মুজাফফরের তথ্য চেয়ে মেটাকে ট্রাইব্যুনালের চিঠি

মুজাফফরের তথ্য চেয়ে মেটাকে ট্রাইব্যুনালের চিঠি
সিজেডএন ডেস্ক

১৯৮১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জার কার্যক্রম-সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
বিশেষ করে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মোজাফফরের কথোপকথন ও যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা। তিনি জানান, গত সপ্তাহে ফেসবুকের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মেটার কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
জোহা বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টগুলোর সাবস্ক্রাইবার তথ্য, নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, লগইন ইতিহাস, আইপি ঠিকানা, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য (লোকেশন ডেটা) এবং মুছে ফেলা বার্তাসহ মোট ১২ ধরনের তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত বিভাগ মোজাফফরের ব্যবহৃত একটি ফেসবুক আইডির সন্ধান পেয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হওয়া সন্দেহজনক যোগাযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যেই মেটার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তদন্ত কার্যক্রমে যুক্ত ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা।
এদিকে, মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম বলেন, চলমান অন্যান্য তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আপাতত বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যান্য তদন্তের সঙ্গে মিলিয়ে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন দেখা দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে সাবেক মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২৩ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
মোজাফফরের কথোপকথন হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোর বিষয়ে জোহা বলেন, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা এবং বাংলা টাইপ-কোডে পরিচালিত কয়েকটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তার কথোপকথনের ডিজিটাল ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এসব অ্যাকাউন্ট প্রকৃত নাকি ভুয়া, তা নিশ্চিত করতেই মেটার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য, মোজাফফরের মতো একজন ব্যক্তি কেন এসব অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, অ্যাকাউন্টগুলোর পেছনে কারা রয়েছেন এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান কোথায়—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া, ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে মোজাফফরের কোনো ধরনের যোগাযোগ হয়েছিল কি না, মেটার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেলে সেই বিষয়টিও স্পষ্ট হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তানভীর হাসান জোহা।

১৯৮১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জার কার্যক্রম-সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
বিশেষ করে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মোজাফফরের কথোপকথন ও যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা। তিনি জানান, গত সপ্তাহে ফেসবুকের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মেটার কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
জোহা বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টগুলোর সাবস্ক্রাইবার তথ্য, নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, লগইন ইতিহাস, আইপি ঠিকানা, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য (লোকেশন ডেটা) এবং মুছে ফেলা বার্তাসহ মোট ১২ ধরনের তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত বিভাগ মোজাফফরের ব্যবহৃত একটি ফেসবুক আইডির সন্ধান পেয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হওয়া সন্দেহজনক যোগাযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যেই মেটার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তদন্ত কার্যক্রমে যুক্ত ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা।
এদিকে, মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম বলেন, চলমান অন্যান্য তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আপাতত বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যান্য তদন্তের সঙ্গে মিলিয়ে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন দেখা দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে সাবেক মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২৩ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
মোজাফফরের কথোপকথন হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোর বিষয়ে জোহা বলেন, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা এবং বাংলা টাইপ-কোডে পরিচালিত কয়েকটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তার কথোপকথনের ডিজিটাল ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এসব অ্যাকাউন্ট প্রকৃত নাকি ভুয়া, তা নিশ্চিত করতেই মেটার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য, মোজাফফরের মতো একজন ব্যক্তি কেন এসব অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, অ্যাকাউন্টগুলোর পেছনে কারা রয়েছেন এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান কোথায়—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া, ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে মোজাফফরের কোনো ধরনের যোগাযোগ হয়েছিল কি না, মেটার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেলে সেই বিষয়টিও স্পষ্ট হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তানভীর হাসান জোহা।

মুজাফফরের তথ্য চেয়ে মেটাকে ট্রাইব্যুনালের চিঠি
সিজেডএন ডেস্ক

১৯৮১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের ফেসবুক ও মেসেঞ্জার কার্যক্রম-সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
বিশেষ করে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা কয়েকটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মোজাফফরের কথোপকথন ও যোগাযোগসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা। তিনি জানান, গত সপ্তাহে ফেসবুকের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মেটার কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে।
জোহা বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টগুলোর সাবস্ক্রাইবার তথ্য, নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, লগইন ইতিহাস, আইপি ঠিকানা, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য (লোকেশন ডেটা) এবং মুছে ফেলা বার্তাসহ মোট ১২ ধরনের তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত বিভাগ মোজাফফরের ব্যবহৃত একটি ফেসবুক আইডির সন্ধান পেয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হওয়া সন্দেহজনক যোগাযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যেই মেটার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তদন্ত কার্যক্রমে যুক্ত ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা।
এদিকে, মোজাফফরকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম বলেন, চলমান অন্যান্য তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আপাতত বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়েছে। অন্যান্য তদন্তের সঙ্গে মিলিয়ে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন দেখা দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে সাবেক মেজর মোজাফফর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২৩ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
মোজাফফরের কথোপকথন হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোর বিষয়ে জোহা বলেন, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা এবং বাংলা টাইপ-কোডে পরিচালিত কয়েকটি অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তার কথোপকথনের ডিজিটাল ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এসব অ্যাকাউন্ট প্রকৃত নাকি ভুয়া, তা নিশ্চিত করতেই মেটার কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য, মোজাফফরের মতো একজন ব্যক্তি কেন এসব অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, অ্যাকাউন্টগুলোর পেছনে কারা রয়েছেন এবং তাদের ভৌগোলিক অবস্থান কোথায়—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ছাড়া, ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে মোজাফফরের কোনো ধরনের যোগাযোগ হয়েছিল কি না, মেটার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গেলে সেই বিষয়টিও স্পষ্ট হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তানভীর হাসান জোহা।









