গন্ধর্বপুর পানি প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি

প্রকল্পে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকল্পে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি
গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য বড় বড় পাইপ স্তূপ করে রাখা হয়েছে। ছবি: সিটিজেন জার্নাল টোয়েন্টিফোর

ঢাকা ওয়াসার ‘ঢাকা পরিবেশবান্ধব টেকসই পানি সরবরাহ প্রকল্প (তৃতীয়বার সংশোধিত)’ বাস্তবায়নে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই প্রকল্পের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির চিত্র। এসব দুর্নীতির মধ্যে আছে প্রকল্পে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়াও।

আইএমইডির অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল অনুমোদিত আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ২৪৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে নানা সংশোধনের মাধ্যমে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

আইএমইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর পর ২০২১-২২ অর্থবছরে আরএডিপিপিতে বরাদ্দের বিপরীতে অব্যয়িত ও অডিট আপত্তিকৃত ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি, যা প্রকল্প দপ্তরের অদক্ষতা ও আর্থিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি। তাই এ অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করেছে আইএমইডির অনুসন্ধান কমিটি।

এই অনিয়মের সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্পটির পরিচালক (পিডি) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদ জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে বারবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

/আরএ/