সরকারের অনাস্থা ঢাকতে দেশে বিশৃঙ্খলা করা হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার

সরকারের অনাস্থা ঢাকতে দেশে বিশৃঙ্খলা করা হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার
সিজেডএন ডেস্ক

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারের সাত মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার দাবি, দ্রব্যমূল্য, সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে নীরব। জনগণ ধীরে ধীরে সরকারের ওপর আস্থা হারাচ্ছে। তার অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে মহানগর থেকে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যন্ত দলীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে একটি দলের মুঠোয় নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর ফলে সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।
তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলে সার ডিলার নিয়োগ, ইমাম-খতিবের ভাতা, কৃষক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও বিভিন্ন তালিকা তৈরিকে কেন্দ্র করে দলীয় লোকজনের মধ্যে সংঘাত হচ্ছে। সার বিতরণকে কেন্দ্র করে কোথাও কোথাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়েও অভিযোগ করেন জামায়াতের এই নেতা। তার দাবি, ভেরিফিকেশনের নামে একটি শ্রেণিকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং যুবদল ও ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বেছে বেছে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য আগামী নির্বাচনে দলীয় লোকজনকে পোলিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নিয়েও অভিযোগ করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ওপর অনির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের খবরদারির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজে নির্বাচিত এমপিদের ডিও লেটার বাদ দিয়ে সংরক্ষিত নারী এমপিদের ডিও লেটারের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট এবং ইসিবি এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মতো ঘটনায় সরকারদলীয় লোকজনের ইন্ধন রয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি আলাদা করে উল্লেখ করেননি। সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় বিভিন্ন পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগও এসেছে।
গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, অপরাধীদের পেছনে সরকারদলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের মদদ রয়েছে। ওপরের মহল থেকে ‘সিগন্যাল’ পাওয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা সুযোগ পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, সরকার নিজেদের দলের লোকজনের অপরাধের কথা না বলে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, রাজধানীতে মানুষের জীবন ও সম্পদ নিরাপদ নয়; একই পরিস্থিতি সারা দেশেও তৈরি হয়েছে। সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা আড়াল করতেই জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জুলাই সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকার গণভোটের রায় কার্যকর না করে এবং ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া ফরম্যাট বাদ দিয়ে দেশকে নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তার দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় উপেক্ষা করে সরকার নিজেদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, গণরায় উপেক্ষা করে জনগণের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা অতীতেও কেউ সফলভাবে ধরে রাখতে পারেনি। সরকার গণবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নিলে জামায়াত তীব্র প্রতিবাদ করবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে তিনি হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানান। এ ছাড়া রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া টিকা, টিকাদান-সংক্রান্ত রেজিস্টার ও নথি উদ্ধারের পাশাপাশি বিকল্প স্থানে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম চালুর দাবি করেন তিনি।
একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্নির্মাণ ও ক্ষতিপূরণ, জমি দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা এবং হামলার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারের সাত মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার দাবি, দ্রব্যমূল্য, সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে নীরব। জনগণ ধীরে ধীরে সরকারের ওপর আস্থা হারাচ্ছে। তার অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে মহানগর থেকে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যন্ত দলীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে একটি দলের মুঠোয় নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর ফলে সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।
তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলে সার ডিলার নিয়োগ, ইমাম-খতিবের ভাতা, কৃষক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও বিভিন্ন তালিকা তৈরিকে কেন্দ্র করে দলীয় লোকজনের মধ্যে সংঘাত হচ্ছে। সার বিতরণকে কেন্দ্র করে কোথাও কোথাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়েও অভিযোগ করেন জামায়াতের এই নেতা। তার দাবি, ভেরিফিকেশনের নামে একটি শ্রেণিকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং যুবদল ও ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বেছে বেছে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য আগামী নির্বাচনে দলীয় লোকজনকে পোলিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নিয়েও অভিযোগ করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ওপর অনির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের খবরদারির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজে নির্বাচিত এমপিদের ডিও লেটার বাদ দিয়ে সংরক্ষিত নারী এমপিদের ডিও লেটারের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট এবং ইসিবি এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মতো ঘটনায় সরকারদলীয় লোকজনের ইন্ধন রয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি আলাদা করে উল্লেখ করেননি। সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় বিভিন্ন পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগও এসেছে।
গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, অপরাধীদের পেছনে সরকারদলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের মদদ রয়েছে। ওপরের মহল থেকে ‘সিগন্যাল’ পাওয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা সুযোগ পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, সরকার নিজেদের দলের লোকজনের অপরাধের কথা না বলে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, রাজধানীতে মানুষের জীবন ও সম্পদ নিরাপদ নয়; একই পরিস্থিতি সারা দেশেও তৈরি হয়েছে। সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা আড়াল করতেই জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জুলাই সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকার গণভোটের রায় কার্যকর না করে এবং ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া ফরম্যাট বাদ দিয়ে দেশকে নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তার দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় উপেক্ষা করে সরকার নিজেদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, গণরায় উপেক্ষা করে জনগণের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা অতীতেও কেউ সফলভাবে ধরে রাখতে পারেনি। সরকার গণবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নিলে জামায়াত তীব্র প্রতিবাদ করবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে তিনি হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানান। এ ছাড়া রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া টিকা, টিকাদান-সংক্রান্ত রেজিস্টার ও নথি উদ্ধারের পাশাপাশি বিকল্প স্থানে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম চালুর দাবি করেন তিনি।
একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্নির্মাণ ও ক্ষতিপূরণ, জমি দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা এবং হামলার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

সরকারের অনাস্থা ঢাকতে দেশে বিশৃঙ্খলা করা হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার
সিজেডএন ডেস্ক

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারের সাত মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। তার দাবি, দ্রব্যমূল্য, সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে নীরব। জনগণ ধীরে ধীরে সরকারের ওপর আস্থা হারাচ্ছে। তার অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে মহানগর থেকে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যন্ত দলীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে একটি দলের মুঠোয় নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর ফলে সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে।
তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলে সার ডিলার নিয়োগ, ইমাম-খতিবের ভাতা, কৃষক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও বিভিন্ন তালিকা তৈরিকে কেন্দ্র করে দলীয় লোকজনের মধ্যে সংঘাত হচ্ছে। সার বিতরণকে কেন্দ্র করে কোথাও কোথাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়েও অভিযোগ করেন জামায়াতের এই নেতা। তার দাবি, ভেরিফিকেশনের নামে একটি শ্রেণিকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং যুবদল ও ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বেছে বেছে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য আগামী নির্বাচনে দলীয় লোকজনকে পোলিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নিয়েও অভিযোগ করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ওপর অনির্বাচিত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের খবরদারির সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজে নির্বাচিত এমপিদের ডিও লেটার বাদ দিয়ে সংরক্ষিত নারী এমপিদের ডিও লেটারের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট এবং ইসিবি এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মতো ঘটনায় সরকারদলীয় লোকজনের ইন্ধন রয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি আলাদা করে উল্লেখ করেননি। সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় বিভিন্ন পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগও এসেছে।
গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, অপরাধীদের পেছনে সরকারদলীয় নেতা-কর্মী ও মন্ত্রীদের মদদ রয়েছে। ওপরের মহল থেকে ‘সিগন্যাল’ পাওয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা সুযোগ পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, সরকার নিজেদের দলের লোকজনের অপরাধের কথা না বলে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, রাজধানীতে মানুষের জীবন ও সম্পদ নিরাপদ নয়; একই পরিস্থিতি সারা দেশেও তৈরি হয়েছে। সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা আড়াল করতেই জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জুলাই সনদ ও গণভোটের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকার গণভোটের রায় কার্যকর না করে এবং ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া ফরম্যাট বাদ দিয়ে দেশকে নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তার দাবি, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় উপেক্ষা করে সরকার নিজেদের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, গণরায় উপেক্ষা করে জনগণের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা অতীতেও কেউ সফলভাবে ধরে রাখতে পারেনি। সরকার গণবিরোধী কোনো পদক্ষেপ নিলে জামায়াত তীব্র প্রতিবাদ করবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে তিনি হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের দাবি জানান। এ ছাড়া রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া টিকা, টিকাদান-সংক্রান্ত রেজিস্টার ও নথি উদ্ধারের পাশাপাশি বিকল্প স্থানে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম চালুর দাবি করেন তিনি।
একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পুনর্নির্মাণ ও ক্ষতিপূরণ, জমি দখলের চেষ্টা প্রতিহত করা এবং হামলার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।









