নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ, ৮ পুলিশ আহত

নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ, ৮ পুলিশ আহত
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের জালকুড়িতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ জন সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের খাবারের বিরতির পর আবীর ফ্যাশনের শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার সামনে অবস্থান নেন। পরে কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করা হলে অন্যান্য শ্রমিকেরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। একপর্যায়ে আশপাশের আরও কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সেখানে এসে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিবু মার্কেট এলাকায় শ্রমিকদের মূল সড়কে প্রবেশে বাধা দেয় পুলিশ। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শ্রমিকেরা লিংক রোডে উঠে পড়েন। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন। পরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ অব্যাহত রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
শ্রমিকরা জানান, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকা শেষ হয়ে যায়।প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ করি। মাসে পাই মাত্র ১৫ হাজার টাকা। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর আমাদের বাসা ভাড়াও বেড়েছে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। এতে আমাদের ৮ জন সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের জালকুড়িতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ জন সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের খাবারের বিরতির পর আবীর ফ্যাশনের শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার সামনে অবস্থান নেন। পরে কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করা হলে অন্যান্য শ্রমিকেরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। একপর্যায়ে আশপাশের আরও কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সেখানে এসে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিবু মার্কেট এলাকায় শ্রমিকদের মূল সড়কে প্রবেশে বাধা দেয় পুলিশ। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শ্রমিকেরা লিংক রোডে উঠে পড়েন। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন। পরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ অব্যাহত রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
শ্রমিকরা জানান, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকা শেষ হয়ে যায়।প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ করি। মাসে পাই মাত্র ১৫ হাজার টাকা। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর আমাদের বাসা ভাড়াও বেড়েছে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। এতে আমাদের ৮ জন সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ, ৮ পুলিশ আহত
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের জালকুড়িতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ জন সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের খাবারের বিরতির পর আবীর ফ্যাশনের শ্রমিকেরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার সামনে অবস্থান নেন। পরে কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করা হলে অন্যান্য শ্রমিকেরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। একপর্যায়ে আশপাশের আরও কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সেখানে এসে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিবু মার্কেট এলাকায় শ্রমিকদের মূল সড়কে প্রবেশে বাধা দেয় পুলিশ। তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শ্রমিকেরা লিংক রোডে উঠে পড়েন। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকা পড়ে যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন। পরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ অব্যাহত রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
শ্রমিকরা জানান, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকা শেষ হয়ে যায়।প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ করি। মাসে পাই মাত্র ১৫ হাজার টাকা। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা আসার পর আমাদের বাসা ভাড়াও বেড়েছে।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন। এতে আমাদের ৮ জন সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।

মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ







