আল্লাহর কোন গুণবাচক নাম স্মরণ করে দোয়া করবেন

আল্লাহর কোন গুণবাচক নাম স্মরণ করে দোয়া করবেন
সিজেডএন ডেস্ক

দোয়া করার সময় আমরা সাধারণত নিজের প্রয়োজনের কথাই আল্লাহর কাছে তুলে ধরি। তবে কোরআনে আল্লাহ তার সুন্দর নাম ধরে তাকে ডাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই কী চাইছি, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আল্লাহর কোনো গুণবাচক নাম স্মরণ করে দোয়া করা যেতে পারে।
আল্লাহ বলেন, ‘আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাকে সেইসব নামেই ডাকো।’ (সুরা আরাফ: ১৮০)
আল্লাহর সুন্দর নামগুলোকে ‘আসমাউল হুসনা’ বলা হয়। এসব নামের মাধ্যমে আল্লাহর বিভিন্ন গুণ ও মহত্ত্ব প্রকাশ পায়। দোয়ার সময় তার নামের অর্থ ও তাৎপর্য মনে রেখে প্রার্থনা করলে বান্দার অন্তরে আল্লাহর প্রতি আশা, ভরসা ও বিনয় আরও গভীর হতে পারে।
রিজিক চাইলে ‘আর-রাজ্জাক’
রিজিকের প্রয়োজন হলে আল্লাহর ‘আর-রাজ্জাক’ নামটি স্মরণ করে দোয়া করা যেতে পারে। এর অর্থ- যিনি রিজিক দান করেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহই রিজিকদাতা, শক্তির অধিকারী, পরাক্রমশালী।’ (সুরা জারিয়াত: ৫৮)
ক্ষমা চাইলে ‘আল-গাফুর’
গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে আল্লাহর ‘আল-গাফুর’ নামটি স্মরণ করা যেতে পারে। এর অর্থ- অতীব ক্ষমাশীল। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি অবশ্যই ক্ষমাশীল তার প্রতি, যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তারপর সৎপথে অবিচল থাকে।’ (সুরা ত্বহা: ৮২)
তাই গুনাহের পর হতাশ না হয়ে আন্তরিকভাবে তাওবা ও ইস্তেগফার করা উচিত এবং আল্লাহর ক্ষমার আশা রাখা উচিত।
বিপদে পড়লে ‘আল-লতিফ’
কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সূক্ষ্ম অনুগ্রহ ও দয়া কামনা করে তার ‘আল-লতিফ’ নামটি স্মরণ করা যেতে পারে। এ নামের অর্থ- অতি সূক্ষ্ম অনুগ্রহকারী, পরম কোমল ও সদয়। বিপদের সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি তার অনুগ্রহ ও প্রজ্ঞার ওপর ভরসা করা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
দোয়া কবুলের প্রত্যাশায় ‘আল-মুজিব’
আল্লাহর ‘আল-মুজিব’ নামের অর্থ- যিনি ডাকে সাড়া দেন। সুরা হুদে হজরত সালেহ (আ.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক নিকটবর্তী, দোয়া কবুলকারী।’ (সুরা হুদ: ৬১)
আল্লাহর ভালোবাসা চাইলে ‘আল-ওয়াদুদ’
আল্লাহর ‘আল-ওয়াদুদ’ নামের অর্থ- পরম ভালোবাসাময়। আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনি ক্ষমাশীল, ভালোবাসাময়।’ (সুরা বুরুজ: ১৪)
বান্দা আল্লাহর ভালোবাসা, সন্তুষ্টি ও রহমত কামনা করে তার এই নাম স্মরণ করতে পারে।
তাওবা করতে চাইলে ‘আত-তাওয়াব’
আল্লাহর অন্যতম নাম ‘আত-তাওয়াব’- বারবার তাওবা কবুলকারী। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর আদম তার প্রতিপালকের কাছ থেকে কিছু বাণী পেলেন। ফলে তিনি তার তাওবা কবুল করলেন। নিশ্চয়ই তিনি তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।’ (সুরা বাকারা: ৩৭)
কঠিন সময়ে সাহায্য চাইলে ‘আল-হাইয়্যু, আল-কাইয়্যুম’
আল্লাহর ‘আল-হাইয়্যু’ অর্থ চিরঞ্জীব এবং ‘আল-কাইয়্যুম’ অর্থ- যিনি নিজে প্রতিষ্ঠিত এবং সবকিছুকে ধারণ ও পরিচালনা করেন। আয়াতুল কুরসিতে এসেছে, ‘আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা বিদ্যমান।’ (সুরা বাকারা: ২৫৫)

দোয়া করার সময় আমরা সাধারণত নিজের প্রয়োজনের কথাই আল্লাহর কাছে তুলে ধরি। তবে কোরআনে আল্লাহ তার সুন্দর নাম ধরে তাকে ডাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই কী চাইছি, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আল্লাহর কোনো গুণবাচক নাম স্মরণ করে দোয়া করা যেতে পারে।
আল্লাহ বলেন, ‘আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাকে সেইসব নামেই ডাকো।’ (সুরা আরাফ: ১৮০)
আল্লাহর সুন্দর নামগুলোকে ‘আসমাউল হুসনা’ বলা হয়। এসব নামের মাধ্যমে আল্লাহর বিভিন্ন গুণ ও মহত্ত্ব প্রকাশ পায়। দোয়ার সময় তার নামের অর্থ ও তাৎপর্য মনে রেখে প্রার্থনা করলে বান্দার অন্তরে আল্লাহর প্রতি আশা, ভরসা ও বিনয় আরও গভীর হতে পারে।
রিজিক চাইলে ‘আর-রাজ্জাক’
রিজিকের প্রয়োজন হলে আল্লাহর ‘আর-রাজ্জাক’ নামটি স্মরণ করে দোয়া করা যেতে পারে। এর অর্থ- যিনি রিজিক দান করেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহই রিজিকদাতা, শক্তির অধিকারী, পরাক্রমশালী।’ (সুরা জারিয়াত: ৫৮)
ক্ষমা চাইলে ‘আল-গাফুর’
গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে আল্লাহর ‘আল-গাফুর’ নামটি স্মরণ করা যেতে পারে। এর অর্থ- অতীব ক্ষমাশীল। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি অবশ্যই ক্ষমাশীল তার প্রতি, যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তারপর সৎপথে অবিচল থাকে।’ (সুরা ত্বহা: ৮২)
তাই গুনাহের পর হতাশ না হয়ে আন্তরিকভাবে তাওবা ও ইস্তেগফার করা উচিত এবং আল্লাহর ক্ষমার আশা রাখা উচিত।
বিপদে পড়লে ‘আল-লতিফ’
কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সূক্ষ্ম অনুগ্রহ ও দয়া কামনা করে তার ‘আল-লতিফ’ নামটি স্মরণ করা যেতে পারে। এ নামের অর্থ- অতি সূক্ষ্ম অনুগ্রহকারী, পরম কোমল ও সদয়। বিপদের সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি তার অনুগ্রহ ও প্রজ্ঞার ওপর ভরসা করা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
দোয়া কবুলের প্রত্যাশায় ‘আল-মুজিব’
আল্লাহর ‘আল-মুজিব’ নামের অর্থ- যিনি ডাকে সাড়া দেন। সুরা হুদে হজরত সালেহ (আ.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক নিকটবর্তী, দোয়া কবুলকারী।’ (সুরা হুদ: ৬১)
আল্লাহর ভালোবাসা চাইলে ‘আল-ওয়াদুদ’
আল্লাহর ‘আল-ওয়াদুদ’ নামের অর্থ- পরম ভালোবাসাময়। আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনি ক্ষমাশীল, ভালোবাসাময়।’ (সুরা বুরুজ: ১৪)
বান্দা আল্লাহর ভালোবাসা, সন্তুষ্টি ও রহমত কামনা করে তার এই নাম স্মরণ করতে পারে।
তাওবা করতে চাইলে ‘আত-তাওয়াব’
আল্লাহর অন্যতম নাম ‘আত-তাওয়াব’- বারবার তাওবা কবুলকারী। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর আদম তার প্রতিপালকের কাছ থেকে কিছু বাণী পেলেন। ফলে তিনি তার তাওবা কবুল করলেন। নিশ্চয়ই তিনি তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।’ (সুরা বাকারা: ৩৭)
কঠিন সময়ে সাহায্য চাইলে ‘আল-হাইয়্যু, আল-কাইয়্যুম’
আল্লাহর ‘আল-হাইয়্যু’ অর্থ চিরঞ্জীব এবং ‘আল-কাইয়্যুম’ অর্থ- যিনি নিজে প্রতিষ্ঠিত এবং সবকিছুকে ধারণ ও পরিচালনা করেন। আয়াতুল কুরসিতে এসেছে, ‘আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা বিদ্যমান।’ (সুরা বাকারা: ২৫৫)

আল্লাহর কোন গুণবাচক নাম স্মরণ করে দোয়া করবেন
সিজেডএন ডেস্ক

দোয়া করার সময় আমরা সাধারণত নিজের প্রয়োজনের কথাই আল্লাহর কাছে তুলে ধরি। তবে কোরআনে আল্লাহ তার সুন্দর নাম ধরে তাকে ডাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাই কী চাইছি, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আল্লাহর কোনো গুণবাচক নাম স্মরণ করে দোয়া করা যেতে পারে।
আল্লাহ বলেন, ‘আর আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দর সুন্দর নাম। অতএব তোমরা তাকে সেইসব নামেই ডাকো।’ (সুরা আরাফ: ১৮০)
আল্লাহর সুন্দর নামগুলোকে ‘আসমাউল হুসনা’ বলা হয়। এসব নামের মাধ্যমে আল্লাহর বিভিন্ন গুণ ও মহত্ত্ব প্রকাশ পায়। দোয়ার সময় তার নামের অর্থ ও তাৎপর্য মনে রেখে প্রার্থনা করলে বান্দার অন্তরে আল্লাহর প্রতি আশা, ভরসা ও বিনয় আরও গভীর হতে পারে।
রিজিক চাইলে ‘আর-রাজ্জাক’
রিজিকের প্রয়োজন হলে আল্লাহর ‘আর-রাজ্জাক’ নামটি স্মরণ করে দোয়া করা যেতে পারে। এর অর্থ- যিনি রিজিক দান করেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহই রিজিকদাতা, শক্তির অধিকারী, পরাক্রমশালী।’ (সুরা জারিয়াত: ৫৮)
ক্ষমা চাইলে ‘আল-গাফুর’
গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে আল্লাহর ‘আল-গাফুর’ নামটি স্মরণ করা যেতে পারে। এর অর্থ- অতীব ক্ষমাশীল। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি অবশ্যই ক্ষমাশীল তার প্রতি, যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তারপর সৎপথে অবিচল থাকে।’ (সুরা ত্বহা: ৮২)
তাই গুনাহের পর হতাশ না হয়ে আন্তরিকভাবে তাওবা ও ইস্তেগফার করা উচিত এবং আল্লাহর ক্ষমার আশা রাখা উচিত।
বিপদে পড়লে ‘আল-লতিফ’
কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সূক্ষ্ম অনুগ্রহ ও দয়া কামনা করে তার ‘আল-লতিফ’ নামটি স্মরণ করা যেতে পারে। এ নামের অর্থ- অতি সূক্ষ্ম অনুগ্রহকারী, পরম কোমল ও সদয়। বিপদের সময় আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি তার অনুগ্রহ ও প্রজ্ঞার ওপর ভরসা করা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
দোয়া কবুলের প্রত্যাশায় ‘আল-মুজিব’
আল্লাহর ‘আল-মুজিব’ নামের অর্থ- যিনি ডাকে সাড়া দেন। সুরা হুদে হজরত সালেহ (আ.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক নিকটবর্তী, দোয়া কবুলকারী।’ (সুরা হুদ: ৬১)
আল্লাহর ভালোবাসা চাইলে ‘আল-ওয়াদুদ’
আল্লাহর ‘আল-ওয়াদুদ’ নামের অর্থ- পরম ভালোবাসাময়। আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনি ক্ষমাশীল, ভালোবাসাময়।’ (সুরা বুরুজ: ১৪)
বান্দা আল্লাহর ভালোবাসা, সন্তুষ্টি ও রহমত কামনা করে তার এই নাম স্মরণ করতে পারে।
তাওবা করতে চাইলে ‘আত-তাওয়াব’
আল্লাহর অন্যতম নাম ‘আত-তাওয়াব’- বারবার তাওবা কবুলকারী। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর আদম তার প্রতিপালকের কাছ থেকে কিছু বাণী পেলেন। ফলে তিনি তার তাওবা কবুল করলেন। নিশ্চয়ই তিনি তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।’ (সুরা বাকারা: ৩৭)
কঠিন সময়ে সাহায্য চাইলে ‘আল-হাইয়্যু, আল-কাইয়্যুম’
আল্লাহর ‘আল-হাইয়্যু’ অর্থ চিরঞ্জীব এবং ‘আল-কাইয়্যুম’ অর্থ- যিনি নিজে প্রতিষ্ঠিত এবং সবকিছুকে ধারণ ও পরিচালনা করেন। আয়াতুল কুরসিতে এসেছে, ‘আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা বিদ্যমান।’ (সুরা বাকারা: ২৫৫)









