রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে জবাবদিহির বড় ঘাটতি: টিআইবি

রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে জবাবদিহির বড় ঘাটতি: টিআইবি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক গলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দলগুলোর এই ঘাটতি অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
দলীয় অর্থায়নে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের প্রভাব, পরিবারতন্ত্র, অপরাধে জড়িতদের পদায়ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। এসব ঘাটতি দূর করতে টিআইবি দলগুরোর জন্য বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাবও তুলে ধরেছে।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই পর্যায়ে মোট ৩২টি রাজনৈতিক দলের তথ্যের ভিত্তিতে গবেষণাটি পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দলগুলোর গঠনতন্ত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, নিরীক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনাও নেই। দেশের ১৬টি রাজনৈতিক দলের জাতীয় সম্মেলন নিয়মিত নয়। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা বিএনপির মতো দলও ১০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় সম্মেলন করেনি। দলগুলো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে না। তাদের আয়-ব্যয়ের বড় অংশই কর্মসূচিভিত্তিক এবং অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হয়।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ১৮টি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হিসেবে ন্যূনতম শুদ্ধাচার ও নৈতিকতার কোনো শর্ত উল্লেখ নেই। অপরাধীদের দলীয় সদস্যপদ বা গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ ঠেকানোর কার্যকর ব্যবস্থাও নেই। দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা, ব্যয় নির্বাহ, আধিপত্য বিস্তার এবং নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্র নিয়ন্ত্রণের মতো কারণে দলগুলো অর্থ ও পেশিশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি আগ্রহী হয়।
বিগত পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১৮ থেকে ৩২ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এক বা একাধিক মামলা ছিল। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো দলেরই সুস্পষ্ট আর্থিক নীতিমালা ও কার্যপ্রণালি নেই। দলগুলো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে না। গঠনতন্ত্রে আয়-ব্যয়, সদস্যদের চাঁদার হার, অনুদান গ্রহণের শর্ত, লেনদেন, ফরম ফি, নিরীক্ষা ও আর্থিক জবাবদিহি-সংক্রান্ত নির্দেশনাও অস্পষ্ট।
এই গবেষণার জন্য ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের ইতিহাস ও অর্জনে রাজনৈতিক দলগুলোর যেমন বড় অবদান রয়েছে, তেমনি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের দায়ও তাদের রয়েছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক গলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দলগুলোর এই ঘাটতি অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
দলীয় অর্থায়নে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের প্রভাব, পরিবারতন্ত্র, অপরাধে জড়িতদের পদায়ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। এসব ঘাটতি দূর করতে টিআইবি দলগুরোর জন্য বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাবও তুলে ধরেছে।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই পর্যায়ে মোট ৩২টি রাজনৈতিক দলের তথ্যের ভিত্তিতে গবেষণাটি পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দলগুলোর গঠনতন্ত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, নিরীক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনাও নেই। দেশের ১৬টি রাজনৈতিক দলের জাতীয় সম্মেলন নিয়মিত নয়। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা বিএনপির মতো দলও ১০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় সম্মেলন করেনি। দলগুলো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে না। তাদের আয়-ব্যয়ের বড় অংশই কর্মসূচিভিত্তিক এবং অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হয়।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ১৮টি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হিসেবে ন্যূনতম শুদ্ধাচার ও নৈতিকতার কোনো শর্ত উল্লেখ নেই। অপরাধীদের দলীয় সদস্যপদ বা গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ ঠেকানোর কার্যকর ব্যবস্থাও নেই। দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা, ব্যয় নির্বাহ, আধিপত্য বিস্তার এবং নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্র নিয়ন্ত্রণের মতো কারণে দলগুলো অর্থ ও পেশিশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি আগ্রহী হয়।
বিগত পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১৮ থেকে ৩২ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এক বা একাধিক মামলা ছিল। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো দলেরই সুস্পষ্ট আর্থিক নীতিমালা ও কার্যপ্রণালি নেই। দলগুলো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে না। গঠনতন্ত্রে আয়-ব্যয়, সদস্যদের চাঁদার হার, অনুদান গ্রহণের শর্ত, লেনদেন, ফরম ফি, নিরীক্ষা ও আর্থিক জবাবদিহি-সংক্রান্ত নির্দেশনাও অস্পষ্ট।
এই গবেষণার জন্য ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের ইতিহাস ও অর্জনে রাজনৈতিক দলগুলোর যেমন বড় অবদান রয়েছে, তেমনি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের দায়ও তাদের রয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরে জবাবদিহির বড় ঘাটতি: টিআইবি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক গলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দলগুলোর এই ঘাটতি অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে।
দলীয় অর্থায়নে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালীদের প্রভাব, পরিবারতন্ত্র, অপরাধে জড়িতদের পদায়ন এবং রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। এসব ঘাটতি দূর করতে টিআইবি দলগুরোর জন্য বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাবও তুলে ধরেছে।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই পর্যায়ে মোট ৩২টি রাজনৈতিক দলের তথ্যের ভিত্তিতে গবেষণাটি পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দলগুলোর গঠনতন্ত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, নিরীক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনাও নেই। দেশের ১৬টি রাজনৈতিক দলের জাতীয় সম্মেলন নিয়মিত নয়। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা বিএনপির মতো দলও ১০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় সম্মেলন করেনি। দলগুলো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে না। তাদের আয়-ব্যয়ের বড় অংশই কর্মসূচিভিত্তিক এবং অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হয়।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ১৮টি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হিসেবে ন্যূনতম শুদ্ধাচার ও নৈতিকতার কোনো শর্ত উল্লেখ নেই। অপরাধীদের দলীয় সদস্যপদ বা গুরুত্বপূর্ণ পদ গ্রহণ ঠেকানোর কার্যকর ব্যবস্থাও নেই। দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা, ব্যয় নির্বাহ, আধিপত্য বিস্তার এবং নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্র নিয়ন্ত্রণের মতো কারণে দলগুলো অর্থ ও পেশিশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি আগ্রহী হয়।
বিগত পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১৮ থেকে ৩২ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এক বা একাধিক মামলা ছিল। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো দলেরই সুস্পষ্ট আর্থিক নীতিমালা ও কার্যপ্রণালি নেই। দলগুলো বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন করে না। গঠনতন্ত্রে আয়-ব্যয়, সদস্যদের চাঁদার হার, অনুদান গ্রহণের শর্ত, লেনদেন, ফরম ফি, নিরীক্ষা ও আর্থিক জবাবদিহি-সংক্রান্ত নির্দেশনাও অস্পষ্ট।
এই গবেষণার জন্য ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের ইতিহাস ও অর্জনে রাজনৈতিক দলগুলোর যেমন বড় অবদান রয়েছে, তেমনি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের দায়ও তাদের রয়েছে।









