শিরোনাম

জুলাই আন্দোলনের দুই বছর: নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই আন্দোলনের দুই বছর: নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব
(উপরে বাঁ থেকে) এম জে এইচ নোমান ও মো. মেহেদী হাসান এবং (নিচে বাঁ থেকে) আব্দুল আলিম আরিফ ও ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল। কোলাজ: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন ছাত্রনেতা ও কর্মীরা তুলে ধরেছেন তাদের প্রাপ্তি, প্রত্যাশা ও হতাশার কথা। তাদের মতে, সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য পূরণ হলেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার, বাকস্বাধীনতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মতো প্রত্যাশার বড় অংশ এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে।

বিগত সময়ে দেশে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অবদান। নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য অনন্য ভূমিকা রেখেছিল। তার কয়েক দশক পরে শেখ হাসিনার দীর্ঘ একনায়কতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটানোর সূচনাটি হয়েছিল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই। সরকারি চাকরির কোটা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তরুণসমাজের মধ্যে যে ক্ষোভের বারুদ জমতে থাকে, তাই একসময় ধসিয়ে দেয় শেখ হাসিনার মসনদ।

২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই দানা বেঁধেছিল জুলাইয়ের শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন। ৩৬ দিনের এই আন্দোলনে রাজপথের মূল দায়িত্বে ছিল বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকারীরা। তবে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদল, ইসলামি ছাত্রশিবিরসহ অন্যান্য সংগঠনগুলোরও ভূমিকা ছিল অভূতপূর্ব।

চাকরির কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলন একপর্যায়ে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে সেই এক দফা দাবি পূরণ হয়।

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ-এ উঠে আসে তখনকার কিছু স্মৃতিচারণ।

নিচে তাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির কথা যা তুলে ধরা হলো–

মায়ের আকুতি ও রাজপথের ডাক

এম জে এইচ নোমান

​২০২৪ সালের জুলাইয়ের সেই অগ্নিঝরা দিনগুলোর কথা মনে পড়লে আজও গা শিউরে ওঠে। মা ব্যাকুল হয়ে বলতেন– ‘বাবা, তোমার কিছু হলে আমি বাঁচবো কীভাবে?’

​কিন্তু রাজপথে তরুণদের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই আর মুক্তির ডাক মায়ের সেই মমতামাখা ভয়কেও ছাপিয়ে গিয়েছিল। সমস্ত ভয় আর মৃত্যুর শঙ্কা উপেক্ষা করে নেমে পড়েছিলাম রাজপথে।​

১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বর্বর হামলার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তীব্র প্রতিরোধের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকেই রাজপথে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নেয়। ১৬ জুলাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নিজেদের অটল রেখেছিলাম।

মায়ের আকুতি ও রাজপথের ডাক
২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্দোলন চলাকালের সময়ের চিত্র

​১৯ জুলাই: রক্তে ভেজা পুরান ঢাকা

​জুলাইয়ের ১৯ তারিখ– দিনটি কখনোই ভুলবার নয়। পুরান ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজের সামনে ঘটে এক নৃশংস ও বর্বর হত্যাকাণ্ড। চোখের সামনে দেখলাম নির্মমতার সর্বোচ্চ রূপ। স্বৈরাচারের বুলেটে মাথার মগজ বের হয়ে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি সহযোদ্ধাদের।

আমাদের চোখের সামনে শহীদ হন ৪ জন বীর সেনানী (চার শিক্ষার্থী হলেন ওমর ফারুক, তাওহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ জিহাদ এবং ইকরাম হোসেন কাওসার)। ঠিক পাশে থাকা সহযোদ্ধাকে হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হতে দেখে জীবনের তোয়াক্কা না করে দৌড়ে গিয়ে রিকশা ডেকে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি।​

সেই রক্তভেজা স্মৃতি আজও রাতের ঘুম কেড়ে নেয়, তবে একই সাথে প্রতিরোধের শক্তিও জোগায়।

লেখক: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ও যুগ্ম আহ্বায়ক, ছাত্রদল, কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা।


জুলাই বিপ্লবে সম্মুখ সারির যোদ্ধা দেশের আমজনতা

আব্দুল আলিম আরিফ

​২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ও জুলাই বিপ্লবে আমাদের ভূমিকা, বর্তমান অবস্থান এবং প্রত্যাশা-প্রাপ্তির সার্বিক প্রেক্ষাপট থেকে যদি বলি– বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনটি যখন কেবল একটি অভ্যুত্থান হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তখনই মূলত আসল সংকটটা তৈরি হয়।

​আমরা সবসময় চেয়েছি এবং চেষ্টা করেছি যেন এই জুলাইকে একটি ‘বিপ্লব’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। কারণ, আমরা কেবল শাসকের রদবদল বা ক্ষমতার পরিবর্তন চাই না; আমরা চাই পুরো সমাজব্যবস্থা ও কাঠামোগত পরিবর্তন। কারণ নিয়ম বা কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তন না হলে বারবার ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার যে মানসিকতা বা অপচেষ্টা, তা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।

‘ক্রিটিক্যাল পরিস্থিতিতে আন্দোলন চালিয়েছি’
জুলাই আন্দোলন চলাকালে আব্দুল আলিম আরিফ

​জুলাই বিপ্লবে আমরা সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে যাদের দেখেছি– তারা এই দেশের আমজনতা। শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ন্যায্য দাবির সাথে গোটা বাংলাদেশের মানুষ একাত্ম হয়েছিল। এটি কেবল বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই নয়; আমরা দেখেছি নেপালে কিংবা ভারতের ককবরক জনতা পার্টির আন্দোলনের ক্ষেত্রেও– শিক্ষার্থীরা যখন কোনো যৌক্তিক ও নৈতিক দাবি নিয়ে মাঠে নামে, তখন সর্বস্তরের জনগণ তাদের সাথে শামিল হয়। সেই জায়গা থেকে আমরা মনে করি, এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অবস্থান একেবারেই সঠিক ছিল।​

তবে আমাদের মূল যে প্রত্যাশা ছিল, বর্তমান ক্ষমতাসীন বা রুলিং পার্টি সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বরং জনগণের এই অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা পরিস্থিতিকে আবারও একটি বিপ্লবের দিকে ধাবিত করছে।

প্রত্যাশা: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই

বর্তমান সরকারি দল যেন জুলাই বিপ্লবের মূল স্পিরিট ও চেতনাকে ধারণ করে। কারণ এই জুলাই বিপ্লবের ওপর ভর করেই তারা আজ ক্ষমতায় এসেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যেসব কাঠামোগত ও যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সরকার যেন দ্রুত সেসব ভূমিকা পালন করে।

লেখক: জিএস, জকসু এবং সভাপতি, ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।


‘ক্রিটিক্যাল পরিস্থিতিতে আন্দোলন চালিয়েছি’

মো. মেহেদী হাসান

‘৫ আগস্টে আমার ভূমিকার কথা যদি বলি, তাহলে আমি প্রথম দিক থেকেই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলাম। প্রথম ৬৫ জনের কমিটিতে আমি ছিলাম, তারপর ৫৮ জনের কমিটিতে সহ-সমন্বয়ক হিসেবে ছিলাম। আন্দোলনের প্রথম থেকেই ক্যাম্পাসে সমন্বয় করেছি। ৭ তারিখ থেকে প্রথম আন্দোলন শুরু করি ক্যাম্পাসে, সব দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে।

জুলাই বিপ্লবে সম্মুখ সারির যোদ্ধা দেশের আমজনতা
জুলাই আন্দোলন চলাকালে জাতীয় পতাকা হাতে মো. মেহেদী হাসান

পরবর্তীতে আসলে দিন যত যায়, সেটা আরও ক্রিটিক্যাল অবস্থা হয়। তখন দেখা যায়, একটা সময় গিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আমাদের আন্দোলন করা লাগে। আমার জায়গা থেকে আমাকে তখন পুরান ঢাকা ছাড়তে হয়, ধানমন্ডিতে থাকি বা মাঝে আমার বাড়ি যাওয়া হয়, আবার ঢাকায় আসা– সব মিলিয়ে আন্দোলনের শেষের দিকে সমন্বয় করাটা খুব কঠিন ছিল।

দিনশেষে তবুও সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি নিজের জায়গা থেকে, সিনিয়র-জুনিয়র সবার সাথে সমন্বয় করে, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সাথে সমন্বয় করে আন্দোলনটা চালিয়ে যাওয়ার।

‘রাজনীতি থেকে দূরে আছি’

বর্তমানে আপাতত রাজনৈতিক যে পরিবর্তনটা চেয়েছিলাম, সেই জায়গাটা এখনো আমার চাহিদা বা মনের মতো হয়নি। তাই এখন আপাতত রাজনীতি থেকে দূরে আছি, কিংবা বিভিন্ন পারিপার্শ্বিকতার কারণে আপাতত রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছি।

​তবে দিনশেষে, আবারও যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে বা দেশের প্রয়োজনে দরকার হবে, আবারও আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ। আর যেদিন নিজের টাকা-পয়সা হবে, নিজের টাকায় রাজনীতি করতে পারব, সেদিন হয়তো আবারও রাজনীতিতে ফিরবো, ইনশাআল্লাহ।

‘জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক তালবাহানা পীড়াদায়ক’

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির জায়গা যদি বলি, প্রত্যাশা তো ছিল আকাশসম। কিন্তু প্রাপ্তির জায়গাটা খুবই ক্ষীণ। কারণ, ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আমরা যেসব জিনিস চেয়েছি, কিছু কিছুটা পূরণ হলেও সম্পূর্ণ পূরণ হতে পারে নাই।

দেশের রাজনৈতিক বিভিন্ন সংস্কৃতির কারণে সেটা ব্যাঘাত ঘটেছে, যার জন্য অনেক কিছু সম্ভব হয়নি। আর বর্তমানে বাকস্বাধীনতা খুবই বাজে অবস্থায় চলে গেছে। যেখানে কথা বলতে গেলে চিন্তা করতে হয়, বা দেশের বর্তমান নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ঊর্ধ্বগতি, যেটা আসলে জনজীবনকে খুবই বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। যেটা দিনশেষে দেশ এবং সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ক্ষতিকর। আর বিশেষভাবে জুলাই সনদ নিয়ে যে রাজনৈতিক টালবাহানা, সেটা কিনা খুবই কষ্ট এবং পীড়াদায়ক। কারণ আমরা যেজন্য যে প্রত্যাশা নিয়ে, যে আশা নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, সেটা দিনশেষে নানা কারণে কিছুটা এখন অপ্রাপ্তিতে থেকে যাচ্ছে।

লেখক: সাবেক সহ-সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।


২৪-এর গণঅভ্যুত্থানেও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ছাত্রদল

ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল

শুধুমাত্র এই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দিয়ে আমাদের পুরো সংগ্রামের ঘটনা বিবেচনা করা যাবে না। আমাদের এই ৩৬ দিন শুধু সংগ্রাম ছিল না, ছিল ১৭ বছরের সংগ্রাম। আমাদের প্রথমে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আমরা কখনোই এক মুহূর্তের জন্য আপস করি নাই। আমাদের ছাত্রদলের এই সংগ্রাম দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে যেরকম বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, এবারের ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানেও সেরকম বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

‘ক্রিটিক্যাল পরিস্থিতিতে আন্দোলন চালিয়েছি’  ২
ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালের স্লোগানে কম্পিত হতো জুলাইয়ের রাজপথ

‘ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই’

‘আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। কিন্তু একটি পক্ষ এখনো ষড়যন্ত্র থামায়নি। তারা বিভিন্নভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তাদের কথাবার্তার ধরন ফ্যাসিস্ট হাসিনার কথাবার্তার সাথে মিলে যায়। তাদের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় যে, হাসিনা কথাবার্তা বলছে। তারা নিজেদেরকে সরকারি দল ভাবে। এখন মনে হয়, হয়তো তারা ক্ষমতার মোহে পড়েছিল, বা স্বপ্নে দেখেছিল তারা সরকারি দল হবে। সেই মিথ থেকে বা সেই ভ্রম থেকে, স্মৃতিভ্রম থেকে তারা বের হতে পারছে না।

‘ক্রিটিক্যাল পরিস্থিতিতে আন্দোলন চালিয়েছি’ (1)
জুলাই আন্দোলনে আহতের সেবায় ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল

রাষ্ট্র মেরামতের জন্য আমাদের যে ৩১ দফা কর্মসূচি রয়েছে, তা দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলেই প্রকৃত অর্থে স্বাধীন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে একটি উন্নত রাষ্ট্র গড়ার যে স্বপ্ন আমরা দেখি, সেটিও বাস্তবে রূপ নেবে। ইনশাআল্লাহ, তখনই সেই লক্ষ্য চূড়ান্তভাবে অর্জিত হবে।

লেখক: সহসভাপতি, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।

উল্লেখ, আন্দোলনকারী নেতাদের স্মৃতিতে আন্দোলন যেমন এক বীরত্বপূর্ণ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ইতিহাস, তেমনি ৫ আগস্টের পর তাদের প্রাপ্তির খাতায় রয়েছে কিছুটা শূন্যতা ও হতাশা। দেশের প্রকৃত সংস্কার, বাকস্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এই বিপ্লবের মূল লক্ষ্য অর্জিত হতে পারে– এমনটাই উঠে এসেছে তাদের বক্তব্যে।

/এফআর/