৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। কর্মসূচির প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে দলটি। এতে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
পরে সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে। এটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচির কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। ওই সময় সেনাবাহিনীর ভেতরে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সিপাহি ও জনতার অংশগ্রহণে সংঘটিত হয় বিপ্লব ও সংহতির ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।
এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। একই বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটে। এতে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি করা হয়।
পরে খালেদ মোশাররফ নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন। ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার এবং মন্ত্রিসভা ও জাতীয় সংসদ বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে ৬ নভেম্বর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দেয়। পরদিন ৭ নভেম্বর সিপাহিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের একটি অংশ রাজপথে নেমে আসে। ওই সময় জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পাল্টা অভ্যুত্থানের সময় খালেদ মোশাররফ ও তার কয়েকজন সহযোগী নিহত হন।
দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। কর্মসূচির প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে দলটি। এতে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
পরে সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে। এটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচির কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। ওই সময় সেনাবাহিনীর ভেতরে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সিপাহি ও জনতার অংশগ্রহণে সংঘটিত হয় বিপ্লব ও সংহতির ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।
এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। একই বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটে। এতে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি করা হয়।
পরে খালেদ মোশাররফ নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন। ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার এবং মন্ত্রিসভা ও জাতীয় সংসদ বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে ৬ নভেম্বর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দেয়। পরদিন ৭ নভেম্বর সিপাহিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের একটি অংশ রাজপথে নেমে আসে। ওই সময় জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পাল্টা অভ্যুত্থানের সময় খালেদ মোশাররফ ও তার কয়েকজন সহযোগী নিহত হন।
দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।

৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। কর্মসূচির প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে দলটি। এতে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
পরে সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হবে। এটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচির কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। ওই সময় সেনাবাহিনীর ভেতরে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সিপাহি ও জনতার অংশগ্রহণে সংঘটিত হয় বিপ্লব ও সংহতির ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।
এর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। একই বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান ঘটে। এতে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি করা হয়।
পরে খালেদ মোশাররফ নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন। ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার এবং মন্ত্রিসভা ও জাতীয় সংসদ বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপর প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে ৬ নভেম্বর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দেয়। পরদিন ৭ নভেম্বর সিপাহিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের একটি অংশ রাজপথে নেমে আসে। ওই সময় জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। পাল্টা অভ্যুত্থানের সময় খালেদ মোশাররফ ও তার কয়েকজন সহযোগী নিহত হন।
দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।









