আর্জেন্টিনা দলে নতুন লিওনেল

আর্জেন্টিনা দলে নতুন লিওনেল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় হলো আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির। তবে ওই ম্যাচে দুজন লিওনেল খেলেছিলেন। একজন লিওনেল মেসি। অন্যজন লিওনেল ফ্লোরেস।
কয়েক মাসের ব্যবধানে বোকা জুনিয়র্সের দ্বিতীয় দল থেকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন ফ্লোরেস। মেসির বিদায়ী ম্যাচে বদলি নেমে পনেরো মিটিটের মতো খেলেছিলেন তিনি।
রাজধানী বুয়েনস এইরেসের উত্তরে সবচেয়ে গরিব এলাকাগুলোর একটির বস্তি ভিয়া লা কাভা ২০০৭ সালে জন্ম লিওনেল ফ্লোরেসের। তবে ‘লিও’ কিংবা ‘ফ্লোরেস’ নয়, সবাই তাকে ডাকে ‘বেনজা’ নামে। তার পুরো নাম লিওনেল বেনজামিন ফ্লোরেস।
ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অগাধ টান ছিলো বেনজার। প্রতিভাবানও ছিলেন। এজন্য মাত্র ৭ সাত বছর বয়সে বোকা জুনিয়র্সের একাডেমিতে জায়গা পেয়ে যান। তারপর দীর্ঘ ১০ বছরের সংগ্রাম শেষে গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলে ডাক পান। কোচ স্কালোনি বলিভিয়ার বিপক্ষে তাকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে পাঠান। এরপর বুরকিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষেও খেলেন ক্ষুদে লিওনেল।
১৮ বছর বয়সী ফ্লোরেস মূলত ফরোয়ার্ড। ডান পায়ে দুর্দান্ত শট দিতে পারেন তিনি। ড্রিবলিংকে নিজের সবচেয়ে বড় অস্ত্র মনে করেন। তার আদর্শ লিওনেল মেসি ও হুয়ান রোমান রিকেলম। তবে ওয়ান-টু-ওয়ানের লড়াইয়ে শক্তি অর্জন করতে জেরেমি ডোকু ও জামাল মুসিয়ালার খেলা বেশি বেশি দেখেন।
বোকার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে তার গোল ৪টি। আর সহায়তা ৩টি। বোকার দ্বিতীয় দল আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৬ ম্যাচে ১৩ গোল ও ৭ সহায়তা করেছেন। তাকে নিয়ে আশাবাদী জাতীয় দলের কোচ স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘ফ্লোরেস খুব ভালো করছে। আমাদের ওর যত্ন নিতে হবে। ওর পাশে থাকতে হবে, সমর্থন দিতে হবে। ও আর ফ্রাঙ্কো (মাস্তানতুয়োনো) তরুণ খেলোয়াড়। তারা আমাদের আনন্দ দেবে।’
এরই মধ্যে ইউরোপের ক্লাবেও ডাক পেয়েছেন ফ্লোরেস। ট্রান্সফারমার্কেটে তার মূল্য এখন ৮০ লাখ ইউরো। বর্তমানে বোকার সঙ্গে ২০২৯ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ আছেন তিনি। ফ্লোরেস প্রথম দলে খেলা শুরুর পর থেকে বোকা টানা ১৬ ম্যাচে অপরাজিত। এখন দেখার অপেক্ষা ফ্লোরেস ইতিহাস লিখবেন নাকি আরও দশজনের মতো একদিন হারিয়ে যাবেন।

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় হলো আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির। তবে ওই ম্যাচে দুজন লিওনেল খেলেছিলেন। একজন লিওনেল মেসি। অন্যজন লিওনেল ফ্লোরেস।
কয়েক মাসের ব্যবধানে বোকা জুনিয়র্সের দ্বিতীয় দল থেকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন ফ্লোরেস। মেসির বিদায়ী ম্যাচে বদলি নেমে পনেরো মিটিটের মতো খেলেছিলেন তিনি।
রাজধানী বুয়েনস এইরেসের উত্তরে সবচেয়ে গরিব এলাকাগুলোর একটির বস্তি ভিয়া লা কাভা ২০০৭ সালে জন্ম লিওনেল ফ্লোরেসের। তবে ‘লিও’ কিংবা ‘ফ্লোরেস’ নয়, সবাই তাকে ডাকে ‘বেনজা’ নামে। তার পুরো নাম লিওনেল বেনজামিন ফ্লোরেস।
ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অগাধ টান ছিলো বেনজার। প্রতিভাবানও ছিলেন। এজন্য মাত্র ৭ সাত বছর বয়সে বোকা জুনিয়র্সের একাডেমিতে জায়গা পেয়ে যান। তারপর দীর্ঘ ১০ বছরের সংগ্রাম শেষে গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলে ডাক পান। কোচ স্কালোনি বলিভিয়ার বিপক্ষে তাকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে পাঠান। এরপর বুরকিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষেও খেলেন ক্ষুদে লিওনেল।
১৮ বছর বয়সী ফ্লোরেস মূলত ফরোয়ার্ড। ডান পায়ে দুর্দান্ত শট দিতে পারেন তিনি। ড্রিবলিংকে নিজের সবচেয়ে বড় অস্ত্র মনে করেন। তার আদর্শ লিওনেল মেসি ও হুয়ান রোমান রিকেলম। তবে ওয়ান-টু-ওয়ানের লড়াইয়ে শক্তি অর্জন করতে জেরেমি ডোকু ও জামাল মুসিয়ালার খেলা বেশি বেশি দেখেন।
বোকার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে তার গোল ৪টি। আর সহায়তা ৩টি। বোকার দ্বিতীয় দল আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৬ ম্যাচে ১৩ গোল ও ৭ সহায়তা করেছেন। তাকে নিয়ে আশাবাদী জাতীয় দলের কোচ স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘ফ্লোরেস খুব ভালো করছে। আমাদের ওর যত্ন নিতে হবে। ওর পাশে থাকতে হবে, সমর্থন দিতে হবে। ও আর ফ্রাঙ্কো (মাস্তানতুয়োনো) তরুণ খেলোয়াড়। তারা আমাদের আনন্দ দেবে।’
এরই মধ্যে ইউরোপের ক্লাবেও ডাক পেয়েছেন ফ্লোরেস। ট্রান্সফারমার্কেটে তার মূল্য এখন ৮০ লাখ ইউরো। বর্তমানে বোকার সঙ্গে ২০২৯ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ আছেন তিনি। ফ্লোরেস প্রথম দলে খেলা শুরুর পর থেকে বোকা টানা ১৬ ম্যাচে অপরাজিত। এখন দেখার অপেক্ষা ফ্লোরেস ইতিহাস লিখবেন নাকি আরও দশজনের মতো একদিন হারিয়ে যাবেন।

আর্জেন্টিনা দলে নতুন লিওনেল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় হলো আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির। তবে ওই ম্যাচে দুজন লিওনেল খেলেছিলেন। একজন লিওনেল মেসি। অন্যজন লিওনেল ফ্লোরেস।
কয়েক মাসের ব্যবধানে বোকা জুনিয়র্সের দ্বিতীয় দল থেকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন ফ্লোরেস। মেসির বিদায়ী ম্যাচে বদলি নেমে পনেরো মিটিটের মতো খেলেছিলেন তিনি।
রাজধানী বুয়েনস এইরেসের উত্তরে সবচেয়ে গরিব এলাকাগুলোর একটির বস্তি ভিয়া লা কাভা ২০০৭ সালে জন্ম লিওনেল ফ্লোরেসের। তবে ‘লিও’ কিংবা ‘ফ্লোরেস’ নয়, সবাই তাকে ডাকে ‘বেনজা’ নামে। তার পুরো নাম লিওনেল বেনজামিন ফ্লোরেস।
ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অগাধ টান ছিলো বেনজার। প্রতিভাবানও ছিলেন। এজন্য মাত্র ৭ সাত বছর বয়সে বোকা জুনিয়র্সের একাডেমিতে জায়গা পেয়ে যান। তারপর দীর্ঘ ১০ বছরের সংগ্রাম শেষে গত সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলে ডাক পান। কোচ স্কালোনি বলিভিয়ার বিপক্ষে তাকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে পাঠান। এরপর বুরকিনা ফাসো ও বেনিনের বিপক্ষেও খেলেন ক্ষুদে লিওনেল।
১৮ বছর বয়সী ফ্লোরেস মূলত ফরোয়ার্ড। ডান পায়ে দুর্দান্ত শট দিতে পারেন তিনি। ড্রিবলিংকে নিজের সবচেয়ে বড় অস্ত্র মনে করেন। তার আদর্শ লিওনেল মেসি ও হুয়ান রোমান রিকেলম। তবে ওয়ান-টু-ওয়ানের লড়াইয়ে শক্তি অর্জন করতে জেরেমি ডোকু ও জামাল মুসিয়ালার খেলা বেশি বেশি দেখেন।
বোকার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে তার গোল ৪টি। আর সহায়তা ৩টি। বোকার দ্বিতীয় দল আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৬ ম্যাচে ১৩ গোল ও ৭ সহায়তা করেছেন। তাকে নিয়ে আশাবাদী জাতীয় দলের কোচ স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘ফ্লোরেস খুব ভালো করছে। আমাদের ওর যত্ন নিতে হবে। ওর পাশে থাকতে হবে, সমর্থন দিতে হবে। ও আর ফ্রাঙ্কো (মাস্তানতুয়োনো) তরুণ খেলোয়াড়। তারা আমাদের আনন্দ দেবে।’
এরই মধ্যে ইউরোপের ক্লাবেও ডাক পেয়েছেন ফ্লোরেস। ট্রান্সফারমার্কেটে তার মূল্য এখন ৮০ লাখ ইউরো। বর্তমানে বোকার সঙ্গে ২০২৯ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ আছেন তিনি। ফ্লোরেস প্রথম দলে খেলা শুরুর পর থেকে বোকা টানা ১৬ ম্যাচে অপরাজিত। এখন দেখার অপেক্ষা ফ্লোরেস ইতিহাস লিখবেন নাকি আরও দশজনের মতো একদিন হারিয়ে যাবেন।

উপহার হিসেবে লাল কার্ড, চ্যাম্পিয়নশিপ রিংসহ আরও যা পেলেন মেসি







