শূন্য রানেই ৩ উইকেট, ব্রোঞ্জ জেতা হলো না বাংলাদেশের

শূন্য রানেই ৩ উইকেট, ব্রোঞ্জ জেতা হলো না বাংলাদেশের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানে পারিজত হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ব্রোঞ্জ জয়ের স্বপ্নও হাতছাড়া হয়ে গেলো লিটন দাসদের। এর আগে পাকিস্তানের কাছে হেরে ফাইনালে স্বর্ণ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল বাংলাদেশের। তবুও ব্রোঞ্জ জয়ের আশা নিয়ে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। তবে সেই স্বপ্নও ধূলিস্মাৎ হয়ে গেলো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০২ রানে অলআউট হয়েছে টাইগার ব্যাটাররা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলের তিন টপ অর্ডারই ফিরলেন শূন্য রানে। দলীয় ৪ রানেই তিন ব্যাটারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দেওয়া তাওহীদ হৃদয় আজও আশা দেখিয়ে ৬ বলে ১১ রান করে ফিরেছে। ফলে ১৮ রানে বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে।
এরপর পারভেজ হোসেন ইমন কিছুটা আশা জাগিয়ে রাখে। তবে তিনিও ২০ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৫০ রানে আউট হন। এর পরের বলেই মেহেদী হাসানও তার পথ ধরেন। দুজনের ক্যাচই গিয়েছে উইকেটের পেছনে। মেহেদী বেশ অসন্তুষ্টই ছিলেন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। ব্যাটে বল লাগেনি বলে বিশ্বাস ছিল তার। এরপর একে একে সব উইকেট হারিয়ে ১৭ ওভার ৩ বলে ১০২ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।
বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানই ৩০ রানও করতে পারেনি। সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করেন ইয়াসির আলী, ২১ রান। শ্রীলঙ্কার হয়ে ২টি করে উইকেট নুয়ান তুশারা, থারিন্দু রত্নায়েকে, বিজয়কান্ত ভিয়াসকান্ত ও ওয়ানুজা সাহানের।
এর আগে টসে হেরে বোলিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তবে শেষটা তেমন ভালো হয়নি। ফলে নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যের মুখে পড়ে বাংলাদেশ।
খেলার শুরুতে বাংলাদেশের স্পিন ঘুর্ণিতে ধসের মুখে পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। মাহাদী হাসান মিরাজ, আলিস ইসলামদের বলে ২১ রানেই ৪ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। এর মধ্যে মেহেদী হাসান নেন ২ উইকেট। আর টি-টোয়েন্টি দিয়ে আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া আলিস নেন এক উইকেট।
আলিসের উইকেট পাওয়া চতুর্থ ওভারে লঙ্কান আরেক ব্যাটার রানআউট হন। পরে আশেন বান্দারাকে আউট করে রিশাদ হোসেন শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড় করান ৫৪ রানে ৫ উইকেট। তাতে মনে করা হচ্ছিল খুব সহজ লক্ষ্যই পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
তবে শেষ ভালো যার সব ভালো তার একটা প্রবাদ আছে। সেটাই যেন দেখিয়ে দিলেন লঙ্কানরা। সাহান আরাচ্চিগে ও থারিন্দু রত্নানায়েকে ঝড় তোলেন।
দুজনে মিলে ৬ষ্ঠ উইকেটে ৯৩ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন। ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৫ রান করে আউট হন থারিন্দু। এতে তাদের ৪৬ বলের জুটি যায় ভেঙে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন অধিনায়ক আরাচ্চিগে। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৬৫ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা।
এই সংগ্রহে আজও সর্বোচ্চ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। নিজের প্রথম ওভারেই ২৫ রান দেন তিনি। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩ রান দিয়ে বলা যায় সেমিফাইনালই হারিয়ে দেন বাঁহাতি এই পেসার। আজ সব মিলিয়ে ৩ ওভারে ৪৩ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। তার মতো দুটি করে উইকেট নেন মাহাদী ও সাইফ হাসান।

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানে পারিজত হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ব্রোঞ্জ জয়ের স্বপ্নও হাতছাড়া হয়ে গেলো লিটন দাসদের। এর আগে পাকিস্তানের কাছে হেরে ফাইনালে স্বর্ণ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল বাংলাদেশের। তবুও ব্রোঞ্জ জয়ের আশা নিয়ে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। তবে সেই স্বপ্নও ধূলিস্মাৎ হয়ে গেলো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০২ রানে অলআউট হয়েছে টাইগার ব্যাটাররা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলের তিন টপ অর্ডারই ফিরলেন শূন্য রানে। দলীয় ৪ রানেই তিন ব্যাটারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দেওয়া তাওহীদ হৃদয় আজও আশা দেখিয়ে ৬ বলে ১১ রান করে ফিরেছে। ফলে ১৮ রানে বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে।
এরপর পারভেজ হোসেন ইমন কিছুটা আশা জাগিয়ে রাখে। তবে তিনিও ২০ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৫০ রানে আউট হন। এর পরের বলেই মেহেদী হাসানও তার পথ ধরেন। দুজনের ক্যাচই গিয়েছে উইকেটের পেছনে। মেহেদী বেশ অসন্তুষ্টই ছিলেন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। ব্যাটে বল লাগেনি বলে বিশ্বাস ছিল তার। এরপর একে একে সব উইকেট হারিয়ে ১৭ ওভার ৩ বলে ১০২ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।
বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানই ৩০ রানও করতে পারেনি। সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করেন ইয়াসির আলী, ২১ রান। শ্রীলঙ্কার হয়ে ২টি করে উইকেট নুয়ান তুশারা, থারিন্দু রত্নায়েকে, বিজয়কান্ত ভিয়াসকান্ত ও ওয়ানুজা সাহানের।
এর আগে টসে হেরে বোলিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তবে শেষটা তেমন ভালো হয়নি। ফলে নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যের মুখে পড়ে বাংলাদেশ।
খেলার শুরুতে বাংলাদেশের স্পিন ঘুর্ণিতে ধসের মুখে পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। মাহাদী হাসান মিরাজ, আলিস ইসলামদের বলে ২১ রানেই ৪ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। এর মধ্যে মেহেদী হাসান নেন ২ উইকেট। আর টি-টোয়েন্টি দিয়ে আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া আলিস নেন এক উইকেট।
আলিসের উইকেট পাওয়া চতুর্থ ওভারে লঙ্কান আরেক ব্যাটার রানআউট হন। পরে আশেন বান্দারাকে আউট করে রিশাদ হোসেন শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড় করান ৫৪ রানে ৫ উইকেট। তাতে মনে করা হচ্ছিল খুব সহজ লক্ষ্যই পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
তবে শেষ ভালো যার সব ভালো তার একটা প্রবাদ আছে। সেটাই যেন দেখিয়ে দিলেন লঙ্কানরা। সাহান আরাচ্চিগে ও থারিন্দু রত্নানায়েকে ঝড় তোলেন।
দুজনে মিলে ৬ষ্ঠ উইকেটে ৯৩ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন। ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৫ রান করে আউট হন থারিন্দু। এতে তাদের ৪৬ বলের জুটি যায় ভেঙে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন অধিনায়ক আরাচ্চিগে। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৬৫ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা।
এই সংগ্রহে আজও সর্বোচ্চ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। নিজের প্রথম ওভারেই ২৫ রান দেন তিনি। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩ রান দিয়ে বলা যায় সেমিফাইনালই হারিয়ে দেন বাঁহাতি এই পেসার। আজ সব মিলিয়ে ৩ ওভারে ৪৩ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। তার মতো দুটি করে উইকেট নেন মাহাদী ও সাইফ হাসান।

শূন্য রানেই ৩ উইকেট, ব্রোঞ্জ জেতা হলো না বাংলাদেশের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানে পারিজত হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ব্রোঞ্জ জয়ের স্বপ্নও হাতছাড়া হয়ে গেলো লিটন দাসদের। এর আগে পাকিস্তানের কাছে হেরে ফাইনালে স্বর্ণ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল বাংলাদেশের। তবুও ব্রোঞ্জ জয়ের আশা নিয়ে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। তবে সেই স্বপ্নও ধূলিস্মাৎ হয়ে গেলো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০২ রানে অলআউট হয়েছে টাইগার ব্যাটাররা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলের তিন টপ অর্ডারই ফিরলেন শূন্য রানে। দলীয় ৪ রানেই তিন ব্যাটারকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি এনে দেওয়া তাওহীদ হৃদয় আজও আশা দেখিয়ে ৬ বলে ১১ রান করে ফিরেছে। ফলে ১৮ রানে বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে।
এরপর পারভেজ হোসেন ইমন কিছুটা আশা জাগিয়ে রাখে। তবে তিনিও ২০ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৫০ রানে আউট হন। এর পরের বলেই মেহেদী হাসানও তার পথ ধরেন। দুজনের ক্যাচই গিয়েছে উইকেটের পেছনে। মেহেদী বেশ অসন্তুষ্টই ছিলেন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। ব্যাটে বল লাগেনি বলে বিশ্বাস ছিল তার। এরপর একে একে সব উইকেট হারিয়ে ১৭ ওভার ৩ বলে ১০২ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।
বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানই ৩০ রানও করতে পারেনি। সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করেন ইয়াসির আলী, ২১ রান। শ্রীলঙ্কার হয়ে ২টি করে উইকেট নুয়ান তুশারা, থারিন্দু রত্নায়েকে, বিজয়কান্ত ভিয়াসকান্ত ও ওয়ানুজা সাহানের।
এর আগে টসে হেরে বোলিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তবে শেষটা তেমন ভালো হয়নি। ফলে নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যের মুখে পড়ে বাংলাদেশ।
খেলার শুরুতে বাংলাদেশের স্পিন ঘুর্ণিতে ধসের মুখে পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। মাহাদী হাসান মিরাজ, আলিস ইসলামদের বলে ২১ রানেই ৪ উইকেট হারায় লঙ্কানরা। এর মধ্যে মেহেদী হাসান নেন ২ উইকেট। আর টি-টোয়েন্টি দিয়ে আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া আলিস নেন এক উইকেট।
আলিসের উইকেট পাওয়া চতুর্থ ওভারে লঙ্কান আরেক ব্যাটার রানআউট হন। পরে আশেন বান্দারাকে আউট করে রিশাদ হোসেন শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড় করান ৫৪ রানে ৫ উইকেট। তাতে মনে করা হচ্ছিল খুব সহজ লক্ষ্যই পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
তবে শেষ ভালো যার সব ভালো তার একটা প্রবাদ আছে। সেটাই যেন দেখিয়ে দিলেন লঙ্কানরা। সাহান আরাচ্চিগে ও থারিন্দু রত্নানায়েকে ঝড় তোলেন।
দুজনে মিলে ৬ষ্ঠ উইকেটে ৯৩ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন। ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৫ রান করে আউট হন থারিন্দু। এতে তাদের ৪৬ বলের জুটি যায় ভেঙে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন অধিনায়ক আরাচ্চিগে। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৬৫ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা।
এই সংগ্রহে আজও সর্বোচ্চ রান দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। নিজের প্রথম ওভারেই ২৫ রান দেন তিনি। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩ রান দিয়ে বলা যায় সেমিফাইনালই হারিয়ে দেন বাঁহাতি এই পেসার। আজ সব মিলিয়ে ৩ ওভারে ৪৩ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। তার মতো দুটি করে উইকেট নেন মাহাদী ও সাইফ হাসান।

ব্রোঞ্জ জিততে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৬৬ রান







