মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। অবিলম্বে তার জামিন ও নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
কর্মসূচিতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলে সাব্বির জামান অভিযোগ করেন, তার ৭৬ বছর বয়সী বাবাকে গত ১ অক্টোবর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি, দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনার জেরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাব্বির জামান বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে তার বাবার প্রতিবাদের পর লাগেজ বেল্টসহ বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অথচ তার বাবার বিরুদ্ধে সরকারপক্ষ কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ২৬ দিন ধরে বাবাকে কারাগারে রাখার ঘটনা বিচারব্যবস্থায় বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ছিলেন তার বাবা। এ সময় বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে বাবার দ্রুত জামিন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ তাজিরুল ইসলাম বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করার শামিল। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাতকড়া পরিয়ে ও মাথায় হেলমেট দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে এমন আচরণ তার সম্মান ও মর্যাদার জন্য অপমানজনক। বিগত ১৭ বছরের শাসনামলের মতো বর্তমান সরকারও একই ধরনের নিপীড়নের পথে হাঁটছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন, অবিলম্বে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতির দাবি জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি জুলাই ২০২৪-এর সনদ বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানাই। আমাদের দাবি পূরণ না হলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। অবিলম্বে তার জামিন ও নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
কর্মসূচিতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলে সাব্বির জামান অভিযোগ করেন, তার ৭৬ বছর বয়সী বাবাকে গত ১ অক্টোবর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি, দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনার জেরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাব্বির জামান বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে তার বাবার প্রতিবাদের পর লাগেজ বেল্টসহ বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অথচ তার বাবার বিরুদ্ধে সরকারপক্ষ কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ২৬ দিন ধরে বাবাকে কারাগারে রাখার ঘটনা বিচারব্যবস্থায় বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ছিলেন তার বাবা। এ সময় বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে বাবার দ্রুত জামিন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ তাজিরুল ইসলাম বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করার শামিল। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাতকড়া পরিয়ে ও মাথায় হেলমেট দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে এমন আচরণ তার সম্মান ও মর্যাদার জন্য অপমানজনক। বিগত ১৭ বছরের শাসনামলের মতো বর্তমান সরকারও একই ধরনের নিপীড়নের পথে হাঁটছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন, অবিলম্বে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতির দাবি জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি জুলাই ২০২৪-এর সনদ বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানাই। আমাদের দাবি পূরণ না হলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। অবিলম্বে তার জামিন ও নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
কর্মসূচিতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলে সাব্বির জামান অভিযোগ করেন, তার ৭৬ বছর বয়সী বাবাকে গত ১ অক্টোবর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি, দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনার জেরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাব্বির জামান বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে তার বাবার প্রতিবাদের পর লাগেজ বেল্টসহ বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। অথচ তার বাবার বিরুদ্ধে সরকারপক্ষ কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেনি। ২৬ দিন ধরে বাবাকে কারাগারে রাখার ঘটনা বিচারব্যবস্থায় বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ছিলেন তার বাবা। এ সময় বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে বাবার দ্রুত জামিন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ তাজিরুল ইসলাম বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করার শামিল। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাতকড়া পরিয়ে ও মাথায় হেলমেট দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে এমন আচরণ তার সম্মান ও মর্যাদার জন্য অপমানজনক। বিগত ১৭ বছরের শাসনামলের মতো বর্তমান সরকারও একই ধরনের নিপীড়নের পথে হাঁটছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন, অবিলম্বে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতির দাবি জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি জুলাই ২০২৪-এর সনদ বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানাই। আমাদের দাবি পূরণ না হলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবো বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর







