জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই হতে হবে: জোনায়েদ সাকি

জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই হতে হবে: জোনায়েদ সাকি
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান বাংলাদেশে গণতন্ত্রের এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই হতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেবল একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানই যথেষ্ট নয়, একই সঙ্গে সংবিধান ও রাষ্ট্রের ক্ষমতাকাঠামোর গণতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটাতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ১৪তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জোনায়েদ সাকি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ–অভ্যুত্থান এবং চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় আজ নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ তৈরি হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ দেশের মানুষের মন থেকে ভয় দূর করে দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পতনের পথ সুগম করেছে।
রাজনৈতিক স্বৈরাচার ও অর্থনৈতিক লুটপাটকে একে অপরের পরিপূরক উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। এ সময় জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষায় ছাত্রসমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক এ প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, নতুন করে কোনো উগ্রবাদী বা বিভাজনকারী শক্তি যেন জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল নস্যাৎ করতে না পারে। একদল যেমন জাতীয়তাবাদের নামে বিভাজন তৈরি করেছিল, এখন আবার অনেকে ধর্ম বা পরিচয়ের নামে মানুষকে বিভক্ত করতে চাইছে; তারা মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারের লক্ষ্য নৈরাজ্য সৃষ্টি করা নয়। সংসদের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানো। এছাড়া তিনি জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচারে জোর দিয়ে বলেন, সকল অপরাধের বিচার অবশ্যই হতে হবে, তবে তা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়। একই সঙ্গে যেকোনো মূল্যে ঘৃণা, বিভাজন ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অপচেষ্টা রুখে দিতে ছাত্রসমাজকে আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান রিচার্ডের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সাংবাদিক ও আইনজীবী মানজুর–আল–মতিন এবং গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য তাসলিমা আখতারসহ অনেকে।

২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান বাংলাদেশে গণতন্ত্রের এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই হতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেবল একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানই যথেষ্ট নয়, একই সঙ্গে সংবিধান ও রাষ্ট্রের ক্ষমতাকাঠামোর গণতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটাতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ১৪তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জোনায়েদ সাকি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ–অভ্যুত্থান এবং চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় আজ নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ তৈরি হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ দেশের মানুষের মন থেকে ভয় দূর করে দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পতনের পথ সুগম করেছে।
রাজনৈতিক স্বৈরাচার ও অর্থনৈতিক লুটপাটকে একে অপরের পরিপূরক উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। এ সময় জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষায় ছাত্রসমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক এ প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, নতুন করে কোনো উগ্রবাদী বা বিভাজনকারী শক্তি যেন জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল নস্যাৎ করতে না পারে। একদল যেমন জাতীয়তাবাদের নামে বিভাজন তৈরি করেছিল, এখন আবার অনেকে ধর্ম বা পরিচয়ের নামে মানুষকে বিভক্ত করতে চাইছে; তারা মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারের লক্ষ্য নৈরাজ্য সৃষ্টি করা নয়। সংসদের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানো। এছাড়া তিনি জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচারে জোর দিয়ে বলেন, সকল অপরাধের বিচার অবশ্যই হতে হবে, তবে তা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়। একই সঙ্গে যেকোনো মূল্যে ঘৃণা, বিভাজন ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অপচেষ্টা রুখে দিতে ছাত্রসমাজকে আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান রিচার্ডের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সাংবাদিক ও আইনজীবী মানজুর–আল–মতিন এবং গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য তাসলিমা আখতারসহ অনেকে।

জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই হতে হবে: জোনায়েদ সাকি
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান বাংলাদেশে গণতন্ত্রের এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে উল্লেখ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই হতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেবল একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানই যথেষ্ট নয়, একই সঙ্গে সংবিধান ও রাষ্ট্রের ক্ষমতাকাঠামোর গণতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটাতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ১৪তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জোনায়েদ সাকি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ–অভ্যুত্থান এবং চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় আজ নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ তৈরি হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ দেশের মানুষের মন থেকে ভয় দূর করে দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পতনের পথ সুগম করেছে।
রাজনৈতিক স্বৈরাচার ও অর্থনৈতিক লুটপাটকে একে অপরের পরিপূরক উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। এ সময় জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষায় ছাত্রসমাজকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক এ প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, নতুন করে কোনো উগ্রবাদী বা বিভাজনকারী শক্তি যেন জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল নস্যাৎ করতে না পারে। একদল যেমন জাতীয়তাবাদের নামে বিভাজন তৈরি করেছিল, এখন আবার অনেকে ধর্ম বা পরিচয়ের নামে মানুষকে বিভক্ত করতে চাইছে; তারা মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারের লক্ষ্য নৈরাজ্য সৃষ্টি করা নয়। সংসদের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানো। এছাড়া তিনি জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচারে জোর দিয়ে বলেন, সকল অপরাধের বিচার অবশ্যই হতে হবে, তবে তা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়। একই সঙ্গে যেকোনো মূল্যে ঘৃণা, বিভাজন ও উগ্রবাদ ছড়ানোর অপচেষ্টা রুখে দিতে ছাত্রসমাজকে আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান রিচার্ডের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সাংবাদিক ও আইনজীবী মানজুর–আল–মতিন এবং গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য তাসলিমা আখতারসহ অনেকে।

‘প্রশ্নটা বিব্রতকর’, পদত্যাগের ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি
‘পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তার করতে হবে’




