লংমার্চের ৭৭৮ গাড়ি থেকে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় পৌনে ৮ লাখ টাকা

লংমার্চের ৭৭৮ গাড়ি থেকে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় পৌনে ৮ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের খুলনা–কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে অংশ নেওয়া ৭৭৮টি যানবাহন একসঙ্গে পদ্মা সেতু পার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে সেতুর টোল বাবদ প্রায় ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায় হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়। ১০টার দিকে গাড়িবহরটি পদ্মা সেতু পার হয়।
পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের বহরে মাইক্রোবাস, কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ছিল। সব মিলিয়ে ৭৭৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে।
এর আগে, ১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ঢাকা থেকে ৬০০–৭০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ যাত্রা করবে। পথে পথে বিভিন্ন জেলা থেকে গাড়ি যুক্ত হবে বহরে। কুষ্টিয়া পৌঁছানোর পর গাড়ির সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে। দেশের ১৯টি জেলার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেন লংমার্চের নেতারা।
লংমাচের সূচী অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।এরপর যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা করবেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চের পথে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে বহরকে অভিবাদন জানাচ্ছেন। এসব স্থানে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের নেতাদের।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের খুলনা–কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে অংশ নেওয়া ৭৭৮টি যানবাহন একসঙ্গে পদ্মা সেতু পার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে সেতুর টোল বাবদ প্রায় ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায় হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়। ১০টার দিকে গাড়িবহরটি পদ্মা সেতু পার হয়।
পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের বহরে মাইক্রোবাস, কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ছিল। সব মিলিয়ে ৭৭৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে।
এর আগে, ১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ঢাকা থেকে ৬০০–৭০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ যাত্রা করবে। পথে পথে বিভিন্ন জেলা থেকে গাড়ি যুক্ত হবে বহরে। কুষ্টিয়া পৌঁছানোর পর গাড়ির সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে। দেশের ১৯টি জেলার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেন লংমার্চের নেতারা।
লংমাচের সূচী অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।এরপর যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা করবেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চের পথে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে বহরকে অভিবাদন জানাচ্ছেন। এসব স্থানে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের নেতাদের।

লংমার্চের ৭৭৮ গাড়ি থেকে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় পৌনে ৮ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের খুলনা–কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে অংশ নেওয়া ৭৭৮টি যানবাহন একসঙ্গে পদ্মা সেতু পার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে সেতুর টোল বাবদ প্রায় ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায় হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়। ১০টার দিকে গাড়িবহরটি পদ্মা সেতু পার হয়।
পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের বহরে মাইক্রোবাস, কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ছিল। সব মিলিয়ে ৭৭৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে।
এর আগে, ১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ঢাকা থেকে ৬০০–৭০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ যাত্রা করবে। পথে পথে বিভিন্ন জেলা থেকে গাড়ি যুক্ত হবে বহরে। কুষ্টিয়া পৌঁছানোর পর গাড়ির সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে। দেশের ১৯টি জেলার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেন লংমার্চের নেতারা।
লংমাচের সূচী অনুযায়ী, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।এরপর যশোরের মুড়লীর মোড় ও ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা করবেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। সবশেষে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চের পথে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে বহরকে অভিবাদন জানাচ্ছেন। এসব স্থানে অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের নেতাদের।

আ.লীগের দুর্গে ১১ দলের পথসভা, বক্তব্য রাখেন জামায়াত আমির







