‘আগের সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ’

‘আগের সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন শিল্প কারখানার উৎপাদন। এছাড়া দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বাসাবাড়িতেও কমেছে গ্যাসের চাপ। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বর্তমানে সংকট তৈরি হয়েছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘গ্যাস সংকট রয়েছে। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। অতীতে এ খাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
এ সময় তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘ওই নির্বাচন নিয়ে এখনো সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়নি। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনের বিচার না হলে তা অবিচার হবে।’
৩২ জন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, বলেন, ‘২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার যে কাউকে অবসরে পাঠাতে পারে। যাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে, তারা সবাই ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসক ছিলেন। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। চাকরির মেয়াদ বিবেচনায় তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে।’
২০১৮ সালের নির্বাচন থেকেই বাংলাদেশের ধ্বংস শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এর বিচার না হলে দেশের জন্য ভালো হবে না।’
মো. সাহাবুদ্দিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি কোনো আইনগত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন না। তবে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর আগের বা পরের কোনো বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন এ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি খাদ্য মজুত ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।’
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা থাকলেও কার্যকর মূল শুল্কহার আগের তুলনায় বেশি নয়।’

সম্প্রতি দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন শিল্প কারখানার উৎপাদন। এছাড়া দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বাসাবাড়িতেও কমেছে গ্যাসের চাপ। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বর্তমানে সংকট তৈরি হয়েছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘গ্যাস সংকট রয়েছে। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। অতীতে এ খাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
এ সময় তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘ওই নির্বাচন নিয়ে এখনো সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়নি। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনের বিচার না হলে তা অবিচার হবে।’
৩২ জন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, বলেন, ‘২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার যে কাউকে অবসরে পাঠাতে পারে। যাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে, তারা সবাই ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসক ছিলেন। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। চাকরির মেয়াদ বিবেচনায় তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে।’
২০১৮ সালের নির্বাচন থেকেই বাংলাদেশের ধ্বংস শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এর বিচার না হলে দেশের জন্য ভালো হবে না।’
মো. সাহাবুদ্দিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি কোনো আইনগত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন না। তবে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর আগের বা পরের কোনো বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন এ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি খাদ্য মজুত ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।’
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা থাকলেও কার্যকর মূল শুল্কহার আগের তুলনায় বেশি নয়।’

‘আগের সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে বন্ধ হয়ে গেছে বিভিন্ন শিল্প কারখানার উৎপাদন। এছাড়া দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বাসাবাড়িতেও কমেছে গ্যাসের চাপ। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বর্তমানে সংকট তৈরি হয়েছে। সংকট মোকাবেলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘গ্যাস সংকট রয়েছে। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। অতীতে এ খাতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
এ সময় তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘ওই নির্বাচন নিয়ে এখনো সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়নি। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনের বিচার না হলে তা অবিচার হবে।’
৩২ জন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেন, বলেন, ‘২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার যে কাউকে অবসরে পাঠাতে পারে। যাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে, তারা সবাই ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসক ছিলেন। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। চাকরির মেয়াদ বিবেচনায় তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে।’
২০১৮ সালের নির্বাচন থেকেই বাংলাদেশের ধ্বংস শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এর বিচার না হলে দেশের জন্য ভালো হবে না।’
মো. সাহাবুদ্দিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি কোনো আইনগত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন না। তবে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর আগের বা পরের কোনো বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন এ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি খাদ্য মজুত ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫৩ মেট্রিক টন, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।’
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা থাকলেও কার্যকর মূল শুল্কহার আগের তুলনায় বেশি নয়।’

গুম ও বিচারবহির্ভূত খুনকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার: ডা. জাহেদ




