রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল-চাঁদাবাজি, ৩৮ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল-চাঁদাবাজি, ৩৮ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ও পেশিশক্তির প্রভাব খাটিয়ে জমি ও বাড়ি দখল, খাসজমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ, হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৩৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক। সাম্প্রতিক সময়ে এসব ঘটনা বেড়েছে উল্লেখ করে তারা বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভূমি ও বাড়ি দখল, চর ও খাসজমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ এবং বাড়িঘরে হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে। রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও এতে উল্লেখ করা হয়।
এর পর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় কয়েক শ লোক হামলা, ভাঙচুর ও জমি দখল করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বিবৃতিতে। সেখানে টাকা, জমির দলিলসহ বিভিন্ন মালামাল লুটেরও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পটুয়াখালীর চরবাংলা, নোয়াখালীর সদর উপজেলার ভাটিরটেক ও চরফ্যাশন এবং ভোলার বিভিন্ন চরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করে জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় জমিতে থাকা ফসলও রাতের বেলায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
৩৮ নাগরিকের ভাষ্য, ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে। পাশাপাশি শিশুদের ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো কোনো এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব ঘটনায় রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী ব্যক্তি, আগের সরকারের সশস্ত্র অনুসারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলেও তারা দাবি করেন।
এসব ঘটনার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এবং তাদের মদদদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিদাতারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়, সামগ্রিকভাবে সরকারেরও জবাবদিহির দায় রয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সুলতানা কামাল, আনু মুহাম্মদ, খুশী কবির, শিরীন পারভিন হক, ইফতেখারুজ্জামান, আবু সাঈদ খান, জেড আই খান পান্না, সারা হোসেন, শাহীন আনাম, শহিদুল আলম, স্বপন আদনান, শামসুল হুদা, সামিনা লুৎফা, সুমাইয়া খায়ের, গীতি আরা নাসরীন, জোবাইদা নাসরীন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব, নোভা আহমেদ, ফিরদৌস আজিম, রেহনুমা আহমেদ, সাঈদ ফেরদৌস, সুব্রত চৌধুরী, নায়লা খান, মো. নূর খান, পাভেল পার্থ, ঈশিতা দস্তিদার, মনিন্দ্র কুমার নাথ, রোজিনা বেগম, জাকির হোসেন, সাইদুর রহমান, সালেহ আহমেদ, রেজাউল করিম চৌধুরী, শাহেদ কায়েস, মিঠুন রাকসাম, সাঈদ আহমেদ, দীপায়ন খীসা, হানা শামস আহমেদ ও মুক্তাশ্রী চাকমা।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ও পেশিশক্তির প্রভাব খাটিয়ে জমি ও বাড়ি দখল, খাসজমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ, হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৩৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক। সাম্প্রতিক সময়ে এসব ঘটনা বেড়েছে উল্লেখ করে তারা বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভূমি ও বাড়ি দখল, চর ও খাসজমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ এবং বাড়িঘরে হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে। রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও এতে উল্লেখ করা হয়।
এর পর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় কয়েক শ লোক হামলা, ভাঙচুর ও জমি দখল করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বিবৃতিতে। সেখানে টাকা, জমির দলিলসহ বিভিন্ন মালামাল লুটেরও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পটুয়াখালীর চরবাংলা, নোয়াখালীর সদর উপজেলার ভাটিরটেক ও চরফ্যাশন এবং ভোলার বিভিন্ন চরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করে জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় জমিতে থাকা ফসলও রাতের বেলায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
৩৮ নাগরিকের ভাষ্য, ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে। পাশাপাশি শিশুদের ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো কোনো এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব ঘটনায় রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী ব্যক্তি, আগের সরকারের সশস্ত্র অনুসারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলেও তারা দাবি করেন।
এসব ঘটনার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এবং তাদের মদদদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিদাতারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়, সামগ্রিকভাবে সরকারেরও জবাবদিহির দায় রয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সুলতানা কামাল, আনু মুহাম্মদ, খুশী কবির, শিরীন পারভিন হক, ইফতেখারুজ্জামান, আবু সাঈদ খান, জেড আই খান পান্না, সারা হোসেন, শাহীন আনাম, শহিদুল আলম, স্বপন আদনান, শামসুল হুদা, সামিনা লুৎফা, সুমাইয়া খায়ের, গীতি আরা নাসরীন, জোবাইদা নাসরীন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব, নোভা আহমেদ, ফিরদৌস আজিম, রেহনুমা আহমেদ, সাঈদ ফেরদৌস, সুব্রত চৌধুরী, নায়লা খান, মো. নূর খান, পাভেল পার্থ, ঈশিতা দস্তিদার, মনিন্দ্র কুমার নাথ, রোজিনা বেগম, জাকির হোসেন, সাইদুর রহমান, সালেহ আহমেদ, রেজাউল করিম চৌধুরী, শাহেদ কায়েস, মিঠুন রাকসাম, সাঈদ আহমেদ, দীপায়ন খীসা, হানা শামস আহমেদ ও মুক্তাশ্রী চাকমা।

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল-চাঁদাবাজি, ৩৮ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ও পেশিশক্তির প্রভাব খাটিয়ে জমি ও বাড়ি দখল, খাসজমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ, হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ৩৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক। সাম্প্রতিক সময়ে এসব ঘটনা বেড়েছে উল্লেখ করে তারা বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভূমি ও বাড়ি দখল, চর ও খাসজমি থেকে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ এবং বাড়িঘরে হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে। রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও এতে উল্লেখ করা হয়।
এর পর মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় কয়েক শ লোক হামলা, ভাঙচুর ও জমি দখল করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বিবৃতিতে। সেখানে টাকা, জমির দলিলসহ বিভিন্ন মালামাল লুটেরও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পটুয়াখালীর চরবাংলা, নোয়াখালীর সদর উপজেলার ভাটিরটেক ও চরফ্যাশন এবং ভোলার বিভিন্ন চরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করে জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় জমিতে থাকা ফসলও রাতের বেলায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
৩৮ নাগরিকের ভাষ্য, ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে। পাশাপাশি শিশুদের ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো কোনো এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এসব ঘটনায় রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী ব্যক্তি, আগের সরকারের সশস্ত্র অনুসারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলেও তারা দাবি করেন।
এসব ঘটনার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এবং তাদের মদদদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিদাতারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য শুধু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়, সামগ্রিকভাবে সরকারেরও জবাবদিহির দায় রয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন সুলতানা কামাল, আনু মুহাম্মদ, খুশী কবির, শিরীন পারভিন হক, ইফতেখারুজ্জামান, আবু সাঈদ খান, জেড আই খান পান্না, সারা হোসেন, শাহীন আনাম, শহিদুল আলম, স্বপন আদনান, শামসুল হুদা, সামিনা লুৎফা, সুমাইয়া খায়ের, গীতি আরা নাসরীন, জোবাইদা নাসরীন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব, নোভা আহমেদ, ফিরদৌস আজিম, রেহনুমা আহমেদ, সাঈদ ফেরদৌস, সুব্রত চৌধুরী, নায়লা খান, মো. নূর খান, পাভেল পার্থ, ঈশিতা দস্তিদার, মনিন্দ্র কুমার নাথ, রোজিনা বেগম, জাকির হোসেন, সাইদুর রহমান, সালেহ আহমেদ, রেজাউল করিম চৌধুরী, শাহেদ কায়েস, মিঠুন রাকসাম, সাঈদ আহমেদ, দীপায়ন খীসা, হানা শামস আহমেদ ও মুক্তাশ্রী চাকমা।









