অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী বরখাস্ত

অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী বরখাস্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

কর্মস্থল ত্যাগের নিয়ম লঙ্ঘন, নিজের পদমর্যাদা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর পরিচয় দেওয়া এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দেন। পরে মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় টুটুল চক্রবর্তী রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তাকে গত ২৩ জানুয়ারি থেকে পলাতক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতিসহ ছুটি এবং ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি মঞ্জুর হয়েছিলো টুটুল চক্রবর্তীর। তবে ছুটি শুরুর আগের দিন, ১৩ নভেম্বর, তিনি প্রয়োজনীয় প্রস্থান প্রতিবেদন জমা না দিয়েই নির্ধারিত সময়ের আগে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় নিজের প্রকৃত পদমর্যাদা গোপন করে নিজেকে ডিআইজি হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এরপর রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে ডিআইজি লাউঞ্জ ব্যবহার করে সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এর আগেও কয়েকবার রাজশাহী বিমানবন্দরে নিজেকে ‘ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেছিলেন টুটুল চক্রবর্তী। বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নজরে আনে। তার এমন কর্মকাণ্ডে জনসমক্ষে পুলিশের ভাবমূর্তি গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা, আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণের শামিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি অভিযোগনামা ও অভিযোগের বিবরণীসহ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। জবাব দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি। পরে ২ এপ্রিল অভিযোগ তদন্তের জন্য একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৭ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না, তা জানতে ১৬ জুন দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে এ নোটিশেরও জবাব দেননি তিনি। বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হলে গত ১৪ সেপ্টেম্বর কমিশন বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেয়।
এতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। সেই অনুমোদনের পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

কর্মস্থল ত্যাগের নিয়ম লঙ্ঘন, নিজের পদমর্যাদা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর পরিচয় দেওয়া এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দেন। পরে মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় টুটুল চক্রবর্তী রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তাকে গত ২৩ জানুয়ারি থেকে পলাতক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতিসহ ছুটি এবং ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি মঞ্জুর হয়েছিলো টুটুল চক্রবর্তীর। তবে ছুটি শুরুর আগের দিন, ১৩ নভেম্বর, তিনি প্রয়োজনীয় প্রস্থান প্রতিবেদন জমা না দিয়েই নির্ধারিত সময়ের আগে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় নিজের প্রকৃত পদমর্যাদা গোপন করে নিজেকে ডিআইজি হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এরপর রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে ডিআইজি লাউঞ্জ ব্যবহার করে সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এর আগেও কয়েকবার রাজশাহী বিমানবন্দরে নিজেকে ‘ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেছিলেন টুটুল চক্রবর্তী। বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নজরে আনে। তার এমন কর্মকাণ্ডে জনসমক্ষে পুলিশের ভাবমূর্তি গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা, আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণের শামিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি অভিযোগনামা ও অভিযোগের বিবরণীসহ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। জবাব দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি। পরে ২ এপ্রিল অভিযোগ তদন্তের জন্য একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৭ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না, তা জানতে ১৬ জুন দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে এ নোটিশেরও জবাব দেননি তিনি। বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হলে গত ১৪ সেপ্টেম্বর কমিশন বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেয়।
এতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। সেই অনুমোদনের পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী বরখাস্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

কর্মস্থল ত্যাগের নিয়ম লঙ্ঘন, নিজের পদমর্যাদা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর পরিচয় দেওয়া এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দেন। পরে মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় টুটুল চক্রবর্তী রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। তাকে গত ২৩ জানুয়ারি থেকে পলাতক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতিসহ ছুটি এবং ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি মঞ্জুর হয়েছিলো টুটুল চক্রবর্তীর। তবে ছুটি শুরুর আগের দিন, ১৩ নভেম্বর, তিনি প্রয়োজনীয় প্রস্থান প্রতিবেদন জমা না দিয়েই নির্ধারিত সময়ের আগে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় নিজের প্রকৃত পদমর্যাদা গোপন করে নিজেকে ডিআইজি হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এরপর রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে ডিআইজি লাউঞ্জ ব্যবহার করে সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এর আগেও কয়েকবার রাজশাহী বিমানবন্দরে নিজেকে ‘ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেছিলেন টুটুল চক্রবর্তী। বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নজরে আনে। তার এমন কর্মকাণ্ডে জনসমক্ষে পুলিশের ভাবমূর্তি গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা, আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণের শামিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি অভিযোগনামা ও অভিযোগের বিবরণীসহ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি। জবাব দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি। পরে ২ এপ্রিল অভিযোগ তদন্তের জন্য একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে ৭ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না, তা জানতে ১৬ জুন দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে এ নোটিশেরও জবাব দেননি তিনি। বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হলে গত ১৪ সেপ্টেম্বর কমিশন বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেয়।
এতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। সেই অনুমোদনের পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

ডিএমপির দুই থানার ওসিসহ ৮ কর্মকর্তাকে বদলি






