নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের ৩ উপকার

নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের ৩ উপকার
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, মহাগ্রন্থ আল কোরআন শুধু একটি পুস্তক নয়, এটি মানুষের জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনাও। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি যিনি কোরআন মাজীদ শিক্ষা করেন এবং অন্যকে শিক্ষা দেন। নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের অনেক ফজিলত রয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায়, অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করে এবং পরকালে কোরআনের সুপারিশ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে। তাই প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যেও কোরআন তিলাওয়াতের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের তিনটি বিশেষ উপকার-
আল্লাহর বিশেষভাজন
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে কিছু আল্লাহর পরিজন রয়েছে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, তারা কারা? তিনি বললেন, ‘তারা কোরআনের পরিজন, তারাই আল্লাহর বিশেষজন।’
কোরআন তিলাওয়াত, শেখা, বোঝা এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে একজন মানুষ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ লাভ করতে পারে। তাই কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক শুধু রমজানে বা বিশেষ কোনো দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। প্রতিদিনই নিয়মিত কোরআন পাঠ করতে হবে। সেইসঙ্গে আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
পরকালে কোরআনের সুপারিশ
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত বা কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের বড় পুরস্কার রয়েছে। তা হলো কিয়ামতের দিন এর সুপারিশ লাভ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কোরআন তিলাওয়াত করো। কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে।’
দুনিয়ায় মানুষ নানা ধরনের সুপারিশের আশায় থাকেন। কিন্তু পরকালের কঠিন সময়ে কোরআনের সুপারিশ তাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান হিসেবে সামনে আসবে। তাই কোরআনকে জীবনের অংশ করে নিতে হবে।
অন্তরের প্রশান্তি
জীবনে চলার পথে কঠিন বাস্তবতায় মানুষকে হতাশ, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও দুঃখের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিত্ত, পরিবার, কর্মজীবন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে অনেক সময় মানুষের অন্তর অশান্ত হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কোরআন তার জন্য প্রশান্তির অন্যতম কারণ হতে পারে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়’ (সূরা রাদ, ২৮ নম্বর আয়াত)।
আল্লাহকে স্মরণের অন্যতম মাধ্যম হলো কোরআন তিলাওয়াত। মনোযোগ সহকারে কোরআন পড়া এবং আয়াতের অর্থ নিয়ে চিন্তা মানুষের অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করে। এতে দুশ্চিন্তার মধ্যেও একজন মুমিন আল্লাহর ওপর ভরসা ও তার সাহায্যের আশা করতে পারে। তাই প্রতিদিন ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করা জরুরি।

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, মহাগ্রন্থ আল কোরআন শুধু একটি পুস্তক নয়, এটি মানুষের জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনাও। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি যিনি কোরআন মাজীদ শিক্ষা করেন এবং অন্যকে শিক্ষা দেন। নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের অনেক ফজিলত রয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায়, অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করে এবং পরকালে কোরআনের সুপারিশ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে। তাই প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যেও কোরআন তিলাওয়াতের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের তিনটি বিশেষ উপকার-
আল্লাহর বিশেষভাজন
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে কিছু আল্লাহর পরিজন রয়েছে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, তারা কারা? তিনি বললেন, ‘তারা কোরআনের পরিজন, তারাই আল্লাহর বিশেষজন।’
কোরআন তিলাওয়াত, শেখা, বোঝা এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে একজন মানুষ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ লাভ করতে পারে। তাই কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক শুধু রমজানে বা বিশেষ কোনো দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। প্রতিদিনই নিয়মিত কোরআন পাঠ করতে হবে। সেইসঙ্গে আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
পরকালে কোরআনের সুপারিশ
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত বা কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের বড় পুরস্কার রয়েছে। তা হলো কিয়ামতের দিন এর সুপারিশ লাভ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কোরআন তিলাওয়াত করো। কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে।’
দুনিয়ায় মানুষ নানা ধরনের সুপারিশের আশায় থাকেন। কিন্তু পরকালের কঠিন সময়ে কোরআনের সুপারিশ তাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান হিসেবে সামনে আসবে। তাই কোরআনকে জীবনের অংশ করে নিতে হবে।
অন্তরের প্রশান্তি
জীবনে চলার পথে কঠিন বাস্তবতায় মানুষকে হতাশ, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও দুঃখের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিত্ত, পরিবার, কর্মজীবন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে অনেক সময় মানুষের অন্তর অশান্ত হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কোরআন তার জন্য প্রশান্তির অন্যতম কারণ হতে পারে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়’ (সূরা রাদ, ২৮ নম্বর আয়াত)।
আল্লাহকে স্মরণের অন্যতম মাধ্যম হলো কোরআন তিলাওয়াত। মনোযোগ সহকারে কোরআন পড়া এবং আয়াতের অর্থ নিয়ে চিন্তা মানুষের অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করে। এতে দুশ্চিন্তার মধ্যেও একজন মুমিন আল্লাহর ওপর ভরসা ও তার সাহায্যের আশা করতে পারে। তাই প্রতিদিন ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করা জরুরি।

নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের ৩ উপকার
সিজেডএন ডেস্ক

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, মহাগ্রন্থ আল কোরআন শুধু একটি পুস্তক নয়, এটি মানুষের জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনাও। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি যিনি কোরআন মাজীদ শিক্ষা করেন এবং অন্যকে শিক্ষা দেন। নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের অনেক ফজিলত রয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায়, অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করে এবং পরকালে কোরআনের সুপারিশ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে। তাই প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যেও কোরআন তিলাওয়াতের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা একজন মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের তিনটি বিশেষ উপকার-
আল্লাহর বিশেষভাজন
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে কিছু আল্লাহর পরিজন রয়েছে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, তারা কারা? তিনি বললেন, ‘তারা কোরআনের পরিজন, তারাই আল্লাহর বিশেষজন।’
কোরআন তিলাওয়াত, শেখা, বোঝা এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে একজন মানুষ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ লাভ করতে পারে। তাই কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক শুধু রমজানে বা বিশেষ কোনো দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। প্রতিদিনই নিয়মিত কোরআন পাঠ করতে হবে। সেইসঙ্গে আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
পরকালে কোরআনের সুপারিশ
নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত বা কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের বড় পুরস্কার রয়েছে। তা হলো কিয়ামতের দিন এর সুপারিশ লাভ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কোরআন তিলাওয়াত করো। কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে।’
দুনিয়ায় মানুষ নানা ধরনের সুপারিশের আশায় থাকেন। কিন্তু পরকালের কঠিন সময়ে কোরআনের সুপারিশ তাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান হিসেবে সামনে আসবে। তাই কোরআনকে জীবনের অংশ করে নিতে হবে।
অন্তরের প্রশান্তি
জীবনে চলার পথে কঠিন বাস্তবতায় মানুষকে হতাশ, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও দুঃখের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিত্ত, পরিবার, কর্মজীবন কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে অনেক সময় মানুষের অন্তর অশান্ত হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কোরআন তার জন্য প্রশান্তির অন্যতম কারণ হতে পারে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়’ (সূরা রাদ, ২৮ নম্বর আয়াত)।
আল্লাহকে স্মরণের অন্যতম মাধ্যম হলো কোরআন তিলাওয়াত। মনোযোগ সহকারে কোরআন পড়া এবং আয়াতের অর্থ নিয়ে চিন্তা মানুষের অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করে। এতে দুশ্চিন্তার মধ্যেও একজন মুমিন আল্লাহর ওপর ভরসা ও তার সাহায্যের আশা করতে পারে। তাই প্রতিদিন ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করা জরুরি।

কোরআনে বর্ণিত রিজিক বৃদ্ধির দোয়া







