রাষ্ট্রের সংস্কার ঠেকাতে সংবিধান সংশোধন কমিটির নাটক করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রের সংস্কার ঠেকাতে সংবিধান সংশোধন কমিটির নাটক করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রের সংস্কার ঠেকাতে সরকার সংবিধান সংশোধন কমিটির নাটক করছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে একটি কমিটি করা হয়েছে। সংশোধনের নামে সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে ধুলিসাৎ করার একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কমিটি। আমরা রাষ্ট্রের কসমেটিক্সের সার্জারি চাই না। আমরা চাই মৌলিক সংস্কার। এর আগেও ১৭ বার সংশোধন হয়েছে। কোনটাই মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাই আমরা বলব যে দ্রুত সময়ে এই নাটক বন্ধ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে।’
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও দখলবাজি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্যমন্ত্রী সারজিস আলমসহ সর্বোচ্চ পরিষদ রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রাইমারি নিয়োগে প্রায় আড়াই হাজার জন চাকরি প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা সন্ত্রাসী সংগঠন বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম এ ধরনের কোন সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ নেই। এমনকি যারা আমাদের আন্দোলনের সহযোদ্ধা ছিলেন, এরকম অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই চাকরিপ্রার্থীদের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি আছে। যদি একজন চাকরি প্রার্থীকে অন্যায্যভাবে বাদ দেওয়া হয়, আমরা তার জন্য লড়বো।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণে জনগণের প্রত্যাশা উঠে আসেনি। সেখানে তিনি তার দলীয় যে ইশতেহার, যে এজেন্ডা ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন এই ধরনের অনেক কিছু বলেছেন। অলরেডি এই প্রকল্পগুলো দেশে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট, হরমুজ প্রণালি নিরাপত্তা, আমরা যেন জ্বালানি পাই সেটা তিনি তুলে ধরতে পারেননি। সীমান্ত হত্যা, পুশ ইন, ভারতে গণহত্যাকারী হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া, সেখানে দলীয় কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেখানে প্রেস ব্রিফিং করছে এবং দিল্লি সরকার এটা হতে দিচ্ছে। দিল্লির এই যে আগ্রাসী রূপ, এটা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে পারতেন।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কথা। সে নির্বাচন দফায় দফায় পিছানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন দলীয়করণ করে নির্বাচনটাকে যাতে ফেয়ার না হয়, সরকার সে ধরনের বন্দোবস্তের চেষ্টা করছে। আমরা এটা স্পষ্টভাবে বলব, যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নূন্যতম আশঙ্কা তৈরি হয় যে এই নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করা হবে, তাহলে কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের মত দেশের স্থিতিশীলতার কথা ভেবে আমরা বসে থাকবো না। আমরা এটা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করব।’

রাষ্ট্রের সংস্কার ঠেকাতে সরকার সংবিধান সংশোধন কমিটির নাটক করছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে একটি কমিটি করা হয়েছে। সংশোধনের নামে সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে ধুলিসাৎ করার একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কমিটি। আমরা রাষ্ট্রের কসমেটিক্সের সার্জারি চাই না। আমরা চাই মৌলিক সংস্কার। এর আগেও ১৭ বার সংশোধন হয়েছে। কোনটাই মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাই আমরা বলব যে দ্রুত সময়ে এই নাটক বন্ধ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে।’
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও দখলবাজি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্যমন্ত্রী সারজিস আলমসহ সর্বোচ্চ পরিষদ রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রাইমারি নিয়োগে প্রায় আড়াই হাজার জন চাকরি প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা সন্ত্রাসী সংগঠন বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম এ ধরনের কোন সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ নেই। এমনকি যারা আমাদের আন্দোলনের সহযোদ্ধা ছিলেন, এরকম অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই চাকরিপ্রার্থীদের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি আছে। যদি একজন চাকরি প্রার্থীকে অন্যায্যভাবে বাদ দেওয়া হয়, আমরা তার জন্য লড়বো।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণে জনগণের প্রত্যাশা উঠে আসেনি। সেখানে তিনি তার দলীয় যে ইশতেহার, যে এজেন্ডা ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন এই ধরনের অনেক কিছু বলেছেন। অলরেডি এই প্রকল্পগুলো দেশে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট, হরমুজ প্রণালি নিরাপত্তা, আমরা যেন জ্বালানি পাই সেটা তিনি তুলে ধরতে পারেননি। সীমান্ত হত্যা, পুশ ইন, ভারতে গণহত্যাকারী হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া, সেখানে দলীয় কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেখানে প্রেস ব্রিফিং করছে এবং দিল্লি সরকার এটা হতে দিচ্ছে। দিল্লির এই যে আগ্রাসী রূপ, এটা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে পারতেন।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কথা। সে নির্বাচন দফায় দফায় পিছানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন দলীয়করণ করে নির্বাচনটাকে যাতে ফেয়ার না হয়, সরকার সে ধরনের বন্দোবস্তের চেষ্টা করছে। আমরা এটা স্পষ্টভাবে বলব, যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নূন্যতম আশঙ্কা তৈরি হয় যে এই নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করা হবে, তাহলে কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের মত দেশের স্থিতিশীলতার কথা ভেবে আমরা বসে থাকবো না। আমরা এটা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করব।’

রাষ্ট্রের সংস্কার ঠেকাতে সংবিধান সংশোধন কমিটির নাটক করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রের সংস্কার ঠেকাতে সরকার সংবিধান সংশোধন কমিটির নাটক করছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে একটি কমিটি করা হয়েছে। সংশোধনের নামে সংস্কারের আকাঙ্ক্ষাকে ধুলিসাৎ করার একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কমিটি। আমরা রাষ্ট্রের কসমেটিক্সের সার্জারি চাই না। আমরা চাই মৌলিক সংস্কার। এর আগেও ১৭ বার সংশোধন হয়েছে। কোনটাই মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাই আমরা বলব যে দ্রুত সময়ে এই নাটক বন্ধ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে।’
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, সাম্প্রতিক চাঁদাবাজি ও দখলবাজি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্যমন্ত্রী সারজিস আলমসহ সর্বোচ্চ পরিষদ রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রাইমারি নিয়োগে প্রায় আড়াই হাজার জন চাকরি প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা সন্ত্রাসী সংগঠন বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম এ ধরনের কোন সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ নেই। এমনকি যারা আমাদের আন্দোলনের সহযোদ্ধা ছিলেন, এরকম অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই চাকরিপ্রার্থীদের পাশে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি আছে। যদি একজন চাকরি প্রার্থীকে অন্যায্যভাবে বাদ দেওয়া হয়, আমরা তার জন্য লড়বো।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণে জনগণের প্রত্যাশা উঠে আসেনি। সেখানে তিনি তার দলীয় যে ইশতেহার, যে এজেন্ডা ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন এই ধরনের অনেক কিছু বলেছেন। অলরেডি এই প্রকল্পগুলো দেশে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট, হরমুজ প্রণালি নিরাপত্তা, আমরা যেন জ্বালানি পাই সেটা তিনি তুলে ধরতে পারেননি। সীমান্ত হত্যা, পুশ ইন, ভারতে গণহত্যাকারী হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া, সেখানে দলীয় কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেখানে প্রেস ব্রিফিং করছে এবং দিল্লি সরকার এটা হতে দিচ্ছে। দিল্লির এই যে আগ্রাসী রূপ, এটা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে পারতেন।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কথা। সে নির্বাচন দফায় দফায় পিছানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন দলীয়করণ করে নির্বাচনটাকে যাতে ফেয়ার না হয়, সরকার সে ধরনের বন্দোবস্তের চেষ্টা করছে। আমরা এটা স্পষ্টভাবে বলব, যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নূন্যতম আশঙ্কা তৈরি হয় যে এই নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করা হবে, তাহলে কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের মত দেশের স্থিতিশীলতার কথা ভেবে আমরা বসে থাকবো না। আমরা এটা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করব।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফেরানো সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম







