শোলাকিয়া ঈদগাহের আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রী

শোলাকিয়া ঈদগাহের আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রী
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে প্রতি ঈদে লাখ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন। আগামীতে এই মাঠের ২০০তম জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বিশেষ উপলক্ষকে সামনে রেখে মাঠটির সার্বিক উন্নয়নে আমরা ১৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের নিকট সরকারি তহবিল থেকে ৬ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। খুব শিগগিরই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে।’
প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শোলাকিয়া মাঠের সীমানা প্রাচীর ও দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার নির্মাণ, ওজুখানার সুব্যবস্থাসহ সংলগ্ন পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন এবং মাঠটিকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে স্থানীয় ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা এবং সাধারণ মানুষের সকাল-সন্ধ্যাকালীন হাঁটার সুযোগ তৈরি হবে।’
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালনের সময় সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে এক লাখ নিম গাছের চারা পাঠিয়েছিলেন। বর্তমানে সেগুলো বিশাল বৃক্ষরাজিতে পরিণত হয়েছে। দেশটির মানুষ এগুলোকে সম্মান জানিয়ে ‘জিয়া গাছ’ নামে ডাকে।'
তিনি বলেন, ‘সেই ধারাবাহিকতায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠ পরিবেশবান্ধব ও ছায়ানিবিড় করতে এখানেও প্রচুর নিম গাছ রোপণ করা হবে।’

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে প্রতি ঈদে লাখ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন। আগামীতে এই মাঠের ২০০তম জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বিশেষ উপলক্ষকে সামনে রেখে মাঠটির সার্বিক উন্নয়নে আমরা ১৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের নিকট সরকারি তহবিল থেকে ৬ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। খুব শিগগিরই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে।’
প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শোলাকিয়া মাঠের সীমানা প্রাচীর ও দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার নির্মাণ, ওজুখানার সুব্যবস্থাসহ সংলগ্ন পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন এবং মাঠটিকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে স্থানীয় ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা এবং সাধারণ মানুষের সকাল-সন্ধ্যাকালীন হাঁটার সুযোগ তৈরি হবে।’
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালনের সময় সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে এক লাখ নিম গাছের চারা পাঠিয়েছিলেন। বর্তমানে সেগুলো বিশাল বৃক্ষরাজিতে পরিণত হয়েছে। দেশটির মানুষ এগুলোকে সম্মান জানিয়ে ‘জিয়া গাছ’ নামে ডাকে।'
তিনি বলেন, ‘সেই ধারাবাহিকতায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠ পরিবেশবান্ধব ও ছায়ানিবিড় করতে এখানেও প্রচুর নিম গাছ রোপণ করা হবে।’

শোলাকিয়া ঈদগাহের আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প: প্রধানমন্ত্রী
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের আধুনিকায়নে ১৭ কোটি টাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে প্রতি ঈদে লাখ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করতে আসেন। আগামীতে এই মাঠের ২০০তম জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বিশেষ উপলক্ষকে সামনে রেখে মাঠটির সার্বিক উন্নয়নে আমরা ১৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের নিকট সরকারি তহবিল থেকে ৬ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। খুব শিগগিরই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে।’
প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শোলাকিয়া মাঠের সীমানা প্রাচীর ও দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার নির্মাণ, ওজুখানার সুব্যবস্থাসহ সংলগ্ন পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন এবং মাঠটিকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে স্থানীয় ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা এবং সাধারণ মানুষের সকাল-সন্ধ্যাকালীন হাঁটার সুযোগ তৈরি হবে।’
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালনের সময় সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে এক লাখ নিম গাছের চারা পাঠিয়েছিলেন। বর্তমানে সেগুলো বিশাল বৃক্ষরাজিতে পরিণত হয়েছে। দেশটির মানুষ এগুলোকে সম্মান জানিয়ে ‘জিয়া গাছ’ নামে ডাকে।'
তিনি বলেন, ‘সেই ধারাবাহিকতায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠ পরিবেশবান্ধব ও ছায়ানিবিড় করতে এখানেও প্রচুর নিম গাছ রোপণ করা হবে।’

গ্যাস সংকট সমাধানে পরিকল্পনা দিন, বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রী






