মহাকাশে প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্রের সন্ধান

মহাকাশে প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্রের সন্ধান
সিজেডএন ডেস্ক

মহাবিশ্বের বৈচিত্র্য যে কল্পবিজ্ঞানকেও হার মানায়, তার আরও একটি বড় প্রমাণ মিলল। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি নক্ষত্রের খোঁজ পেয়েছেন যা থেকে বের হচ্ছে সবুজ আভা। শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডার্ফ ঘরানার এ মৃতপ্রায় নক্ষত্রটি চার্ট্রিউস রঙের গাঢ় সবুজ আলো ছড়াচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একসময় একে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা গ্রহগুলোর পাথুরে ধ্বংসাবশেষ গ্রাস করার পর এটি এমন অদ্ভুত রূপ ধারণ করেছে।
সাধারণত কোনো তারার আলো বা রঙ নির্ভর করে তার তাপমাত্রার ওপর। কম তাপমাত্রার তারাগুলো দেখতে কমলা রঙের হয়, সূর্য বা তার সমকক্ষ নক্ষত্রগুলো সাদা এবং সবচেয়ে উত্তপ্ত তারাগুলো দেখায় হালকা নীল। তবে শ্বেত বামনের ক্ষেত্রে হিসাবটা ভিন্ন। পারমাণবিক জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর মাঝারি আকারের তারাগুলো তাদের বাইরের স্তর ঝরিয়ে ফেলে যে ঘন ও অতি-সংকুচিত কেন্দ্রভাগ ধরে রাখে, তাকেই শ্বেত বামন বলা হয়। বেশিরভাগ শ্বেত বামনের রঙ সাদা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাসায়নিক গঠনের পরিবর্তনের কারণে এদের কয়েকটিতে দেখা যায় অবিশ্বাস্য সব রঙের খেলা।
আকারে প্রায় পৃথিবীর সমান হলেও এ শ্বেত বামনগুলোর ভর হয় সূর্যের প্রায় অর্ধেক বা পৃথিবীর ভরের চেয়ে ১,৬৫,০০০ গুণ বেশি। এ চরম ঘনত্বের কারণে অল্প পরিমাণ সোডিয়ামও বিশাল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। যেহেতু শ্বেত বামন নক্ষত্রগুলো অতি-ঘন ও আকারে প্রায় পৃথিবীর সমান, কিন্তু এদের ভর পৃথিবীর ভরের প্রায় ১,৬৫,০০০ গুণ তাই সামান্য পরিমাণ সোডিয়ামও এ নক্ষত্র থেকে নির্গত কমলা আলোর একটি বড় অংশকে আটকে দেয়।
নতুন শনাক্ত হওয়া নক্ষত্রটির নাম দেওয়া হয়েছে WD J1330+6435। আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে ছায়াপথের ড্রাকো নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৮০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। ‘আরএএস টেকনিকস অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টস’ জার্নাল এ সংক্রান্ত একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে।
মানুষের চোখে এসব অতি-ঘন নক্ষত্রের রঙ কেমন দেখাবে, তা জানতেই গবেষণাটি করা হয়েছিল। স্লোন ডিজিটাল স্কাই সার্ভে এবং নিজস্ব বর্ণালী মডেলের ডেটা ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে ৬৫ আলোকবর্ষের মধ্যে থাকা ১৫১টি শ্বেত বামন পরীক্ষা করেন। সেখানে তারা দেখতে পান, বায়ুমণ্ডলের উপাদানের ওপর ভিত্তি করে শ্বেত বামনগুলো গোলাপি, বেগুনি, হলুদ বা হালকা নীলের মতো নানা রঙের হতে পারে।
৪৮ আলোকবর্ষ দূরে লিও মাইনর নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত WD J1011+2845 নামের একটি নক্ষত্রকে দেখা গেছে স্যামন গোলাপি বা লালচে আভায়। এক্ষেত্রে দায়ী সোডিয়াম নয়, বরং তারার গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসা কার্বন।
বাস্তব জগতে প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্র দেখা গেলেও সুপারগার্ল-এর মতো জনপ্রিয় কমিকস ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পে প্রায়ই এমন তারার দেখা মিলত। বাস্তবে তার প্রমাণ পেয়ে উৎফুল্ল মহাকাশপ্রেমীরা। গবেষণার প্রধান হল্যান্ডস বলেন, এটি প্রমাণ করে যে, মহাবিশ্ব মাঝে মাঝে কল্পবিজ্ঞানের কল্পনার মতোই অদ্ভুত।
সূত্র: রয়টার্স

মহাবিশ্বের বৈচিত্র্য যে কল্পবিজ্ঞানকেও হার মানায়, তার আরও একটি বড় প্রমাণ মিলল। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি নক্ষত্রের খোঁজ পেয়েছেন যা থেকে বের হচ্ছে সবুজ আভা। শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডার্ফ ঘরানার এ মৃতপ্রায় নক্ষত্রটি চার্ট্রিউস রঙের গাঢ় সবুজ আলো ছড়াচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একসময় একে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা গ্রহগুলোর পাথুরে ধ্বংসাবশেষ গ্রাস করার পর এটি এমন অদ্ভুত রূপ ধারণ করেছে।
সাধারণত কোনো তারার আলো বা রঙ নির্ভর করে তার তাপমাত্রার ওপর। কম তাপমাত্রার তারাগুলো দেখতে কমলা রঙের হয়, সূর্য বা তার সমকক্ষ নক্ষত্রগুলো সাদা এবং সবচেয়ে উত্তপ্ত তারাগুলো দেখায় হালকা নীল। তবে শ্বেত বামনের ক্ষেত্রে হিসাবটা ভিন্ন। পারমাণবিক জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর মাঝারি আকারের তারাগুলো তাদের বাইরের স্তর ঝরিয়ে ফেলে যে ঘন ও অতি-সংকুচিত কেন্দ্রভাগ ধরে রাখে, তাকেই শ্বেত বামন বলা হয়। বেশিরভাগ শ্বেত বামনের রঙ সাদা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাসায়নিক গঠনের পরিবর্তনের কারণে এদের কয়েকটিতে দেখা যায় অবিশ্বাস্য সব রঙের খেলা।
আকারে প্রায় পৃথিবীর সমান হলেও এ শ্বেত বামনগুলোর ভর হয় সূর্যের প্রায় অর্ধেক বা পৃথিবীর ভরের চেয়ে ১,৬৫,০০০ গুণ বেশি। এ চরম ঘনত্বের কারণে অল্প পরিমাণ সোডিয়ামও বিশাল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। যেহেতু শ্বেত বামন নক্ষত্রগুলো অতি-ঘন ও আকারে প্রায় পৃথিবীর সমান, কিন্তু এদের ভর পৃথিবীর ভরের প্রায় ১,৬৫,০০০ গুণ তাই সামান্য পরিমাণ সোডিয়ামও এ নক্ষত্র থেকে নির্গত কমলা আলোর একটি বড় অংশকে আটকে দেয়।
নতুন শনাক্ত হওয়া নক্ষত্রটির নাম দেওয়া হয়েছে WD J1330+6435। আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে ছায়াপথের ড্রাকো নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৮০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। ‘আরএএস টেকনিকস অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টস’ জার্নাল এ সংক্রান্ত একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে।
মানুষের চোখে এসব অতি-ঘন নক্ষত্রের রঙ কেমন দেখাবে, তা জানতেই গবেষণাটি করা হয়েছিল। স্লোন ডিজিটাল স্কাই সার্ভে এবং নিজস্ব বর্ণালী মডেলের ডেটা ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে ৬৫ আলোকবর্ষের মধ্যে থাকা ১৫১টি শ্বেত বামন পরীক্ষা করেন। সেখানে তারা দেখতে পান, বায়ুমণ্ডলের উপাদানের ওপর ভিত্তি করে শ্বেত বামনগুলো গোলাপি, বেগুনি, হলুদ বা হালকা নীলের মতো নানা রঙের হতে পারে।
৪৮ আলোকবর্ষ দূরে লিও মাইনর নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত WD J1011+2845 নামের একটি নক্ষত্রকে দেখা গেছে স্যামন গোলাপি বা লালচে আভায়। এক্ষেত্রে দায়ী সোডিয়াম নয়, বরং তারার গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসা কার্বন।
বাস্তব জগতে প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্র দেখা গেলেও সুপারগার্ল-এর মতো জনপ্রিয় কমিকস ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পে প্রায়ই এমন তারার দেখা মিলত। বাস্তবে তার প্রমাণ পেয়ে উৎফুল্ল মহাকাশপ্রেমীরা। গবেষণার প্রধান হল্যান্ডস বলেন, এটি প্রমাণ করে যে, মহাবিশ্ব মাঝে মাঝে কল্পবিজ্ঞানের কল্পনার মতোই অদ্ভুত।
সূত্র: রয়টার্স

মহাকাশে প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্রের সন্ধান
সিজেডএন ডেস্ক

মহাবিশ্বের বৈচিত্র্য যে কল্পবিজ্ঞানকেও হার মানায়, তার আরও একটি বড় প্রমাণ মিলল। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি নক্ষত্রের খোঁজ পেয়েছেন যা থেকে বের হচ্ছে সবুজ আভা। শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডার্ফ ঘরানার এ মৃতপ্রায় নক্ষত্রটি চার্ট্রিউস রঙের গাঢ় সবুজ আলো ছড়াচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একসময় একে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা গ্রহগুলোর পাথুরে ধ্বংসাবশেষ গ্রাস করার পর এটি এমন অদ্ভুত রূপ ধারণ করেছে।
সাধারণত কোনো তারার আলো বা রঙ নির্ভর করে তার তাপমাত্রার ওপর। কম তাপমাত্রার তারাগুলো দেখতে কমলা রঙের হয়, সূর্য বা তার সমকক্ষ নক্ষত্রগুলো সাদা এবং সবচেয়ে উত্তপ্ত তারাগুলো দেখায় হালকা নীল। তবে শ্বেত বামনের ক্ষেত্রে হিসাবটা ভিন্ন। পারমাণবিক জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর মাঝারি আকারের তারাগুলো তাদের বাইরের স্তর ঝরিয়ে ফেলে যে ঘন ও অতি-সংকুচিত কেন্দ্রভাগ ধরে রাখে, তাকেই শ্বেত বামন বলা হয়। বেশিরভাগ শ্বেত বামনের রঙ সাদা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাসায়নিক গঠনের পরিবর্তনের কারণে এদের কয়েকটিতে দেখা যায় অবিশ্বাস্য সব রঙের খেলা।
আকারে প্রায় পৃথিবীর সমান হলেও এ শ্বেত বামনগুলোর ভর হয় সূর্যের প্রায় অর্ধেক বা পৃথিবীর ভরের চেয়ে ১,৬৫,০০০ গুণ বেশি। এ চরম ঘনত্বের কারণে অল্প পরিমাণ সোডিয়ামও বিশাল পরিবর্তন এনে দিতে পারে। যেহেতু শ্বেত বামন নক্ষত্রগুলো অতি-ঘন ও আকারে প্রায় পৃথিবীর সমান, কিন্তু এদের ভর পৃথিবীর ভরের প্রায় ১,৬৫,০০০ গুণ তাই সামান্য পরিমাণ সোডিয়ামও এ নক্ষত্র থেকে নির্গত কমলা আলোর একটি বড় অংশকে আটকে দেয়।
নতুন শনাক্ত হওয়া নক্ষত্রটির নাম দেওয়া হয়েছে WD J1330+6435। আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে ছায়াপথের ড্রাকো নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৮০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। ‘আরএএস টেকনিকস অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টস’ জার্নাল এ সংক্রান্ত একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে।
মানুষের চোখে এসব অতি-ঘন নক্ষত্রের রঙ কেমন দেখাবে, তা জানতেই গবেষণাটি করা হয়েছিল। স্লোন ডিজিটাল স্কাই সার্ভে এবং নিজস্ব বর্ণালী মডেলের ডেটা ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা পৃথিবী থেকে ৬৫ আলোকবর্ষের মধ্যে থাকা ১৫১টি শ্বেত বামন পরীক্ষা করেন। সেখানে তারা দেখতে পান, বায়ুমণ্ডলের উপাদানের ওপর ভিত্তি করে শ্বেত বামনগুলো গোলাপি, বেগুনি, হলুদ বা হালকা নীলের মতো নানা রঙের হতে পারে।
৪৮ আলোকবর্ষ দূরে লিও মাইনর নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত WD J1011+2845 নামের একটি নক্ষত্রকে দেখা গেছে স্যামন গোলাপি বা লালচে আভায়। এক্ষেত্রে দায়ী সোডিয়াম নয়, বরং তারার গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসা কার্বন।
বাস্তব জগতে প্রথমবারের মতো সবুজ নক্ষত্র দেখা গেলেও সুপারগার্ল-এর মতো জনপ্রিয় কমিকস ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পে প্রায়ই এমন তারার দেখা মিলত। বাস্তবে তার প্রমাণ পেয়ে উৎফুল্ল মহাকাশপ্রেমীরা। গবেষণার প্রধান হল্যান্ডস বলেন, এটি প্রমাণ করে যে, মহাবিশ্ব মাঝে মাঝে কল্পবিজ্ঞানের কল্পনার মতোই অদ্ভুত।
সূত্র: রয়টার্স

চুম্বকত্বের তৃতীয় রূপ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা







