাস, পরীক্ষা ও ভাইভা বোর্ডে হিজাব-নেকাব নিয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা। একইসঙ্গে ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীকে নেকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিচার দাবি করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হিজাব ও নেকাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্ত করার নামে বিভিন্ন সময় হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
হিজাব ও নেকাব পরিহিত সংগঠনের নেত্রী সুমাইয়া ফাহমিদা বলেন, একজন ব্যক্তি কী পোশাক পরবেন, সেটি তার ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হয়রানির শিকার হওয়া কাম্য নয়।
তিনি বলেন, ২৪ পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমরা এমন পরিবেশ আশা করি না। ইসলামী ছাত্রী সংস্থার পক্ষ থেকে আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
মানববন্ধনে ডাকসু নেত্রী ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্পাদক আফছানা আক্তারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের কেউ সাংগঠনিক পদ-পদবি উল্লেখ করেননি।
এর আগে, বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) একটি ক্লাসে নেকাব পরা এক ছাত্রীকে ‘মৌলবাদী’ বলার অভিযোগ ওঠে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানান শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ওই শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তার কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লাস, পরীক্ষা ও ভাইভা বোর্ডে হিজাব-নেকাব নিয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা। একইসঙ্গে ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীকে নেকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিচার দাবি করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হিজাব ও নেকাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্ত করার নামে বিভিন্ন সময় হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
হিজাব ও নেকাব পরিহিত সংগঠনের নেত্রী সুমাইয়া ফাহমিদা বলেন, একজন ব্যক্তি কী পোশাক পরবেন, সেটি তার ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হয়রানির শিকার হওয়া কাম্য নয়।
তিনি বলেন, ২৪ পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমরা এমন পরিবেশ আশা করি না। ইসলামী ছাত্রী সংস্থার পক্ষ থেকে আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
মানববন্ধনে ডাকসু নেত্রী ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্পাদক আফছানা আক্তারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের কেউ সাংগঠনিক পদ-পদবি উল্লেখ করেননি।
এর আগে, বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) একটি ক্লাসে নেকাব পরা এক ছাত্রীকে ‘মৌলবাদী’ বলার অভিযোগ ওঠে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানান শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ওই শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তার কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে।

ঢাবিতে হিজাব-নেকাব নিয়ে নীতিমালার দাবি ইসলামী ছাত্রী সংস্থার
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লাস, পরীক্ষা ও ভাইভা বোর্ডে হিজাব-নেকাব নিয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা। একইসঙ্গে ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীকে নেকাব নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিচার দাবি করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হিজাব ও নেকাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্ত করার নামে বিভিন্ন সময় হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
হিজাব ও নেকাব পরিহিত সংগঠনের নেত্রী সুমাইয়া ফাহমিদা বলেন, একজন ব্যক্তি কী পোশাক পরবেন, সেটি তার ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হয়রানির শিকার হওয়া কাম্য নয়।
তিনি বলেন, ২৪ পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমরা এমন পরিবেশ আশা করি না। ইসলামী ছাত্রী সংস্থার পক্ষ থেকে আমরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
মানববন্ধনে ডাকসু নেত্রী ও ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্পাদক আফছানা আক্তারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তবে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের কেউ সাংগঠনিক পদ-পদবি উল্লেখ করেননি।
এর আগে, বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১৫তম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) একটি ক্লাসে নেকাব পরা এক ছাত্রীকে ‘মৌলবাদী’ বলার অভিযোগ ওঠে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে জানান শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ওই শিক্ষকের কোর্সগুলো পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তার কোর্সগুলো অন্য শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে।

ডাকসুর এক বছরের কার্যবিবরণী প্রকাশ, ছারপোকা নিধনে খরচ ৩২ লাখ টাকা







