গভীর রাতে বাবাকে ভিডিও কল, সংযোগ বিচ্ছিন্নের পর বাসায় গিয়ে পেলেন মৃত্যুর খবর

গভীর রাতে বাবাকে ভিডিও কল, সংযোগ বিচ্ছিন্নের পর বাসায় গিয়ে পেলেন মৃত্যুর খবর
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সম্প্রতি পারিবারিক নির্যাতনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার ভালোবেসে বিয়ে করার এক বছরের মাথায় প্রাণ গেলো ২৪ বছর বয়সী এক গৃহবধূর। স্বামীর নির্যাতনের কথা জানাতে বাবাকে ভিডিও কল করার পর জুমরাতুন নেছা বর্ষা নামে এক তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর মণিপুরিপাড়ার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহায্যের জন্য গভীর রাতে বাবা শেখ মনোয়ার হোসেনকে ভিডিও কল করেন বর্ষা। কথা বলার একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর মেয়ের বাসায় খোঁজ নিতে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। পরে বর্ষাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন বর্ষার বাবা। তিনি লালবাগের স্থায়ী বাসিন্দা।
বর্ষার চাচা শেখ জাকির হোসেন বলেন, ভালোবেসে এক বছর আগে মণিপুরিপাড়ার নাবিদ হোসাইনের সঙ্গে বর্ষার বিয়ে হয়। নাবিদ কোনো কাজ করতেন না, প্রায়ই শ্বশুরের কাছে টাকা চাইতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বর্ষাকে মারধরও করা হতো। এর আগে একবার মারধরের শিকার হয়ে বর্ষাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসবের কিছুই তখন তাদেরকে জানানো হয়নি। মঙ্গলবার আবার তার ভাইয়ের কাছে টাকা চাওয়া নিয়ে বর্ষাকে মারধর করে এবং শ্বশুরবাড়ির একজন দৃশ্য ধারণ করে পরিবারকে পাঠায়। মারধর সহ্য করতে না পেরে রাত ১২টার দিকে বর্ষা তার বাবাকে ভিডিও কল দেন। এ সময় তাকে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। তিনি দাবি করেন, ভিডিও কলে বর্ষা বারবার বলতে থাকেন তাকে যেন ওই বাসা থেকে বাবার বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। না নিয়ে গেলে তাকে মেরে ফেলবে। একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বর্ষার বাবা-মা রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই বাসায় গেলে অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। পরে শ্বশুরকে জিজ্ঞাসা করার পর তারা জানান, বর্ষা আত্মহত্যা করেছেন। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত নার্সরা পরীক্ষা করে জানান, বর্ষা মারা গেছেন।
বর্ষার স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য বর্ষাকে চাপ দিতেন নাবিদ। বর্ষার বাবা কয়েকবার টাকা দিয়েছেন। তবে নাবিদ সেই টাকা দিয়ে মাদক সেবন করায় তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এর জের ধরে বর্ষার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুজ্জামান বলেন, বর্ষার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বর্ষার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পরে হাসপাতাল থেকে নাবিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সম্প্রতি পারিবারিক নির্যাতনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার ভালোবেসে বিয়ে করার এক বছরের মাথায় প্রাণ গেলো ২৪ বছর বয়সী এক গৃহবধূর। স্বামীর নির্যাতনের কথা জানাতে বাবাকে ভিডিও কল করার পর জুমরাতুন নেছা বর্ষা নামে এক তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর মণিপুরিপাড়ার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহায্যের জন্য গভীর রাতে বাবা শেখ মনোয়ার হোসেনকে ভিডিও কল করেন বর্ষা। কথা বলার একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর মেয়ের বাসায় খোঁজ নিতে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। পরে বর্ষাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন বর্ষার বাবা। তিনি লালবাগের স্থায়ী বাসিন্দা।
বর্ষার চাচা শেখ জাকির হোসেন বলেন, ভালোবেসে এক বছর আগে মণিপুরিপাড়ার নাবিদ হোসাইনের সঙ্গে বর্ষার বিয়ে হয়। নাবিদ কোনো কাজ করতেন না, প্রায়ই শ্বশুরের কাছে টাকা চাইতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বর্ষাকে মারধরও করা হতো। এর আগে একবার মারধরের শিকার হয়ে বর্ষাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসবের কিছুই তখন তাদেরকে জানানো হয়নি। মঙ্গলবার আবার তার ভাইয়ের কাছে টাকা চাওয়া নিয়ে বর্ষাকে মারধর করে এবং শ্বশুরবাড়ির একজন দৃশ্য ধারণ করে পরিবারকে পাঠায়। মারধর সহ্য করতে না পেরে রাত ১২টার দিকে বর্ষা তার বাবাকে ভিডিও কল দেন। এ সময় তাকে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। তিনি দাবি করেন, ভিডিও কলে বর্ষা বারবার বলতে থাকেন তাকে যেন ওই বাসা থেকে বাবার বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। না নিয়ে গেলে তাকে মেরে ফেলবে। একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বর্ষার বাবা-মা রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই বাসায় গেলে অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। পরে শ্বশুরকে জিজ্ঞাসা করার পর তারা জানান, বর্ষা আত্মহত্যা করেছেন। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত নার্সরা পরীক্ষা করে জানান, বর্ষা মারা গেছেন।
বর্ষার স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য বর্ষাকে চাপ দিতেন নাবিদ। বর্ষার বাবা কয়েকবার টাকা দিয়েছেন। তবে নাবিদ সেই টাকা দিয়ে মাদক সেবন করায় তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এর জের ধরে বর্ষার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুজ্জামান বলেন, বর্ষার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বর্ষার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পরে হাসপাতাল থেকে নাবিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

গভীর রাতে বাবাকে ভিডিও কল, সংযোগ বিচ্ছিন্নের পর বাসায় গিয়ে পেলেন মৃত্যুর খবর
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

সম্প্রতি পারিবারিক নির্যাতনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার ভালোবেসে বিয়ে করার এক বছরের মাথায় প্রাণ গেলো ২৪ বছর বয়সী এক গৃহবধূর। স্বামীর নির্যাতনের কথা জানাতে বাবাকে ভিডিও কল করার পর জুমরাতুন নেছা বর্ষা নামে এক তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর মণিপুরিপাড়ার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহায্যের জন্য গভীর রাতে বাবা শেখ মনোয়ার হোসেনকে ভিডিও কল করেন বর্ষা। কথা বলার একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর মেয়ের বাসায় খোঁজ নিতে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। পরে বর্ষাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন বর্ষার বাবা। তিনি লালবাগের স্থায়ী বাসিন্দা।
বর্ষার চাচা শেখ জাকির হোসেন বলেন, ভালোবেসে এক বছর আগে মণিপুরিপাড়ার নাবিদ হোসাইনের সঙ্গে বর্ষার বিয়ে হয়। নাবিদ কোনো কাজ করতেন না, প্রায়ই শ্বশুরের কাছে টাকা চাইতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বর্ষাকে মারধরও করা হতো। এর আগে একবার মারধরের শিকার হয়ে বর্ষাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসবের কিছুই তখন তাদেরকে জানানো হয়নি। মঙ্গলবার আবার তার ভাইয়ের কাছে টাকা চাওয়া নিয়ে বর্ষাকে মারধর করে এবং শ্বশুরবাড়ির একজন দৃশ্য ধারণ করে পরিবারকে পাঠায়। মারধর সহ্য করতে না পেরে রাত ১২টার দিকে বর্ষা তার বাবাকে ভিডিও কল দেন। এ সময় তাকে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। তিনি দাবি করেন, ভিডিও কলে বর্ষা বারবার বলতে থাকেন তাকে যেন ওই বাসা থেকে বাবার বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। না নিয়ে গেলে তাকে মেরে ফেলবে। একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বর্ষার বাবা-মা রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই বাসায় গেলে অ্যাম্বুলেন্স দেখতে পান। পরে শ্বশুরকে জিজ্ঞাসা করার পর তারা জানান, বর্ষা আত্মহত্যা করেছেন। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত নার্সরা পরীক্ষা করে জানান, বর্ষা মারা গেছেন।
বর্ষার স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য বর্ষাকে চাপ দিতেন নাবিদ। বর্ষার বাবা কয়েকবার টাকা দিয়েছেন। তবে নাবিদ সেই টাকা দিয়ে মাদক সেবন করায় তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এর জের ধরে বর্ষার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুজ্জামান বলেন, বর্ষার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বর্ষার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পরে হাসপাতাল থেকে নাবিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

শিশু নির্যাতনের অভিযোগ করলেই কি বিপদে পড়ে পরিবার







