শেখ হাসিনা প্রশ্নে তৃতীয় কোনো দেশের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই: ডা. জাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেখ হাসিনা প্রশ্নে তৃতীয় কোনো দেশের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই: ডা. জাহেদ
শেখ হাসিনা

দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিষয়। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের কাজের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত মিলে সিদ্ধান্ত নেবে বলে যুক্তরাষ্ট্র ‘আশা’ করে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।

সেই প্রসঙ্গ ধরে মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) চাইছি এবং ভারতকেই হস্তান্তর করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র যেটা বোঝানোর চেষ্টা করেছে সেটা আসলে একটা দ্বিপাক্ষিক বিষয়, এর মধ্যে অন্য কোনো দেশের আসলে কোনো সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই। আমরাও তা-ই মনে করি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার রায়ের প্রসঙ্গ ধরে তিনি বলেন, একজন দণ্ডপ্রাপ্ত ভয়ঙ্কর আসামি। তিনি খুন করেননি, যেটা করেছেন এটাকে ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ বলে। এটা একটা আলাদা মাত্রার অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ। এমন একজন আসামি, যিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি ভারতে আছেন, আমরা অবশ্যই তাকে ফেরত চাই। এটা আমাদের দ্বিপক্ষীয় ব্যাপার এবং আমরা সেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, তাদের সঙ্গে কথা বলছি।

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের প্রসঙ্গ ধরে ডা. জাহেদ বলেন, আমি আগে একদিন বলেছিলাম যে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যখন আমার সৌজন্য বৈঠক হয়েছিল, তখনও আমি তাকে এই কথাটা বলেছি। তিনি যার সঙ্গেই দেখা করছেন, বাংলাদেশের এই অস্বস্তির জায়গাটা ভারতকে জানাচ্ছেন। আমি আশা করি যে তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।

/এফসি/