জাসদ কার্যালয় থেকে আটকদের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

জাসদ কার্যালয় থেকে আটকদের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
সিজেডএন ডেস্ক

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আটক ২৮৯ জনের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে জাসদ কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আটক বাকি ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ২৭ জনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত ২৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের শুনানি হবে আগামীকাল।
সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে ২৭ জনকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার দেখানো ব্যক্তিরা হলেন মো. দিনারুল আলম (৫০), ইমান আহম্মেদ (৪৫), মোল্লা মোহাম্মদ শাহাজাহান সিরাজ (৩৭), জয় সরকার (৩১), মো. মিরাজ আহমেদ (১৯), মো. মিরাজ মল্লিক (৩৯), মো. রবিউল ইসলাম (৪২), মিলন কুমার (৩৯), মো. কাউসার হোসেন (৫০), শ্রী অন্তর শিল (৪০), জালাল উদ্দিন মণ্ডল (৫৫), আবদুল লতিফ (৪৬), শামীম আহমেদ (৩০), আহম্মেদ আহসান হাবিব (৪৩), মো. সুজন আলী (৩২), মো. তরিকুল ইসলাম (৩৭), মো. সাইফুল্লার সাদেক (৪৩), নয়ন আলী (৩০), সাজিদুল ইসলাম (৪০), তাজুল ইসলাম (৩৪), নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার (৪৩), আনোয়ার হোসেন (৫২), মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), মো. আল আমিন হাওলাদার (৩৯), মো. তুষার আলী (৫০), মো. রাসিদুল হক (৪৪) ও মীর মুক্তিসুর রহমান (৫১)।
আদালতে দেওয়া পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা গতকাল শনিবার জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে সেখানে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের আবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে তারা কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তারা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন—প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ২৭ জনসহ মোট ২৮৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে অধিকাংশ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল দলটির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অনুমতি নিয়েই ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ৪০০ নেতা-কর্মী অংশ নেন।
জাসদের দাবি, সভা চলার একপর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের কার্যালয়ে হামলা চালান। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে কার্যালয় ঘেরাও করে এবং নেতা-কর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়। এরপর রাতেই যাচাই-বাছাই করে আটক ব্যক্তিদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে আজ দুপুরে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চাবি দলটির নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন।

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আটক ২৮৯ জনের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে জাসদ কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আটক বাকি ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ২৭ জনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত ২৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের শুনানি হবে আগামীকাল।
সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে ২৭ জনকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার দেখানো ব্যক্তিরা হলেন মো. দিনারুল আলম (৫০), ইমান আহম্মেদ (৪৫), মোল্লা মোহাম্মদ শাহাজাহান সিরাজ (৩৭), জয় সরকার (৩১), মো. মিরাজ আহমেদ (১৯), মো. মিরাজ মল্লিক (৩৯), মো. রবিউল ইসলাম (৪২), মিলন কুমার (৩৯), মো. কাউসার হোসেন (৫০), শ্রী অন্তর শিল (৪০), জালাল উদ্দিন মণ্ডল (৫৫), আবদুল লতিফ (৪৬), শামীম আহমেদ (৩০), আহম্মেদ আহসান হাবিব (৪৩), মো. সুজন আলী (৩২), মো. তরিকুল ইসলাম (৩৭), মো. সাইফুল্লার সাদেক (৪৩), নয়ন আলী (৩০), সাজিদুল ইসলাম (৪০), তাজুল ইসলাম (৩৪), নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার (৪৩), আনোয়ার হোসেন (৫২), মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), মো. আল আমিন হাওলাদার (৩৯), মো. তুষার আলী (৫০), মো. রাসিদুল হক (৪৪) ও মীর মুক্তিসুর রহমান (৫১)।
আদালতে দেওয়া পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা গতকাল শনিবার জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে সেখানে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের আবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে তারা কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তারা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন—প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ২৭ জনসহ মোট ২৮৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে অধিকাংশ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল দলটির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অনুমতি নিয়েই ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ৪০০ নেতা-কর্মী অংশ নেন।
জাসদের দাবি, সভা চলার একপর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের কার্যালয়ে হামলা চালান। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে কার্যালয় ঘেরাও করে এবং নেতা-কর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়। এরপর রাতেই যাচাই-বাছাই করে আটক ব্যক্তিদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে আজ দুপুরে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চাবি দলটির নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন।

জাসদ কার্যালয় থেকে আটকদের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
সিজেডএন ডেস্ক

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আটক ২৮৯ জনের মধ্যে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে জাসদ কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আটক বাকি ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ২৭ জনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম।
শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত ২৭ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের শুনানি হবে আগামীকাল।
সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে ২৭ জনকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার দেখানো ব্যক্তিরা হলেন মো. দিনারুল আলম (৫০), ইমান আহম্মেদ (৪৫), মোল্লা মোহাম্মদ শাহাজাহান সিরাজ (৩৭), জয় সরকার (৩১), মো. মিরাজ আহমেদ (১৯), মো. মিরাজ মল্লিক (৩৯), মো. রবিউল ইসলাম (৪২), মিলন কুমার (৩৯), মো. কাউসার হোসেন (৫০), শ্রী অন্তর শিল (৪০), জালাল উদ্দিন মণ্ডল (৫৫), আবদুল লতিফ (৪৬), শামীম আহমেদ (৩০), আহম্মেদ আহসান হাবিব (৪৩), মো. সুজন আলী (৩২), মো. তরিকুল ইসলাম (৩৭), মো. সাইফুল্লার সাদেক (৪৩), নয়ন আলী (৩০), সাজিদুল ইসলাম (৪০), তাজুল ইসলাম (৩৪), নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার (৪৩), আনোয়ার হোসেন (৫২), মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), মো. আল আমিন হাওলাদার (৩৯), মো. তুষার আলী (৫০), মো. রাসিদুল হক (৪৪) ও মীর মুক্তিসুর রহমান (৫১)।
আদালতে দেওয়া পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিরা গতকাল শনিবার জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে সেখানে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের আবেদনে আরও বলা হয়, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে তারা কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তারা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন—প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গতকাল শনিবার বিকেলে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ২৭ জনসহ মোট ২৮৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে অধিকাংশ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ২৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল দলটির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অনুমতি নিয়েই ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ৪০০ নেতা-কর্মী অংশ নেন।
জাসদের দাবি, সভা চলার একপর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের কার্যালয়ে হামলা চালান। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে কার্যালয় ঘেরাও করে এবং নেতা-কর্মীদের আটক করে নিয়ে যায়। এরপর রাতেই যাচাই-বাছাই করে আটক ব্যক্তিদের অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে আজ দুপুরে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চাবি দলটির নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন।









