বিশ্বজুড়ে তীব্র হচ্ছে মেমোরি চিপ সংকট

বিশ্বজুড়ে তীব্র হচ্ছে মেমোরি চিপ সংকট
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের সংকট সহজে কাটছে না। ২০২৮ সাল পর্যন্ত এটি আরও প্রকট হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। চিপের এই টানাপোড়েন মোকাবিলা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যেই বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি ডেটা সেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সেরে ফেলেছে তারা। এছাড়া আরও পাঁচটি বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে স্যামসাং জানিয়েছে, মেমোরি চিপের চড়া চাহিদার কারণে তাদের সেমিকন্ডাক্টর বিভাগের পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫০ গুণেরও বেশি বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মেমোরি বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট জেজুন কিম জানান, চিপের বাজার চড়া থাকায় গ্রাহকরা এখন অন্তত পাঁচ বছর বা তার বেশি মেয়াদের চুক্তি করতে আগ্রহী হচ্ছেন। এসব চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ এবং ন্যূনতম মূল্য নিশ্চিত করার শর্ত থাকছে, যা ভবিষ্যতের বিনিয়োগ ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনবে। স্যামসাংয়ের লক্ষ্য, তাদের উৎপাদিত মোট মেমোরি চিপের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই এমন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নিয়ে আসা।
তবে চিপ ব্যবসায় অভাবনীয় সাফল্য এলেও স্যামসাংয়ের মোবাইল খাত কিন্তু বিপরীত চাপে পড়েছে। মেমোরি চিপের দাম বেড়ে যাওয়ার খেসারত দিয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মোবাইল বিভাগ প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ওন লোকসান করেছে, যা বিগত কয়েক প্রান্তিকের মধ্যে তাদের প্রথম ধাক্কা।
অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবকাঠামোয় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা এখনো কাটেনি। ফলে চোখধাঁধানো আয়ের খবর দেওয়ার পরও প্রতিবেদন প্রকাশের দিনে শুরুতে দাম বাড়লেও শেষ পর্যন্ত শূন্য দশমিক সাত শতাংশ লোকসানে লেনদেন শেষ করে স্যামসাংয়ের শেয়ার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আপাতত মেমোরি চিপ বিপুল রাজস্ব এনে দিলেও ভবিষ্যতে যদি এআই খাতের চাহিদা ঝিমিয়ে পড়ে এবং চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ে, তবে স্যামসাংয়ের মুনাফায় বড় ধরনের টান পড়তে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের সংকট সহজে কাটছে না। ২০২৮ সাল পর্যন্ত এটি আরও প্রকট হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। চিপের এই টানাপোড়েন মোকাবিলা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যেই বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি ডেটা সেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সেরে ফেলেছে তারা। এছাড়া আরও পাঁচটি বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে স্যামসাং জানিয়েছে, মেমোরি চিপের চড়া চাহিদার কারণে তাদের সেমিকন্ডাক্টর বিভাগের পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫০ গুণেরও বেশি বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মেমোরি বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট জেজুন কিম জানান, চিপের বাজার চড়া থাকায় গ্রাহকরা এখন অন্তত পাঁচ বছর বা তার বেশি মেয়াদের চুক্তি করতে আগ্রহী হচ্ছেন। এসব চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ এবং ন্যূনতম মূল্য নিশ্চিত করার শর্ত থাকছে, যা ভবিষ্যতের বিনিয়োগ ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনবে। স্যামসাংয়ের লক্ষ্য, তাদের উৎপাদিত মোট মেমোরি চিপের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই এমন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নিয়ে আসা।
তবে চিপ ব্যবসায় অভাবনীয় সাফল্য এলেও স্যামসাংয়ের মোবাইল খাত কিন্তু বিপরীত চাপে পড়েছে। মেমোরি চিপের দাম বেড়ে যাওয়ার খেসারত দিয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মোবাইল বিভাগ প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ওন লোকসান করেছে, যা বিগত কয়েক প্রান্তিকের মধ্যে তাদের প্রথম ধাক্কা।
অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবকাঠামোয় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা এখনো কাটেনি। ফলে চোখধাঁধানো আয়ের খবর দেওয়ার পরও প্রতিবেদন প্রকাশের দিনে শুরুতে দাম বাড়লেও শেষ পর্যন্ত শূন্য দশমিক সাত শতাংশ লোকসানে লেনদেন শেষ করে স্যামসাংয়ের শেয়ার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আপাতত মেমোরি চিপ বিপুল রাজস্ব এনে দিলেও ভবিষ্যতে যদি এআই খাতের চাহিদা ঝিমিয়ে পড়ে এবং চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ে, তবে স্যামসাংয়ের মুনাফায় বড় ধরনের টান পড়তে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

বিশ্বজুড়ে তীব্র হচ্ছে মেমোরি চিপ সংকট
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের সংকট সহজে কাটছে না। ২০২৮ সাল পর্যন্ত এটি আরও প্রকট হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। চিপের এই টানাপোড়েন মোকাবিলা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যেই বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি ডেটা সেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সেরে ফেলেছে তারা। এছাড়া আরও পাঁচটি বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে স্যামসাং জানিয়েছে, মেমোরি চিপের চড়া চাহিদার কারণে তাদের সেমিকন্ডাক্টর বিভাগের পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫০ গুণেরও বেশি বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মেমোরি বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট জেজুন কিম জানান, চিপের বাজার চড়া থাকায় গ্রাহকরা এখন অন্তত পাঁচ বছর বা তার বেশি মেয়াদের চুক্তি করতে আগ্রহী হচ্ছেন। এসব চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ এবং ন্যূনতম মূল্য নিশ্চিত করার শর্ত থাকছে, যা ভবিষ্যতের বিনিয়োগ ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনবে। স্যামসাংয়ের লক্ষ্য, তাদের উৎপাদিত মোট মেমোরি চিপের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই এমন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নিয়ে আসা।
তবে চিপ ব্যবসায় অভাবনীয় সাফল্য এলেও স্যামসাংয়ের মোবাইল খাত কিন্তু বিপরীত চাপে পড়েছে। মেমোরি চিপের দাম বেড়ে যাওয়ার খেসারত দিয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মোবাইল বিভাগ প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ওন লোকসান করেছে, যা বিগত কয়েক প্রান্তিকের মধ্যে তাদের প্রথম ধাক্কা।
অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবকাঠামোয় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা এখনো কাটেনি। ফলে চোখধাঁধানো আয়ের খবর দেওয়ার পরও প্রতিবেদন প্রকাশের দিনে শুরুতে দাম বাড়লেও শেষ পর্যন্ত শূন্য দশমিক সাত শতাংশ লোকসানে লেনদেন শেষ করে স্যামসাংয়ের শেয়ার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আপাতত মেমোরি চিপ বিপুল রাজস্ব এনে দিলেও ভবিষ্যতে যদি এআই খাতের চাহিদা ঝিমিয়ে পড়ে এবং চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ে, তবে স্যামসাংয়ের মুনাফায় বড় ধরনের টান পড়তে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

ইউটিউবে এলো নতুন সুবিধা







