অনুমোদন ছাড়াই ঠিকাদারকে বাড়তি বিল দিয়েছেন পিডি মুরাদ

অনুমোদন ছাড়াই ঠিকাদারকে বাড়তি বিল দিয়েছেন পিডি মুরাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৪ সালে শুরু হওয়া ঢাকা ওয়াসার ‘ঢাকা পরিবেশবান্ধব টেকসই পানি সরবরাহ প্রকল্প (তৃতীয়বার সংশোধিত)’ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। একটা পর্যায়ে ধরা পড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি হয়েছে। এ কারণে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে। আইএমইডি তদন্তে উঠে এসেছে নানা দুর্নীতির মধ্যে প্রকল্প পরিচালক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদ ঠিকাদারকে অতিরিক্ত বিল দেওয়ার মতো কাজও করেছেন।
অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল অনুমোদিত আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ২৪৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে নানা সংশোধনের মাধ্যমে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ৯৭৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০৯ শতাংশ ও মেয়াদ বৃদ্ধির হার ১২৬.৭৬ শতাংশ। গত ১১ বছর ৯ মাসে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি ৯০ দশমিক ২০ শতাংশ, যা মোটেই প্রত্যাশিত না। এ ক্ষেত্রে কাজের ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনা স্পষ্ট।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ৯২৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ ঠিকাদারকে এ প্যাকেজের চুক্তি মূল্যের চেয়ে ৯২৩.২৬ কোটি টাকা (৩০.৭১ শতাংশ) অতিরিক্ত বিল দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি ব্যয়ের জন্য সিসিজিপির কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি, যা আর্থিক শৃঙ্খলা ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিআর) পরিপন্থি।

২০১৪ সালে শুরু হওয়া ঢাকা ওয়াসার ‘ঢাকা পরিবেশবান্ধব টেকসই পানি সরবরাহ প্রকল্প (তৃতীয়বার সংশোধিত)’ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। একটা পর্যায়ে ধরা পড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি হয়েছে। এ কারণে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে। আইএমইডি তদন্তে উঠে এসেছে নানা দুর্নীতির মধ্যে প্রকল্প পরিচালক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদ ঠিকাদারকে অতিরিক্ত বিল দেওয়ার মতো কাজও করেছেন।
অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল অনুমোদিত আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ২৪৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে নানা সংশোধনের মাধ্যমে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ৯৭৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০৯ শতাংশ ও মেয়াদ বৃদ্ধির হার ১২৬.৭৬ শতাংশ। গত ১১ বছর ৯ মাসে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি ৯০ দশমিক ২০ শতাংশ, যা মোটেই প্রত্যাশিত না। এ ক্ষেত্রে কাজের ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনা স্পষ্ট।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ৯২৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ ঠিকাদারকে এ প্যাকেজের চুক্তি মূল্যের চেয়ে ৯২৩.২৬ কোটি টাকা (৩০.৭১ শতাংশ) অতিরিক্ত বিল দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি ব্যয়ের জন্য সিসিজিপির কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি, যা আর্থিক শৃঙ্খলা ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিআর) পরিপন্থি।

অনুমোদন ছাড়াই ঠিকাদারকে বাড়তি বিল দিয়েছেন পিডি মুরাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৪ সালে শুরু হওয়া ঢাকা ওয়াসার ‘ঢাকা পরিবেশবান্ধব টেকসই পানি সরবরাহ প্রকল্প (তৃতীয়বার সংশোধিত)’ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। একটা পর্যায়ে ধরা পড়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি হয়েছে। এ কারণে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে। আইএমইডি তদন্তে উঠে এসেছে নানা দুর্নীতির মধ্যে প্রকল্প পরিচালক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদ ঠিকাদারকে অতিরিক্ত বিল দেওয়ার মতো কাজও করেছেন।
অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল অনুমোদিত আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ২৪৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে নানা সংশোধনের মাধ্যমে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ৯৭৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০৯ শতাংশ ও মেয়াদ বৃদ্ধির হার ১২৬.৭৬ শতাংশ। গত ১১ বছর ৯ মাসে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি ৯০ দশমিক ২০ শতাংশ, যা মোটেই প্রত্যাশিত না। এ ক্ষেত্রে কাজের ধীরগতি ও অব্যবস্থাপনা স্পষ্ট।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ৯২৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ ঠিকাদারকে এ প্যাকেজের চুক্তি মূল্যের চেয়ে ৯২৩.২৬ কোটি টাকা (৩০.৭১ শতাংশ) অতিরিক্ত বিল দেওয়া হয়েছে। এই বাড়তি ব্যয়ের জন্য সিসিজিপির কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি, যা আর্থিক শৃঙ্খলা ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিআর) পরিপন্থি।









