জামায়াতের লংমার্চের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন গণপূর্তমন্ত্রীর

জামায়াতের লংমার্চের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন গণপূর্তমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, ‘সাত মাসে এমন কী ঘটল যে আজ বিরোধীদল (জামায়াত) এত বড় লংমার্চের আয়োজন করছে? দেশে কি সত্যিই এমন কিছু ঘটেছে, যার জন্য এত বড় লংমার্চ করার প্রয়োজন আছে?’
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার আয়োজনে ‘জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ’- এ বক্তব্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সংসদকে রাজনীতি ও দেশের সবকিছুর মূল কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে চাচ্ছেন। তবে জামায়াত নেতাদের সংসদের ভেতরে একরকম দেখা যায়, কিন্তু সংসদের বাইরে গেলে বিষয়টি অন্যরকম হয়ে যায়। সংসদে তারা যে কথা বলছেন, বাইরে একটু ভিন্ন কথা বলছেন কেন, সেটা তারাই জানেন।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিটা কী, সেটা তারাই ভালো জানেন।’
সাংবাদিকতার নামে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে নীতিমালা প্রয়োজন মন্তব্য করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনে এখন যে কেউ একটি ফোন হাতে পেলেই সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিক হওয়ার জন্য কী পরিমাণ যোগ্যতা থাকা দরকার, তা নির্ধারণে সাংবাদিকদের সঙ্গে বসে একটি নীতিমালা করা উচিত।’
সাংবাদিকদেরই এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা সম্পৃক্ত থাকলে সরকারের জন্যও কাজটি সহজ হবে।’
সাংবাদিকদের সমালোচনাকে গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভালো কাজ করলেও সমালোচনা হবে, খারাপ কাজ করলেও হবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমকে আরও জনমুখী ও জবাবদিহিমূলক করা সম্ভব।’
সমাবেশে ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মফস্বল ও তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশ নেন। তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে নানা প্রতিবন্ধকতা, ঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তৃণমূল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পরিষদের সভাপতি মো. জামাল হোসেন, সদস্যসচিব মনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও পরিষদের সদস্য আলমগীর গনি এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শাহজাহান মোল্লা প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, ‘সাত মাসে এমন কী ঘটল যে আজ বিরোধীদল (জামায়াত) এত বড় লংমার্চের আয়োজন করছে? দেশে কি সত্যিই এমন কিছু ঘটেছে, যার জন্য এত বড় লংমার্চ করার প্রয়োজন আছে?’
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার আয়োজনে ‘জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ’- এ বক্তব্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সংসদকে রাজনীতি ও দেশের সবকিছুর মূল কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে চাচ্ছেন। তবে জামায়াত নেতাদের সংসদের ভেতরে একরকম দেখা যায়, কিন্তু সংসদের বাইরে গেলে বিষয়টি অন্যরকম হয়ে যায়। সংসদে তারা যে কথা বলছেন, বাইরে একটু ভিন্ন কথা বলছেন কেন, সেটা তারাই জানেন।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিটা কী, সেটা তারাই ভালো জানেন।’
সাংবাদিকতার নামে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে নীতিমালা প্রয়োজন মন্তব্য করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনে এখন যে কেউ একটি ফোন হাতে পেলেই সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিক হওয়ার জন্য কী পরিমাণ যোগ্যতা থাকা দরকার, তা নির্ধারণে সাংবাদিকদের সঙ্গে বসে একটি নীতিমালা করা উচিত।’
সাংবাদিকদেরই এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা সম্পৃক্ত থাকলে সরকারের জন্যও কাজটি সহজ হবে।’
সাংবাদিকদের সমালোচনাকে গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভালো কাজ করলেও সমালোচনা হবে, খারাপ কাজ করলেও হবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমকে আরও জনমুখী ও জবাবদিহিমূলক করা সম্ভব।’
সমাবেশে ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মফস্বল ও তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশ নেন। তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে নানা প্রতিবন্ধকতা, ঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তৃণমূল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পরিষদের সভাপতি মো. জামাল হোসেন, সদস্যসচিব মনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও পরিষদের সদস্য আলমগীর গনি এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শাহজাহান মোল্লা প্রমুখ।

জামায়াতের লংমার্চের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন গণপূর্তমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, ‘সাত মাসে এমন কী ঘটল যে আজ বিরোধীদল (জামায়াত) এত বড় লংমার্চের আয়োজন করছে? দেশে কি সত্যিই এমন কিছু ঘটেছে, যার জন্য এত বড় লংমার্চ করার প্রয়োজন আছে?’
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার আয়োজনে ‘জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ’- এ বক্তব্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সংসদকে রাজনীতি ও দেশের সবকিছুর মূল কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে চাচ্ছেন। তবে জামায়াত নেতাদের সংসদের ভেতরে একরকম দেখা যায়, কিন্তু সংসদের বাইরে গেলে বিষয়টি অন্যরকম হয়ে যায়। সংসদে তারা যে কথা বলছেন, বাইরে একটু ভিন্ন কথা বলছেন কেন, সেটা তারাই জানেন।
তিনি বলেন, ‘রাজনীতিটা কী, সেটা তারাই ভালো জানেন।’
সাংবাদিকতার নামে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে নীতিমালা প্রয়োজন মন্তব্য করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনে এখন যে কেউ একটি ফোন হাতে পেলেই সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিক হওয়ার জন্য কী পরিমাণ যোগ্যতা থাকা দরকার, তা নির্ধারণে সাংবাদিকদের সঙ্গে বসে একটি নীতিমালা করা উচিত।’
সাংবাদিকদেরই এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা সম্পৃক্ত থাকলে সরকারের জন্যও কাজটি সহজ হবে।’
সাংবাদিকদের সমালোচনাকে গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভালো কাজ করলেও সমালোচনা হবে, খারাপ কাজ করলেও হবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমকে আরও জনমুখী ও জবাবদিহিমূলক করা সম্ভব।’
সমাবেশে ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মফস্বল ও তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশ নেন। তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে নানা প্রতিবন্ধকতা, ঝুঁকি ও নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তৃণমূল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পরিষদের সভাপতি মো. জামাল হোসেন, সদস্যসচিব মনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও পরিষদের সদস্য আলমগীর গনি এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শাহজাহান মোল্লা প্রমুখ।

৭ দফা দাবিতে জামায়াত জোটের খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ শুরু







