সাংবাদিকতার অনন্য ব্যক্তিত্ব অমিত হাবিবশূন্য ৪ বছর

সাংবাদিকতার অনন্য ব্যক্তিত্ব অমিত হাবিবশূন্য ৪ বছর
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিকতার জগতে নিভৃতচারী হয়েও আলো ছড়ানো ব্যক্তিত্ব অমিত হাবিবের আজ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ হয়েও মেধা-মননে তিনি ছিলেন অনন্য। তার প্রয়াণে দেশের সাংবাদিকতায় যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা এখনো চলছে।
দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন অমিত হাবিব। ২০২২ সালের ২১ জুলাই বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে গুরুতর অসুস্থ হন তিনি। দ্রুত তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়। পরে তাকে ভর্তি করা হয় আগারগাঁওয়ে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে ২৮ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
১৯৬৩ সালের ২৩ অক্টোবরে জন্মগ্রহণ করেন অমিত হাবিব। ১৯৮০ সালে যশোর এমএম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে। ওই সময় থেকেই তিনি লেখালেখিতে যুক্ত হন। আশির দশকে বিচিন্তা, পূর্বাভাস, প্রিয় প্রজন্ম পত্রিকা, বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত নাটক, অনুষ্ঠানের সমালোচনা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী লেখা লিখেন তিনি।
১৯৮৭ সালে সহ-সম্পাদক হিসেবে দৈনিক খবর পত্রিকায় যোগ দেন। ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় যোগ দেন। একপর্যায়ে ভোরের কাগজ পত্রিকায় যুগ্ম বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে বার্তা সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি পান।
২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন অমিত হাবিব। এরপর ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন। সেখানে এক বছর কাজ করার পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সাংবাদিকতা জীবনে বার্তা সম্পাদক হিসেবে সবচেয়ে বেশি মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন তিনি।
২০০৯ সালে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন অমিত হাবিব। পরে এই পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় দৈনিক দেশ রূপান্তর।
ব্যতিক্রমী জীবন দর্শন নিয়ে চলা অমিত হাবিব ঝিনাইদহের মহেশপুরে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন।

সাংবাদিকতার জগতে নিভৃতচারী হয়েও আলো ছড়ানো ব্যক্তিত্ব অমিত হাবিবের আজ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ হয়েও মেধা-মননে তিনি ছিলেন অনন্য। তার প্রয়াণে দেশের সাংবাদিকতায় যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা এখনো চলছে।
দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন অমিত হাবিব। ২০২২ সালের ২১ জুলাই বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে গুরুতর অসুস্থ হন তিনি। দ্রুত তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়। পরে তাকে ভর্তি করা হয় আগারগাঁওয়ে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে ২৮ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
১৯৬৩ সালের ২৩ অক্টোবরে জন্মগ্রহণ করেন অমিত হাবিব। ১৯৮০ সালে যশোর এমএম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে। ওই সময় থেকেই তিনি লেখালেখিতে যুক্ত হন। আশির দশকে বিচিন্তা, পূর্বাভাস, প্রিয় প্রজন্ম পত্রিকা, বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত নাটক, অনুষ্ঠানের সমালোচনা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী লেখা লিখেন তিনি।
১৯৮৭ সালে সহ-সম্পাদক হিসেবে দৈনিক খবর পত্রিকায় যোগ দেন। ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় যোগ দেন। একপর্যায়ে ভোরের কাগজ পত্রিকায় যুগ্ম বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে বার্তা সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি পান।
২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন অমিত হাবিব। এরপর ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন। সেখানে এক বছর কাজ করার পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সাংবাদিকতা জীবনে বার্তা সম্পাদক হিসেবে সবচেয়ে বেশি মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন তিনি।
২০০৯ সালে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন অমিত হাবিব। পরে এই পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় দৈনিক দেশ রূপান্তর।
ব্যতিক্রমী জীবন দর্শন নিয়ে চলা অমিত হাবিব ঝিনাইদহের মহেশপুরে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন।

সাংবাদিকতার অনন্য ব্যক্তিত্ব অমিত হাবিবশূন্য ৪ বছর
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিকতার জগতে নিভৃতচারী হয়েও আলো ছড়ানো ব্যক্তিত্ব অমিত হাবিবের আজ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ হয়েও মেধা-মননে তিনি ছিলেন অনন্য। তার প্রয়াণে দেশের সাংবাদিকতায় যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা এখনো চলছে।
দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন অমিত হাবিব। ২০২২ সালের ২১ জুলাই বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে গুরুতর অসুস্থ হন তিনি। দ্রুত তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়। পরে তাকে ভর্তি করা হয় আগারগাঁওয়ে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে ২৮ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
১৯৬৩ সালের ২৩ অক্টোবরে জন্মগ্রহণ করেন অমিত হাবিব। ১৯৮০ সালে যশোর এমএম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে। ওই সময় থেকেই তিনি লেখালেখিতে যুক্ত হন। আশির দশকে বিচিন্তা, পূর্বাভাস, প্রিয় প্রজন্ম পত্রিকা, বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত নাটক, অনুষ্ঠানের সমালোচনা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণধর্মী লেখা লিখেন তিনি।
১৯৮৭ সালে সহ-সম্পাদক হিসেবে দৈনিক খবর পত্রিকায় যোগ দেন। ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় যোগ দেন। একপর্যায়ে ভোরের কাগজ পত্রিকায় যুগ্ম বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে বার্তা সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি পান।
২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন অমিত হাবিব। এরপর ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন। সেখানে এক বছর কাজ করার পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সাংবাদিকতা জীবনে বার্তা সম্পাদক হিসেবে সবচেয়ে বেশি মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন তিনি।
২০০৯ সালে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন অমিত হাবিব। পরে এই পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় দৈনিক দেশ রূপান্তর।
ব্যতিক্রমী জীবন দর্শন নিয়ে চলা অমিত হাবিব ঝিনাইদহের মহেশপুরে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন।

সাংবাদিক আবু হেনা রাসেল আর নেই







