বাংলা নববর্ষ আমাদের আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা নববর্ষ আমাদের আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ দিনটি নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে, পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ‘বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে দেওয়া ওই বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময়সূচি নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ নববর্ষকে ঘিরে নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পায়।
তিনি আরও বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরে এবং ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করে। নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, যেখানে প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের আশাবাদ মিলেমিশে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
বাণীতে তারেক রহমান দাবি করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।
তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এসব উদ্যোগ কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সহনশীলতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও শান্তির চর্চা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি- এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।
তিনি নববর্ষে সব মানুষকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ দিনটি নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে, পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ‘বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে দেওয়া ওই বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময়সূচি নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ নববর্ষকে ঘিরে নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পায়।
তিনি আরও বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরে এবং ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করে। নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, যেখানে প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের আশাবাদ মিলেমিশে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
বাণীতে তারেক রহমান দাবি করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।
তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এসব উদ্যোগ কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সহনশীলতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও শান্তির চর্চা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি- এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।
তিনি নববর্ষে সব মানুষকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাংলা নববর্ষ আমাদের আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সিটিজেন ডেস্ক

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ দিনটি নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে, পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ‘বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে দেওয়া ওই বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময়সূচি নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধ নববর্ষকে ঘিরে নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পায়।
তিনি আরও বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ তুলে ধরে এবং ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করে। নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, যেখানে প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের আশাবাদ মিলেমিশে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
বাণীতে তারেক রহমান দাবি করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।
তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এসব উদ্যোগ কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সহনশীলতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে। বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও শান্তির চর্চা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি- এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।
তিনি নববর্ষে সব মানুষকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। নববর্ষ সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।




