‘নৌকা’ স্থগিত রেখে ১২০ প্রতীক চূড়ান্ত, যুক্ত হলো ‘না’

‘নৌকা’ স্থগিত রেখে ১২০ প্রতীক চূড়ান্ত, যুক্ত হলো ‘না’
সিজেডএন ডেস্ক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১২০টি নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তালিকায় ‘নৌকা’ প্রতীক স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ব্যালটে ‘না’ প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।
‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮’ সংশোধন করে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে বলা হয়েছে, অনুচ্ছেদ ২০-এর দফা (১)-এর অধীন স্থগিতকৃত প্রতীক ছাড়া নির্ধারিত তালিকা থেকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে।
ইসির সংশোধিত তালিকায় থাকা সংরক্ষিত ১২০টি প্রতীকগুলো হলো- আনারস, আপেল, আম, আলমিরা, ঈগল, উট, গরুর গাড়ি, গাভী, গামছা, গোলাপ ফুল, ঘণ্টা, ঘুড়ি, ট্রাক, ট্রাক্টর, ডাব, ড্রেসিং টেবিল ও ঢেঁকি। এছাড়া রয়েছে, তারা, ফুলের মালা, বই, বক, বটগাছ, বাইসাইকেল, বাঘ, রকেট, রিকশা, রেল ইঞ্জিন, লাঙল, লিচু, শাপলা কলি, উদীয়মান সূর্য, একতারা, কবুতর, কম্পিউটার, কলম, কলস, কলার ছড়ি ও কাঁচি।
কাঁঠাল, কাপ-পিরিচ, কাস্তে, কুঁড়ে ঘর, কুড়াল, কুমির, কুলা, কেটলি, কোদাল, খেজুর গাছ, ঘোড়া, চশমা, চাকা, চাবি, চিংড়ি, চিরুনি, চেয়ার, ছড়ি, ছাতা, জগ, জাহাজ, টর্চ লাইট, টিউবওয়েলও তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া রয়েছে, টেবিল, টেবিল ঘড়ি, টেবিল ল্যাম্প, টেলিফোন, টেলিভিশন, তালা, থালা, দাঁড়িপাল্লা, দালান, দেওয়াল ঘড়ি, দোতলা বাস, দোয়াত কলম, দোলনা, ধানের শীষ, নোঙ্গর, পাগড়ি, পানির ট্যাপ ও পালকি।
তালিকায় আরও রয়েছে, প্রজাপতি, ফুলের ঝুড়ি, ফুটবল, ফুলকপি, বালতি, বেবী টেক্সি, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব, মই, মগ, ময়ূর, মশাল, মাইক, মাছ, মাথাল, মিনার, মোটরগাড়ি (কার), মোটরসাইকেল, মোড়া ও মোবাইল ফোন। এছাড়াও আছে- মোমবাতি, মোরগ, সিংহ, সিঁড়ি, সূর্যমুখী ফুল, সেলাই মেশিন, সোনালী আঁশ, সোফা, হরিণ, হাঁস, হাত (পাঞ্জা), হাতঘড়ি, হাতপাখা, হাতি, হাতুড়ি, হারিকেন, হুক্কা, হেলিকপ্টার ও হ্যান্ডশেক। আর নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ‘না’ প্রতীক। তবে তালিকায় ৬৫ নম্বরে থাকা ‘নৌকা’ প্রতীকের পাশে স্পষ্টভাবে ‘স্থগিত’ উল্লেখ করে বরাদ্দযোগ্য প্রতীকের বাইরে রাখা হয়েছে।
নির্বাচনী আর্থিক লেনদেন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি প্রার্থীর নিয়োজিত নির্বাচনি এজেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহারেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।
এছাড়া প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামার বিধান শিথিল করা হয়েছে। নতুন নিয়মে প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান এবং অন্যান্য নির্ভরশীলদের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করে তা ‘ঐচ্ছিক’ হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি আইনি জটিলতা এড়াতে ফৌজদারি মামলার তথ্যের ক্ষেত্রে ‘অভিযুক্ত’ শব্দের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘অভিযুক্ত’ বলতে কেবল সেই আসামিকে বোঝাবে, যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ বা চার্জ গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১২০টি নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তালিকায় ‘নৌকা’ প্রতীক স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ব্যালটে ‘না’ প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।
‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮’ সংশোধন করে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে বলা হয়েছে, অনুচ্ছেদ ২০-এর দফা (১)-এর অধীন স্থগিতকৃত প্রতীক ছাড়া নির্ধারিত তালিকা থেকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে।
ইসির সংশোধিত তালিকায় থাকা সংরক্ষিত ১২০টি প্রতীকগুলো হলো- আনারস, আপেল, আম, আলমিরা, ঈগল, উট, গরুর গাড়ি, গাভী, গামছা, গোলাপ ফুল, ঘণ্টা, ঘুড়ি, ট্রাক, ট্রাক্টর, ডাব, ড্রেসিং টেবিল ও ঢেঁকি। এছাড়া রয়েছে, তারা, ফুলের মালা, বই, বক, বটগাছ, বাইসাইকেল, বাঘ, রকেট, রিকশা, রেল ইঞ্জিন, লাঙল, লিচু, শাপলা কলি, উদীয়মান সূর্য, একতারা, কবুতর, কম্পিউটার, কলম, কলস, কলার ছড়ি ও কাঁচি।
কাঁঠাল, কাপ-পিরিচ, কাস্তে, কুঁড়ে ঘর, কুড়াল, কুমির, কুলা, কেটলি, কোদাল, খেজুর গাছ, ঘোড়া, চশমা, চাকা, চাবি, চিংড়ি, চিরুনি, চেয়ার, ছড়ি, ছাতা, জগ, জাহাজ, টর্চ লাইট, টিউবওয়েলও তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া রয়েছে, টেবিল, টেবিল ঘড়ি, টেবিল ল্যাম্প, টেলিফোন, টেলিভিশন, তালা, থালা, দাঁড়িপাল্লা, দালান, দেওয়াল ঘড়ি, দোতলা বাস, দোয়াত কলম, দোলনা, ধানের শীষ, নোঙ্গর, পাগড়ি, পানির ট্যাপ ও পালকি।
তালিকায় আরও রয়েছে, প্রজাপতি, ফুলের ঝুড়ি, ফুটবল, ফুলকপি, বালতি, বেবী টেক্সি, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব, মই, মগ, ময়ূর, মশাল, মাইক, মাছ, মাথাল, মিনার, মোটরগাড়ি (কার), মোটরসাইকেল, মোড়া ও মোবাইল ফোন। এছাড়াও আছে- মোমবাতি, মোরগ, সিংহ, সিঁড়ি, সূর্যমুখী ফুল, সেলাই মেশিন, সোনালী আঁশ, সোফা, হরিণ, হাঁস, হাত (পাঞ্জা), হাতঘড়ি, হাতপাখা, হাতি, হাতুড়ি, হারিকেন, হুক্কা, হেলিকপ্টার ও হ্যান্ডশেক। আর নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ‘না’ প্রতীক। তবে তালিকায় ৬৫ নম্বরে থাকা ‘নৌকা’ প্রতীকের পাশে স্পষ্টভাবে ‘স্থগিত’ উল্লেখ করে বরাদ্দযোগ্য প্রতীকের বাইরে রাখা হয়েছে।
নির্বাচনী আর্থিক লেনদেন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি প্রার্থীর নিয়োজিত নির্বাচনি এজেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহারেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।
এছাড়া প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামার বিধান শিথিল করা হয়েছে। নতুন নিয়মে প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান এবং অন্যান্য নির্ভরশীলদের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করে তা ‘ঐচ্ছিক’ হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি আইনি জটিলতা এড়াতে ফৌজদারি মামলার তথ্যের ক্ষেত্রে ‘অভিযুক্ত’ শব্দের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘অভিযুক্ত’ বলতে কেবল সেই আসামিকে বোঝাবে, যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ বা চার্জ গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

‘নৌকা’ স্থগিত রেখে ১২০ প্রতীক চূড়ান্ত, যুক্ত হলো ‘না’
সিজেডএন ডেস্ক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১২০টি নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তালিকায় ‘নৌকা’ প্রতীক স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ব্যালটে ‘না’ প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।
‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮’ সংশোধন করে এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে বলা হয়েছে, অনুচ্ছেদ ২০-এর দফা (১)-এর অধীন স্থগিতকৃত প্রতীক ছাড়া নির্ধারিত তালিকা থেকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে।
ইসির সংশোধিত তালিকায় থাকা সংরক্ষিত ১২০টি প্রতীকগুলো হলো- আনারস, আপেল, আম, আলমিরা, ঈগল, উট, গরুর গাড়ি, গাভী, গামছা, গোলাপ ফুল, ঘণ্টা, ঘুড়ি, ট্রাক, ট্রাক্টর, ডাব, ড্রেসিং টেবিল ও ঢেঁকি। এছাড়া রয়েছে, তারা, ফুলের মালা, বই, বক, বটগাছ, বাইসাইকেল, বাঘ, রকেট, রিকশা, রেল ইঞ্জিন, লাঙল, লিচু, শাপলা কলি, উদীয়মান সূর্য, একতারা, কবুতর, কম্পিউটার, কলম, কলস, কলার ছড়ি ও কাঁচি।
কাঁঠাল, কাপ-পিরিচ, কাস্তে, কুঁড়ে ঘর, কুড়াল, কুমির, কুলা, কেটলি, কোদাল, খেজুর গাছ, ঘোড়া, চশমা, চাকা, চাবি, চিংড়ি, চিরুনি, চেয়ার, ছড়ি, ছাতা, জগ, জাহাজ, টর্চ লাইট, টিউবওয়েলও তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া রয়েছে, টেবিল, টেবিল ঘড়ি, টেবিল ল্যাম্প, টেলিফোন, টেলিভিশন, তালা, থালা, দাঁড়িপাল্লা, দালান, দেওয়াল ঘড়ি, দোতলা বাস, দোয়াত কলম, দোলনা, ধানের শীষ, নোঙ্গর, পাগড়ি, পানির ট্যাপ ও পালকি।
তালিকায় আরও রয়েছে, প্রজাপতি, ফুলের ঝুড়ি, ফুটবল, ফুলকপি, বালতি, বেবী টেক্সি, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব, মই, মগ, ময়ূর, মশাল, মাইক, মাছ, মাথাল, মিনার, মোটরগাড়ি (কার), মোটরসাইকেল, মোড়া ও মোবাইল ফোন। এছাড়াও আছে- মোমবাতি, মোরগ, সিংহ, সিঁড়ি, সূর্যমুখী ফুল, সেলাই মেশিন, সোনালী আঁশ, সোফা, হরিণ, হাঁস, হাত (পাঞ্জা), হাতঘড়ি, হাতপাখা, হাতি, হাতুড়ি, হারিকেন, হুক্কা, হেলিকপ্টার ও হ্যান্ডশেক। আর নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ‘না’ প্রতীক। তবে তালিকায় ৬৫ নম্বরে থাকা ‘নৌকা’ প্রতীকের পাশে স্পষ্টভাবে ‘স্থগিত’ উল্লেখ করে বরাদ্দযোগ্য প্রতীকের বাইরে রাখা হয়েছে।
নির্বাচনী আর্থিক লেনদেন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি প্রার্থীর নিয়োজিত নির্বাচনি এজেন্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহারেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।
এছাড়া প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামার বিধান শিথিল করা হয়েছে। নতুন নিয়মে প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান এবং অন্যান্য নির্ভরশীলদের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য দাখিলের বাধ্যবাধকতা শিথিল করে তা ‘ঐচ্ছিক’ হিসেবে গণ্য করা হবে। পাশাপাশি আইনি জটিলতা এড়াতে ফৌজদারি মামলার তথ্যের ক্ষেত্রে ‘অভিযুক্ত’ শব্দের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা সংযোজন করা হয়েছে। নতুন ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘অভিযুক্ত’ বলতে কেবল সেই আসামিকে বোঝাবে, যার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ বা চার্জ গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর স্থানীয় নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব







