পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে সহিংসতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে সহিংসতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই অভিযোগ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের দাবি, সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান সংবাদমাধ্যমকে জানান, আন্দোলন সহিংস রূপ নেওয়ার পর পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপআতার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব ঘটনায় নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্থানীয় পোশাক কারখানার শ্রমিক নন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা বরিশাল, পটুয়াখালী, কক্সবাজার ও গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার উদ্দেশ্যে মিরপুরে জড়ো হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দাবি, তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পোশাক শ্রমিকদের ছদ্মবেশে কিংবা আন্দোলনকারীদের আড়ালে থেকে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে রবিবার মিরপুর এলাকায় আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেট্রোরেল স্টেশন কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। এতে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই অভিযোগ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের দাবি, সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান সংবাদমাধ্যমকে জানান, আন্দোলন সহিংস রূপ নেওয়ার পর পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপআতার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব ঘটনায় নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্থানীয় পোশাক কারখানার শ্রমিক নন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা বরিশাল, পটুয়াখালী, কক্সবাজার ও গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার উদ্দেশ্যে মিরপুরে জড়ো হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দাবি, তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পোশাক শ্রমিকদের ছদ্মবেশে কিংবা আন্দোলনকারীদের আড়ালে থেকে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে রবিবার মিরপুর এলাকায় আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেট্রোরেল স্টেশন কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। এতে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে সহিংসতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই অভিযোগ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের দাবি, সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান সংবাদমাধ্যমকে জানান, আন্দোলন সহিংস রূপ নেওয়ার পর পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপআতার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব ঘটনায় নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্থানীয় পোশাক কারখানার শ্রমিক নন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা বরিশাল, পটুয়াখালী, কক্সবাজার ও গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার উদ্দেশ্যে মিরপুরে জড়ো হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দাবি, তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা পোশাক শ্রমিকদের ছদ্মবেশে কিংবা আন্দোলনকারীদের আড়ালে থেকে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে রবিবার মিরপুর এলাকায় আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মেট্রোরেল স্টেশন কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। এতে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।









